1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আল জাজিরা বিতর্ক : সত্য-মিথ্যা - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আল জাজিরা বিতর্ক : সত্য-মিথ্যা - ebarta24.com
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

আল জাজিরা বিতর্ক : সত্য-মিথ্যা

 আনিস আলমগীর 
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

আল জাজিরার পরিচিত একজন প্রডিউসার আমাকে মঙ্গলবার সকালে একটি লিংক পাঠান এবং জানতে চান দেখেছি কিনা। বলাবাহুল্য সেটা ছিল বহুল আলোচিত ডকুমেন্টারি ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স মেন’ এবং তা নিয়ে একটি অনলাইন রিপোর্ট। আগের রাতে ডকুমেন্টারিটি আল জাজিরায় প্রচারিত হয়েছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এত হইচই হয়েছে, লিংক শেয়ার হয়েছে যে, আমার ধারণা অনেকের রাতেই এটি দেখা শেষ। আমি তাকে জানালাম আগেই দেখেছি। সে জানতে চাইল বাংলাদেশ সরকারের প্রতিক্রিয়া কী? আমি বললাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এটাকে প্রোপাগান্ডা আখ্যায়িত করেছে এবং এর নেপথ্যের লোকটি, যার নাম ডেভিড বার্গম্যান, তার চরিত্র সম্পর্কে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছে।

 

আল জাজিরার জন্য বাংলাদেশ নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরিতে আমি নিজেও কাজ করেছি। সে বিষয় এবং আমাদের অবশিষ্ট আলোচনা বলার আগে ডেভিড বার্গম্যানের সাংবাদিকতার মান নিয়ে কিছু বলা জরুরি মনে করছি। ডেভিড বার্গম্যান নামটা শুনেলেই আমার এককালের এক সাংবাদিক সহকর্মীর কথা মনে পড়ে। নামটা বলা সঙ্গত মনে করছি না, তবে ঘটনাবলিতেই অনেক সাংবাদিক তাকে চিনবেন। সহকর্মী থাকা অবস্থায় কোনো রিপোর্টে তার নাম দেখলেই (বাইলাইন স্টোরি) আমি পড়তাম না। এটি তার কল্পনাপ্রসূত বলেই আমি বিশ্বাস করতাম। সে দুই নেত্রীর (শেখ হাসিনা-খালেদা জিয়া) ইন্টারভিউ ছাপিয়েছিল তাদের সঙ্গে কথা না বলে। অফিসে বসে ফোন করত অমুক নেতা, তমুক ভাইকে। ওই প্রান্তে কেউ নেই!

তেমনই ঘটনা ঘটল ১ ফেব্রুয়ারি রাতে যখন আল জাজিরার বহুল আলোচিত ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স মেন’ দেখতে বসে পর্দায় ড. কামাল হোসেনের জামাতা ডেভিড বার্গম্যানকে দেখলাম। বার্গম্যান নামটাই আমার কাছে একটি মিথ্যাচার, সাংবাদিক নামের ভাড়াটিয়া এবং কলংক। বাংলাদেশের মতো দেশে এসে, জামাই আদরে সে যেসব গাল-গল্প লিখেছে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে উপহাস করে রিপোর্ট করেছে, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে সারাবিশ্বে বাংলাদেশকে কলংকিত করতে চেয়েছে, বাংলাদেশের আদালতকে যেভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেয়েছে- অন্য কোনো দেশে হলে তাকে পশ্চাদ্দিকে লাথি মেরে তাড়িয়ে দিত। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা বিকৃতির জন্য অন্য কোনো দেশের আদালত হলে তাকে শুধু পাঁচ হাজার টাকা বা অনাদায়ে সাত দিনের দণ্ড না দিয়ে পাছায় ১০০টি বেত্রাঘাত করারও রায় দিত।
কেউ কেউ ভাবছেন তার সম্পর্কে মনে হয় এটা বলছি ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স মেন’ দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে। না পাঁচ বছর আগেই হুবহু এই কথা বলেছি। এটিএন বাংলার টক শোতেও বলেছি। নুরুল কবির ভাই কেন তাকে নিউ এইজ পত্রিকায় চাকরি দিয়েছেন, সে প্রশ্নও উঠে এসেছিল আলোচনায়। কবির ভাই পরদিন আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, নিউ এইজের সঙ্গে তার চাকরির সম্পর্ক নেই আরও অনেক আগে থেকে। যাক এই বার্গম্যান যখন কোনো সাংবাদিকতা প্রকল্পে যুক্ত হন তখন সেটা আর সাংবাদিকতা থাকে না। রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা এবং ভাড়ায় খাটা ফরমায়েস পালন হয়। সেটাই হয়েছে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স মেন’ নামের ডকুমেন্টারিতে।
 
