[…]বাংলাদেশ সৌদি আরবের কৌশলগত অংশীদার হতে পারে : প্রধানমন্ত্রী […]বাংলাদেশ সৌদি আরবের কৌশলগত অংশীদার হতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ সৌদি আরবের কৌশলগত অংশীদার হতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম:
আপডেট সময়:আগস্ট ৭, ২০১৭ , ৯:১২ অপরাহ্ন
বিভাগ: সংবাদ

ইবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ, সামরিক অবকাঠামো নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে পারষ্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহবান জানিয়েছেন। গতকাল বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌদি চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল আব্দুল রহমান আল বুনাইয়ান সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর অভিমত ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রশিক্ষণ সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ, জাহাজ নির্মাণ এবং বাংলাদেশী সেনা সদস্যদের বিভিন্ন সামগ্রী রপ্তানীর ক্ষেত্রে সৌদি আরবের কৌশলগত অংশীদার হতে পারে’।

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুণর্ব্যাক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে একত্রিত করে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য গণসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ও সৌদি আরব, ভ্রাতৃপ্রতীম দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান পারষ্পরিক সম্পর্কে শেখ হাসিনা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশীদের হৃদয়ে সৌদি আরব একটি বিশেষ জায়গা দখল করে আছে।
সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী শ্রমিকদের কর্মে নিয়োজিত থাকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা সেদেশের অর্থনীতিতেও বিরাট ভূমিকা রাখছে।

সৌদি চিফ অব জেনারেল ষ্টাফ জেনারেল আবদুল রহমান বলেন, বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমাদের প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো সহযোগিতা রয়েছে।

সৌদি জেনারেল বলেন, সৌদি আরব এবং বাংলাদেশ উভয়েই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও লে. জেনারেল মাহফুজুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রয়েল থাই আর্মড ফোর্সেস এর চীফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস জেনারেল সুরাপং সুওয়ানা আদথ প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন। শেখ হাসিনা দু’দেশের পারস্পরিক কল্যাণে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য আরো বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

জেনারেল সুরাপং সুয়ানা এডিথ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের অবদানেরও প্রশংসা করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও লে. জেনারেল মাহফুজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।



নির্বাচন বার্তা