রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৯ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
শেখ হাসিনাকে জন্মদিনে মোদী পাঠালেন ফুল, চীনের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন পঁচাত্তরের খুনিদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ “ধর্ষিত” মামুনের স্ক্রিনশপ জালিয়াতি ফাঁস : ইলিয়াস সহ সুশীলদের কটাক্ষ জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ : বিশ্ব সভায় বাংলা ভাষার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্ব গার্ডিয়ানে প্রকাশিত শেখ হাসিনার নিবন্ধ: ‘আ থার্ড অফ মাই কান্ট্রি ওয়াজ জাস্ট আন্ডারওয়াটার। দ্য ওয়ার্ল্ড মাস্ট অ্যাক্ট অন ক্লাইমেট’ হেফাজতের কর্তৃত্ব যাচ্ছে দেওবন্দের কাফের ঘোষিত জামায়াতের কব্জায় ! অনলাইনে মিলছে টিসিবির পেঁয়াজ আজ টিউলিপ সিদ্দিকের জন্মদিন বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোন

সর্বজনীন উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় এগিয়ে বাংলাদেশ

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮

২৩-২৬ জানুয়ারি সুইত্জারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন। সোমবার, সম্মেলন শুরুর আগের দিনই প্রকাশিত আইডিআই রিপোর্টে, সর্বজনীন বিকাশের নিরিখে বিভিন্ন দেশের ক্রমতালিকা দেওয়া হয়েছে। তাতে উন্নয়নশীল ৭৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান ৩৪, ভারতের স্থান শেষ দিকে, ৬২ নম্বরে। চিন আছে ২৬ নম্বরে। শ্রীলঙ্কা ৪০ এবং পাকিস্তান ৪৭ নম্বরে। গত বছর ভারত ছিল তালিকার ৬০ নম্বরে। চিন ভারতের থেকে অনেকটা এগিয়ে থাকলেও, গত বছরের তুলনায় তালিকার বেশ খানিকটা নীচে নেমে এসেছে। জানুয়ারি, ২০১৭-তে প্রকাশিত রিপোর্টে চিন ছিল ১৫ নম্বরে।

একটা দেশের উন্নয়নের অবস্থা বুঝতে তার জাতীয় উত্পাদন একটা মাপকাঠি। বৃদ্ধির হারও তাই। কিন্তু শুধু এগুলো দিয়েই একটা দেশের প্রকৃত উন্নয়নচিত্র ধরা পড়ে না। দেশে সম্পদের বণ্টন কেমন, জীবনযাত্রার গড় মান কেমন, কর্মসংস্থানের সুযোগ, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য-শিক্ষার নিরাপত্তা— এ সবও গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই সমস্ত দিক বিচার করেই তার সর্বজনীন উন্নয়ন সূচক তৈরি করছে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম। এই ইনডেক্স তৈরিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে আইএলও, আইএমএফ, বিশ্বব্যাঙ্ক, ডব্লিউটিও-সহ বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংগঠনের সমীক্ষা রিপোর্ট থেকে।

মোট ১০৩টি দেশকে দুটো ভাগে ভাগ করে আলাদা আলাদা তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এক দিকে আছে ৭৪টি উন্নয়নশীল দেশ। অন্য দিকে ২৯টি উন্নত দেশ।

উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে লিথুয়ানিয়া। দু’নম্বরে হাঙ্গেরি, তিনে আজারবাইজান, চারে লাতভিয়া এবং পাঁচ নম্বরে রয়েছে পোল্যান্ডের নাম।

উন্নত দেশগুলির তালিকায় প্রথমেই রয়েছে নরওয়ের নাম। আগের বছরের তালিকাতেও নরওয়ে এক নম্বরে ছিল। গত বারের চার নম্বর থেকে এ বারের তালিকায় দুয়ে উঠে এসেছে আইসল্যান্ড। গত বার দ্বিতীয় স্থানে থাকা লুক্সেমবার্গ এ বার তৃতীয় হয়েছে। তিনে থাকা সুইৎজারল্যান্ড এ বার চারে এবং গত বারের মতো ডেনমার্ক এ বারও পাঁচ নম্বর স্থানেই রয়েছে। উন্নত দেশগুলির মধ্যে আমেরিকা রয়েছে ২৩ নম্বরে। জার্মানি ১২, ফ্রান্স ১৮, ব্রিটেন ২১, জাপান ২৪ এবং ইজরায়েলের মতো দেশ ২৫ নম্বরে রয়েছে।

মূলত তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়েই এই সর্বজনীন উন্নয়নের সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম স্তম্ভের সূচক বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন। সাধারণ মানুষ কতটা উন্নয়নের সুফল পেয়েছেন বা উন্নয়নের আওতায় সামগ্রিক ভাবে কত জনকে আনা সম্ভব হয়েছে, তার ভিত্তিতেই দ্বিতীয় স্তম্ভের সূচক নির্ধারিত হয়েছে। তিন নম্বর স্তম্ভটির সূচক আরও ব্যক্তিগত স্তরে নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে দেখা হয়েছে,  একজন নাগরিকের ছেলে বা মেয়ে কত বছর বেকার থাকছেন। কত দিন পর্যন্ত সেই ছেলে-মেয়ে বাবা-মায়ের উপর নির্ভরশীল। ওই ব্যক্তির সঞ্চয়ের পরিমাণ কী রকম। নাগরিক সুবিধা দিতে গিয়ে ব্যক্তিপিছু কী পরিমাণ ঋণ নিতে হচ্ছে সরকারকে। এই তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়েই উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির ওই তালিকা করা হয়েছে।


আরও সংবাদ