তথ্যচিত্রটির প্রোডাকশন কোয়ালিটি, সেনাপ্রধানকে অনুসরণ করে সংযুক্ত কিছু ফুটেজ দুষ্পাপ্য মনে হয়েছে এবং সাংবাদিকের দৃষ্টিকোণ থেকে সেটা বাহবা পাওয়ার মতো। কিন্তু এর বিষয়বস্তু, বস্তুনিষ্ঠতা এবং রাজনৈতিক মতলব নিয়ে আমার খটকা লেগেছে শুরু থেকেই। খটকার শুরুটা ডকুর নাম নিয়েই। ‘অল দ্য প্রেসিডেন্ট’স মেন্’ নামে হলিউডে একটি বিখ্যাত মুভি তৈরি হয়েছে ১৯৭৬ সালে। বহুল আলোচিত এই চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি নিয়ে, যে ঘটনার জেরে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। তার সঙ্গে মিল রেখে এই নাম কেন? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদত্যাগে বাধ্য করার জন্য? ‘আহমেদ ব্রাদার্স’-এর কাহিনীতে প্রধানমন্ত্রী কীভাবে আসেন এবং কীভাবে তারা ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স মেন’ হন তার কোনো প্রমাণ নেই পুরো ‘ড্রামা’জুড়ে।
গত কয়েক মাসজুড়ে সেনাবাহিনীর প্রাক্তন দুজন কর্মকর্তা, একুশে টিভির প্রাক্তন এক সাংবাদিকের সঙ্গে ফেসবুক লাইভে বসে রাজা-উজির মারতেন। তাদের ভাবখানা এই যে শেখ হাসিনা কয়েক দিনের মধ্যে গদি ছেড়ে পালাচ্ছেন। সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে নিয়ে কিছু গুজব ছড়ানোই ছিল তাদের প্রধান কাজ। সাংবাদিক হয়ে অন্য সাংবাদিককে ভালো করে চিনি বলেই এসব ‘আবর্জনা’ দেখার জন্য আমি সময় রাখি না। বিরক্তি প্রকাশ করায়, যারা এসব লিংক পাঠাত তারাও থেমেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই গুজব প্রচারকারীচক্রের হোতারা তাদের গুজবের উন্নত ভার্সন হিসেবে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স মেন’ ছাড়েন এবার প্রতিষ্ঠিত টিভি চ্যানেলে, যার উদ্দেশ্য এক ঢিলে দুই পাখি মারা। মানে প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান- দুজনকে একসঙ্গে বিতর্কিত করা। কিন্তু তাদের এই উদ্দেশ্য বৃথা যায় কারণ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন নামে তারা যেটা ছেড়েছে সেটা তাদের ভাষায় একজন সাইকোপ্যাথের প্রলাপ ছাড়া কিছু নেই। কথামালা ছাড়া কোনো এভিডেন্স নেই।
আমি একাত্তরসহ কয়েকটি টিভির টক শোতে বলেছি, এখানেও বলছি যে পুরো ডকুতে আমার দুটি তথ্যই নতুন মনে হয়েছে। একটি হচ্ছে সেনাপ্রধানের ছেলের বিয়েতে দুজন পলাতক আসামির উপস্থিতি এবং হাঙ্গেরিতে থাকা হারিসের মিথ্যা তথ্যে বানানো পাসপোর্ট। অবশ্য বিয়ের অনুষ্ঠানে থাকার সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন আসে কারণ তাদের উপস্থিতি দেখানো হচ্ছে একটি স্থিরচিত্রে, যা আজকাল গলা কেটে বানানো কোনো ব্যাপার না। এর বাইরে এই ডকুর কোনো তথ্যমূল্য আমার কাজে নেই।
সেনাবাহিনী প্রধানের এক ভাই জোসেফ ফ্রিডম পার্টির এক নেতাকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সাজা পান এবং ২০ বছর জেল খেটে রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমায় কারামুক্ত হয়েছেন। এই খবর নতুন কিছু নয় বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের কাছে। একজন মুক্ত লোক কোন ক্ষমতাবান ব্যক্তির সঙ্গে ঘুরছেন, আড্ডা দিচ্ছেন- সেটা তাদের প্রাইভেট বিষয় এবং এখানে দোষের কী আছে? তিনি কি ছাড়া পেয়ে আরেকটি খুনে জড়িয়েছেন? তাহলে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঘাটাঘাটি কেন?
 
