বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ০২:৪১ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু: জুলিও কুরি শান্তি পদকের প্রাসঙ্গিকতা বঙ্গবন্ধুর “জুরিও কুরি শান্তি পুরস্কার” বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মান স্কুলে যেতে পারতাম না, খুনিরা সবখানে ফলো করতো: রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক শুভ জন্মদিন রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক অনলাইনে কেনাকাটায় নিরাপদ থাকতে কিছু সতর্কতা আরও ৬৯৭০ কওমি মাদ্রাসাকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান চাকরিচ্যুত প্রবাসীদের পুনর্বাসনে জাতিসংঘ, ওআইসি ও ইইউকে বাংলাদেশের চিঠি করোনার প্রভাবে রফতানির তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন পণ্য জ্ঞানের জ্যোতি শিক্ষক ডক্টর আনিসুজ্জামান জামায়াতের ভণ্ডামির আরেক প্রমাণ বার্মার ৯৬৯ গ্রুপের রকি বড়ুয়া!

মুজিব বর্ষের প্রথম বই ‘কৃষি ও কৃষকের বঙ্গবন্ধু’

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হয়েছে মুজিব বর্ষের প্রথম বই। এটি লিখেছেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘কৃষি ও কৃষকের বঙ্গবন্ধু’ বইয়ের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম।

বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু কৃষি দর্শনের কারণেই আজ বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পর্নতা অর্জন করেছে। তার সেই দর্শনগুলো একসঙ্গে করে পুস্তক আকারে মুদ্রিত হওয়ায় এই ইতিহাসগুলো আগামী প্রজন্ম এক জায়গা থেকে জানতে পারবে।

অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. লুৎফুল হাসান ও প্রাইস ওয়াটার কুপার্সের ম্যানেজিং পার্টনার মামুন রশিদ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হৃদয়ের মানুষ ছিলেন। আমাদের সবাইকে হৃদয় দিয়ে ভালোবেসেছেন। সুন্দর একটি বই উপহার পেলাম। আমাদের বাস্তব জীবনে বইকে কাজে লাগাতে হবে। বঙ্গবন্ধুর কথাগুলো সব সময় বাংলার মানুষের ছিল।

বিশেষ অতিথি এইচ টি ইমাম বলেন, বঙ্গবন্ধু ওই সময় বাঙালিদের জন্য সবকিছুই করেছেন। আজকের বাংলাদেশের যে রূপ ও ব্যবস্থাপনা তার সবকিছুই বঙ্গবন্ধু করে গেছেন। এক্ষেত্রে অন্তরিক্ষে বলুন, সমুদ্রে বলুন সবকিছু নিয়েই তিনি চিন্তা করতেন। এমনকি এখনও মন্ত্রীরা যে শপথ পাঠ করেন সেটিও তিনি রচনা করেছেন। স্বাধীনতার পর কৃষকের দিকে তাকানোর পাশাপাশি তিনি বিদ্রোহও দমন করেছিলেন সেনাবাহিনী নিয়োগ করে। জাসদ নামক একটি জিনিস ওই সময় উত্থান হয়েছিল। তাদের গণবাহিনীকেও দমন করতে হয়েছিল।

ইমাম বলেন, কৃষি কর্মকর্তাদের মর্যাদা দেয়ার পাশাপাশি কৃষি বিজ্ঞানীদের জন্য বরাদ্দ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। তার ফল হিসেবে আজ জমি কমলেও খাদ্যের অভাব হচ্ছে না। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনই নয়, এখন রপ্তানি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটি অব প্রফেশনালসের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু এক জায়গায় বলেছিলেন, শোষন কাকে বলে আমি জানি কৃষকদের কাছে থেকে। কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে তিনি সব সময় কাজ করেন। বঙ্গবন্ধু ছোটবেলায় ছিলেন ডানপিটে। সব সময় নানা বিষয়ে জানা বঙ্গবন্ধুর প্রবল ইচ্ছা ছিল। জন্মসূত্রে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কৃষকের গভীর মিল ছিল।’

তিনি আরও বলেন, আমি গবেষণা করে দেখেছি এখনো বঙ্গবন্ধুকে সম্পূর্ণভাবে চেনা হয়নি। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে মুরগির মাংস রান্না হয়েছিল। বাড়ির পাশ দিয়ে লুঙ্গি পরে একজন হেঁটে যাচ্ছিলেন। তাকে ডেকে নিয়ে বাড়িতে বঙ্গবন্ধু মুরগির মাংস খাওয়ান। তিনি ছিলেন গরিব দরদি। বঙ্গবন্ধু কৃষকের মাঠে কৃষকের হাসি দেখতে চেয়েছেন। তবে এখনো কেনই বা কৃষক মাঠে হাসছে না এটা ভাবতে হবে।


আরও সংবাদ