1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
খালেদার রায় নিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
খালেদার রায় নিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা - ebarta24.com
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

খালেদার রায় নিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০১৮

জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারী ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক সহিংস কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বিএনপি। জানা গেছে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি প্রচলিত ভাষায় আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিলেও বিশ্বস্ত কিছু নেতাকে সহিংস কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর বিএনপির প্রভাবশালী তিন নেতা ঢাকা ছেড়েছেন। তারা আত্মগোপন করেছেন নাকি অন্যান্য জেলায় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করতে গিয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায় নি।
জানা গেছে, তারেক রহমান তার অনুগত পাঁচজন নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে হোয়াটসএ্যাপ ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে আন্দোলনের নির্দেশ দিয়েছেন। তারেক রহমান ৮ ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করেই সরকার পতনের স্বপ্ন দেখছে। এ লক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে সর্বাধিক প্রচারণা ও সর্বোচ্চ সংখ্যক লোক সমাগম করতে ব্যাপক প্রচারণা শুরু হয়েছে। আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় দশ লক্ষ লোকের সমাগমের লক্ষ নির্ধারণ করে ইতোমধ্যে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এদিকে তারেক রহমানের আন্দোলনের বার্তা নিয়ে বিএনপি নেতা খায়রুল কবীর খোকন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সাথে রাজধানীর রেডিসন হোটেলে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর মহানগর নেতা সেলিম উদ্দিন, বেলায়েত হোসাইন সুজা, ছাত্রশিবির সেক্রেটারি মোবারক হোসাইন এবং ছাত্রদল নেতা রাজীব আহসান।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্দোলন প্রচারণা
তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত জেডফোর্স, জিয়া সাইবার ফোর্স, তারেক জিয়া সাইবার ফোর্স, আমরা সাইদী ভক্ত সহ কয়েকটি গ্রুপ ও পেজে উস্কানিমূলক প্রপাগান্ডা চলছে। সাধারণের জন্য একটি এবং নেতাকর্মীদের জন্য ভিন্ন প্রচারণা দেখা গেছে। সাধারণ প্রচারণায় পুলিশের উপর আক্রমণ, গাড়ি পুড়িয়ে দেয়া, রেলের স্লিপার তুলে ফেলা ও সশস্ত্র প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলা হচ্ছে। নেতাকর্মীদের জন্য প্রচারিত লিফলেটে গাড়ি পুড়িয়ে দেয়া, হামলা আক্রমণ থেকে শুরু করে ধর্ষণ করার আহবানও জানানো হয়েছে যা দেশদ্রোহিতার শামিল। এ প্রচার বিএনপির নেতাকর্মীদের সিক্রেট গ্রুপে চলছে। প্রচারণার কিছু কন্টেন্ট আমাদের হাতে এসেছে। এসব প্রচারণার কারণে সকল মহল উৎকণ্ঠিত এবং সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।

ঢাকায় হাতবোমা, পেট্রোল বোমা, গান পাউডার ও ককটেলসহ সশস্ত্র হামলা ও না্শকতার সার্বিক দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ছাত্রদল নেতা আকরাম, মিন্টু, ইখতিয়ার কবির ও এজমল হোসেন পাইলট, জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন, বদিউজ্জামান বাবুল, ইসহাক আলী, মনিরুল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের ইয়াছিন আরাফাত, খালেদ মাহমুদ, তৌহিদুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিনের উপর।
জানা গেছে, শিবিরের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা, রাজশাহী, রংপুর ও নোয়াখালী শাখাকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও লোক সমাগমের জন্য ইসলামী ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে পাঁচ লক্ষ টাকা করে প্রেরণ করা হয়েছে।
এখনো আট ফেব্রুয়ারির দশ দিন বাকি রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এই সময়ের মধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে সহিংসতা সৃষ্টিতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়ার চেষ্টা করা হবে। তবে কাঙ্খিত ফল পাবে কিনা সে ব্যাপারে আশ্বস্ত হতে পারছেন না দলের নেতারাই। জামায়াতকে সাথে পাওয়ার চেষ্টা ও আর্থিক সহায়তা দেয়া হলেও কর্মিরা মাঠে নামবে কিনা তা অনিশ্চিত। এছাড়া বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতারা আন্দোলনে অভ্যস্ত নয় উপরন্তু গত নির্বাচনে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও সফল হতে না পারায় কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নয় তারা। অন্যদিকে রায়ে সাজা হলে এবং সরকার সৃষ্ট উত্তেজনা সামাল দিতে পারলে বিএনপির রাজনীতি বিলীন হওয়ার মুখোমুখি হবে।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021