আল জাজিরা খুব কৌশলে দুটি ঘটনা এড়িয়ে গেছে। সেনাপ্রধানের তিন ভাই যাকে খুন করায় অভিযুক্ত সেই ব্যক্তি মৃত্যুশয্যায় নাকি বয়ান দিয়েছে হারিসের লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে তাকে গুলি করা হয়েছে। গুলি খাওয়ার সময় কি খুনি তাকে পিস্তলের লাইসেন্স দেখিয়েছিল! কিন্তু আল জাজিরা এটি বলেনি যে যাকে খুন করা হয়েছে সে নিজেই ছিল একজন সন্ত্রাসী। যেন-তেন সন্ত্রাসী নয়, ফ্রিডম পার্টির ভাড়াটিয়া হিসেবে আজকের প্রধানমন্ত্রী এবং তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে খুন করার জন্য সে বোমা মেরেছে, গ্রেনেড মেরেছে। প্রশ্ন আসতে পারে- একজন খুনিকে কি তাহলে অন্যরা খুন করার অধিকার রাখে? না, রাখে না। সে কারণেই তো বিচার হয়েছে। মামলার রায় হয়েছে। এমনতো নয় যে ক্ষমতা বদলের সঙ্গে মামলাটি হাওয়া হয়ে গিয়েছিল।
ডকুতে খালেদা জিয়ার ফুটেজ চালানোর সময় বর্ণনা করছে তাকে জেলবন্দী করা হয়েছে, পলিটিক্যাল এনিমি হিসেবে। ১২ বছর ধরে যে মামলা চলল- সেই তথ্য গায়েব। ইসলামী মৌলবাদের উসকানি দেয়ার জন্য ইসরায়েল থেকে গোয়েন্দা যন্ত্র কেনার কথাটি বারবার বলেছে। অথচ ইসরায়েলি পণ্য কান্ট্রি অব অরিজিন এবং লেভেল পরিবর্তন করে তৃতীয় দেশ থেকে বাংলাদেশে আসা এবং একইভাবে আমাদের পণ্য সেখানে যাওয়া নতুন কোনো ঘটনা না। শত শত সফটওয়্যার, জরুরি ওষুধ, মিলিটারি ইকুপমেন্ট, ডায়মন্ড ইসরায়েল তৈরি করছে এবং বিশ্ববাজার ভালো করে দখল নিয়েছে।
সবকিছু মিলে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স মেন’ ডকুমেন্টারির নামে, সাংবাদিকতার নামে, আল জাজিরা ইনভেস্টিগেশনের নামে- বড় ধরনের একটি ড্রামা। যে ড্রামার মূলহোতা ডেভিড বার্গম্যার অ্যান্ড কোং। যার অর্থ জোগান দিয়েছে তাদের গডফাদাররা। যারা যুদ্ধাপরাধ বানচাল করার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে সারাবিশ্বে ওই বিচারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। পর্বতের মুশিক প্রসব করার মতো, লাখ লাখ টাকা খরচ করে এমন শূন্যগর্ভ, মিথ্যা তথ্যচিত্রে টাকা ঢালার কোনো গরজ আল জাজিরার আছে ব্যক্তিগতভাবে মনে করি না।
 
