[…]বাংলাদেশে খাদ্য অধিদপ্তরের গম চুরি, চিহ্নিতরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে […]বাংলাদেশে খাদ্য অধিদপ্তরের গম চুরি, চিহ্নিতরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে

বাংলাদেশে খাদ্য অধিদপ্তরের গম চুরি, চিহ্নিতরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে

ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম:
আপডেট সময়:অগাস্ট ১০, ২০১৭ , ১২:১০ অপরাহ্ন
বিভাগ: প্রতিবেদন

বিশেষ প্রতিবেদন: বাংলাদেশে গম সরবরাহকারী দক্ষিণ কোরীয় প্রতিষ্ঠান সামজিন লিমিটেড গত তিন বছর ধরে গম চুরির সন্ধান করছে। অতপর দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বীমা কোম্পানি গুদাম থেকে প্রায় ৯০ কোটি টাকা মূল্যের গম চুরি করে ৫ হাজার ৯২টি ট্রাকে করে চট্টগ্রামেরই কয়েকজন ব্যবসায়ীর বিক্রি করায় আদালতে মামলা করেছে।

তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতোপূর্বে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থা (সিআইডি) চুরি নিয়ে তদন্ত করেছে। তদন্তে গম চুরির ঘটনায় শিপিং এজেন্ট ও গুদাম মালিকসহ সাতজনকে চিহ্নিত করা হয় এবং চারটি মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু এক যুবলীগ নেতা ও সরকার-সমর্থক একাধিক ব্যবসায়ীর গম চুরি সিন্ডিকেটকে আয়ত্বে আনা যাচ্চে না বলে অভিযোগ গম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের

দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন এবং সম্প্রতি দায়ের হওয়া দুটি মামলার এজাহারে ৩৩ হাজার টন গমের প্রধান ক্রেতা হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সাবেক সহসভাপতি সাইফুল ইসলামের নাম এসেছে। তিনি চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাঁচজন ব্যবসায়ীর কাছে এ গম বিক্রি করে দেন। এর আগেও ২০১১ সালের এপ্রিলে খাদ্য অধিদপ্তরের গুদাম থেকে গম পাচারের অভিযোগে সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ২০১২ সালের জুনে খাদ্য অধিদপ্তরকে নিম্নমানের গম সরবরাহের অভিযোগ ওঠে সাইফুলের প্রতিষ্ঠান রোকেয়া ফ্লাওয়ারের বিরুদ্ধে।

তিন বছর ধরে ওই চুরির সুরাহা না হওয়ায় গমের আন্তর্জাতিক শিপিং এজেন্ট দাইয়ু করপোরেশনের দক্ষিণ কোরীয় বীমা কোম্পানির পক্ষ থেকে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২০ জুন হাইকোর্টের বিদেশি লেনদেন নিষ্পত্তি বিভাগে (অ্যাডমিরালটি বিভাগ) মামলাটি দায়ের করা হয়। এ ছাড়া ২ আগস্ট চট্টগ্রাম অতিরিক্ত মহানগর হাকিমের আদালতেও সাতজনকে আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকদের মতে, গম কেলেঙ্কারির সুরাহা না হওয়ায় বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।