1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে কৃষিক্ষেত্রে অগ্রযাত্রা অব্যহত - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে কৃষিক্ষেত্রে অগ্রযাত্রা অব্যহত - ebarta24.com
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে কৃষিক্ষেত্রে অগ্রযাত্রা অব্যহত

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২১

জাতিসংঘ করোনা পরিস্থিতিকে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সংঘটিত সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক ও মানবিক সংকট হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। পৃথিবীর প্রায় সাতশো কোটি মানুষ করোনার আক্রমণ থেকে বাঁচার আশায় স্বপ্রণোদিত গৃহবন্দীত্বের জীবন বেছে নিয়েছে। এমন বিপর্যয় উত্তোরাধুনিক সভ্যতার প্রতিটি মানুষের কাছে ছিল অকল্পনীয়।
বাংলাদেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র্য জয়ের লড়াইয়ে নিয়োজিত দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের একটি তীব্র ঘনবসতিপূর্ণ কৃষি প্রধান দেশ। বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জীবন-জীবিকা যে খুঁটির উপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে তার প্রধান একটি কৃষি। জিডিপি নিয়ন্ত্রণের এসব ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে খাদ্যের যোগানদার খাত হিসেবে কৃষি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর কৃষি ব্যবস্থায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এক আশাজাগানিয়া সমৃদ্ধির স্তরে উঠে আসতে শুরু করে। কিন্তু তার ব্যত্যয় ঘটে করোনা ভাইরাসের কারণে।
করোনা পরিস্থিতির কারণে কৃষির উপর করোনা পরিস্থিতির প্রভাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ বা উত্তরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় নিয়েই বিষয়টি কত বড় চ্যালেঞ্জ তা আমরা অনুমান করতে পারি। এমনিতেই কৃষি জলবায়ুর প্রভাব নির্ভর একটি অনিশ্চয়তার পেশা, তার উপর যদি এই প্রাণঘাতী মহামারীর মুখোমুখি হয়ে কৃষি উৎপাদন বেগবান করতে হয় সে তো হবে এক অন্য রকম মহাযুদ্ধ।
কৃষিতে উৎপাদনশীলতা অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে গৃহীত উদ্যোগগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :
১। প্রয়োজনীয় ঋণ ও ভর্তুকি প্রদান। কৃষি যন্ত্রের জন্য ৭০% ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০০ কোটি টাকা প্রণোদনার অর্থদিয়ে ভর্তুকি মূল্যে কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার হাওরে প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
২। করোনা পরিস্থিতির কারণে এ কার্যক্রম বিঘ্নিত হলেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে হাওরে কৃষি শ্রমিক প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
৩। বাংলাদেশের কৃষিতে যে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক সার, বালাইনাশক ও কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয় তার বেশিরভাগ আসে বিদেশ থেকে। করোনা জনিত কারণে এসব পণ্য বিদেশ থেকে সময়মতো আসা নির্বিঘ্ন করা হয়েছে।
৪। উৎপাদিত কৃষি পণ্যের বাজারজাতকরণ কৃষি ক্ষেত্রে আরেক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। দেশের ভেতরে এবং বাইরের পচনশীল কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ বিঘ্নিত হলে তার প্রভাবও কৃষির উপর পড়তো নানাভাবে নানামাত্রায়। সরকার প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ, বীজ, সার, বালাইনাশক, সেচ ব্যবস্থাপনাসহ কৃষি যন্ত্রপাতির সঠিক সময়ে প্রাপ্যতা নিশ্চিত করেছে।
৫। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় কৃষি পণ্যের পরিবহন, গুদামজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করা।
৬। শ্রমিক জোগানের সাথে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর এবং হাওর অঞ্চলের জেলাগুলোর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জনপ্রতিনিধি, সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে কৃষি শ্রমিকদের হাওরে ধান কাটার অংশগ্রহণে সুব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
৭। করোনা দুর্যোগকালে উদ্ভাবনমূলক সম্প্রসারণ সেবা প্রদানের জন্য উদ্ভাবনী কর্মকর্তাদের প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহিত করা হয়। এসব উদ্ভাবনী সম্প্রসারণ সেবা সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
৮। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত চাষযোগ্য প্রতি ইঞ্চি জমিতে ফসল উৎপাদনে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে বাস্তবায়নে কৃষক সমাজের সার্বিক সহায়তা প্রদান করেছে।
এছাড়া ছাদ কৃষিতে উৎসাহ, বিনামূল্যে চারা সরবরাহ, প্রকৃত কৃষকদের কাজ থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে অধিক পরিমাণ ধান ক্রয়, বজ্রপাত নিরোধক যন্ত্র স্থাপন, কৃষি প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন পতিত জমিতে ফসল উৎপাদনের কর্মসূচি গ্রহণ করে কৃষিতে নীরব বিপ্লব সাধন করেছে বাংলাদেশ। দেশ আজ প্রধান দানাজাতীয় খাদ্যপণ্য চালে উদ্বৃত্ত, ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ, গম, ভুট্টা ও আলুর মতো প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনে সাফল্যের পাশাপাশি সবজি, ফলমূল ও মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিপুল সাফল্য অর্জন করেছে। সেইসাথে ডাল ও তেলবীজ উৎপাদনে উল্লেখ্যযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করছে। পাশাপাশি-মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ উৎপাদনে অভ‚তপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। আর এসব সাফল্যের স্বীকৃতিও এসেছে বিশ্ব থেকে।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021