শুরুতে উল্লেখ করেছিলাম যে আল জাজিরার জন্য একটি তথ্যচিত্র নির্মাণে আমি জড়িত ছিলাম। এটি নির্মিত হয়েছিল ২০০৫ সালে, বাংলাদেশের অভ্যুদয় নিয়ে। তখন আল জাজিরা ইংলিশ চ্যানেল ছিল না, শুধু আরবি চ্যানেল হিসেবে ছিল। ‘বাংলাদেশ- এ বার্থ অব এ নেশন’ ২৮ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্রটি কোনো আরব চ্যানেলের জন্য প্রথম নির্মিত ডকুমেন্টারি যেখানে পাকিস্তানের বিভাজন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের উত্থানের বিষয় স্থান পেয়েছে।
সেই ডকু তৈরি করতে আমরা জগন্নাথ হলের হত্যাযজ্ঞ, গণকবর, মধুর ক্যান্টিন, মধুদার হত্যা স্পটে গিয়েছিলাম। আমরা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনীকে নিয়ে গিয়েছিলাম খুলনার সেই জুটমিলে যেখানে তিনি ধর্ষিত হয়েছিলেন। এ কে খন্দকারকে নিয়ে গিয়েছিলাম রমনার রেসকোর্স ময়দানে। কাজী শাহেদ আহমেদ বর্ণনা করেছেন যুদ্ধকালে পাকিস্তানের বন্দিজীবন। কাব্যিকভাবে মুক্তিযুদ্ধকে তুলে ধরেছেন আসাদুজ্জামান নূর। আমরা গিয়েছিলাম সাভার স্মৃতিসৌধ, অন্যান্য স্থানে। সে কাজের তালিকা অনেক দীর্ঘ। এনটিভি সে সময় এটি নিয়ে একটি রিপোর্ট করেছিল।
সে কারণে আমি কোনো প্রতিষ্ঠানকে কালিমা দিতে চাই না। দোষ দিতে চাই পেছনের লোকগুলোকে। আল জাজিরা (আরাবিক) প্রতিষ্ঠান হিসেবে মুসলিম বিশ্বের অনেক বঞ্চনার কথা তুলে ধরছে। আফগানিস্তান এবং ইরাকযুদ্ধে আমি মাঠে থেকে তাদের সাহসী ভূমিকা দেখেছি। আল জাজিরার সাংবাদিক দুই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু ২০০৬ সালে আল জাজিরা ইংলিশ যাত্রার পর এর ইমেজ পাল্টে গেছে।
 
বলাবাহুল্য অধিকাংশ পশ্চিমা দেশের সাংবাদিকরাই এর মূল দায়িত্ব পালন করছে। এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার। বাংলাদেশে হেফাজতের অনুষ্ঠানে মানুষ হত্যা, বা যুদ্ধাপরাধীদের ধর্মীয় নেতা বানিয়ে, বাংলাদেশ ধর্মীয় নেতাদের জেল-ফাঁসি দিচ্ছে অপপ্রচার করা এবং বাংলাদেশে মৌলবাদের উসকানি দেয়া- সবই করেছে আল জাজিরা ইংলিশ।
শেষ করব আল জাজিরার সেই প্রযোজকের কথা দিয়ে যে জানতে চেয়েছে ডকু নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া কী? আমি তাকে কী বলেছি শুরুতে উল্লেখ করেছি। আমার ব্যক্তিগত মতামত জানাতে বলায় আমি সংক্ষেপে বলেছি, প্রধানমন্ত্রীকে জড়ানোতে এর পুরো উদ্দেশ্যই মাঠে মারা গেছে। আর সেও তার মতামতে বলেছে- তথ্যের চেয়ে এটিতে ড্রামা বেশি।
 
লেখক : আনিস আলমগীর , সাংবাদিক ও কলামিস্ট
ইরাক ও আফগান যুদ্ধ-সংবাদ সংগ্রহের জন্য খ্যাত।
[email protected]





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021