[…]ইসির সংলাপে স্বাধীনতা বিরোধীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি তরিকতের […]ইসির সংলাপে স্বাধীনতা বিরোধীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি তরিকতের

ইসির সংলাপে স্বাধীনতা বিরোধীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি তরিকতের

ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম:
আপডেট সময়:অক্টোবর ৮, ২০১৭ , ১২:১৩ অপরাহ্ন
বিভাগ: নির্বাচন বার্তা

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চলমান সংলাপে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ‘সংসদে থাকা দলগুলোর প্রতিনিধি নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে একাদশ সংসদ নির্বাচনের আয়োজন, স্বাধীনতাবিরোধী ব্যক্তি ও দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার আইন করাসহ ১২ দফা’ প্রস্তাবনা দিয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে অনুষ্ঠিত সংলাপে এসব প্রস্তাব দেয় দলটি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, মাহবুব তালুকদার, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

তরিকত ফেডারেশরেন চেয়ারম্যান এবং চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর নেতৃতে ১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ইসির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়। দলটির উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হচ্ছে- নির্বাচনের সময় কোন অপশক্তির জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কর্মকা- যাতে পরিবেশ বিঘ্নিত না করে সেজন্য ইসির তত্ত্বাবধানে স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা; নির্বাচনী ব্যয় ২৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫০ লাখ টাকা করা; ইভিএম পদ্ধতি চালু; রোহিঙ্গারা যাতে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হতে পারে; নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার রোধে আইনি ব্যবস্থা; সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মতাদর্শিক দল নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা; দলগুলো সড়ক বন্ধ করে যেন সভা সমাবেশ করতে না পারে সে ব্যবস্থা করা।

মতবিনিময় শেষে দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর সাংবাদিকদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ব্যক্তি ও দল যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে সে ব্যবস্থা নেয়াসহ ১২টি প্রস্তাবনা দিয়েছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা মোতায়েন চাই। নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে আমরা সংবিধানের বাইরে যাব না। এজন্য সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দল নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করে এর অধীনে নির্বাচন করার কথা বলেছি।

দশম সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করেছিল তরিকত ফেডারেশন। বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে ইসির সংলাপসূচি থাকলেও দলটি বিশেষ কারণে আসতে পারবে না জানিয়ে পরবর্তীতে সময় চেয়েছে।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। ২৪ আগস্ট থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ২১টি দলের সঙ্গে কমিশন সংলাপে বসে। আজ ৫ অক্টোবর বেলা ১১টায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও বিকেল ৩টায় জাকের পার্টির সঙ্গে ইসির সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৯ অক্টোবর বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, ১৫ অক্টোবর বিএনপি এবং ১৮ অক্টোবর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপ হবে। আগামী ১৯ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

নির্বাচন বার্তা - বিভাগের আরও সংবাদ



নির্বাচন বার্তা