1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
মেডিক্যাল প্লাটফর্মগুলোতে আল জাজিরার সমালোচনার ঝড় - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
মেডিক্যাল প্লাটফর্মগুলোতে আল জাজিরার সমালোচনার ঝড় - ebarta24.com
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০১:০৯ অপরাহ্ন

মেডিক্যাল প্লাটফর্মগুলোতে আল জাজিরার সমালোচনার ঝড়

ইবার্তা সম্পাদনা পর্ষদ
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

গুজব ছড়িয়ে আমার সহ অসংখ্য ডাক্তার, মেডিকেল স্টুডেন্টের অপূরণীয় ক্ষতি করার কারনে আমি আল জাজিরা বয়কট করলাম, আপনি করছেন তো?
আল জাজিরার একটি রিপোর্ট আমার আপনার কি ক্ষতি করে ফেলেছে জানেন? আল জাজিরার প্রোপাগান্ডা মতে বাংলাদেশের একজন সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক মিথ্যা জন্ম-সনদ (আল জাজিরার দাবী) মিথ্যা বিবাহ সনদ (আল জাজিরার দাবী) মিথ্যা ব্যাঙ্ক একাউন্ট ও ব্যাঙ্ক স্টেট্মেন্ট (আল জাজিরার দাবী) মিথ্যা একাডেমিক সার্টিফিকেট (আল জাজিরার দাবী) মিথ্যা জাতীয় পরিচয় পত্র (আল জাজিরার দাবী) মিথ্যা পাসপোর্ট (আল জাজিরার দাবী) মিথ্যা এল সি (লেটার অফ ক্রেডিট) (আল জাজিরার দাবী) তৈরী করে শ্যানজেন ভিসা পেয়েছেন এবং বিদেশে বিজনেস করতেছেন। বিদেশীরা যদি এই নিউজ বিশ্বাস করে একটা মারাত্মক ভুল বার্তা যাবে এবং এর ভয়াবহ পরিণতি হবে।
 
এতে করে শ্যানজেন ভুক্ত দেশ সহ বিশ্বের সব দেশের কাছে একটা মারাত্মক বার্তা গেলো যে – বাংলাদেশের জন্ম সনদ দেওয়া প্রতিষ্ঠান বিবাহ সনদ দেওয়া প্রতিষ্ঠান ব্যাঙ্ক সমূহ সার্টিফিকেট প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদানকারী সংস্থা পাসপোর্ট অধিদপ্তর এল সি প্রদান এবং এসব ডকুমেন্টের সত্যায়নকারী অথরিটি প্রত্যেকেই জাল ডকুমেণ্ট তৈরী করে এবং এসব জাল ডকুমেন্ট দিয়ে বাংলাদেশী বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পার হওয়া যায়। অন্যান্য প্রতিষ্ঠান যেমন বিদেশী দূতাবাস ডিজিএফাই ডিজিডিপি সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির সাথে সাধারণ জনগণের সাথে ইনভল্ভমেন্ট নেই বলে এগুলির কথা বাদ দিলাম। এই যে ভুল বার্তা যে শ্যানজেনভুক্ত দেশ সহ সারা পৃথিবীতে চলে গেলো এতে করে বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে ইউরোপ – আমেরিকান ভিসাপ্রাপ্তি অনেক কঠিন হয়ে যাবে। ডকুমেন্টে সামান্য এদিক সেদিক হলে ভিসা রিফিউজ হবে।
 
যেসব ছাত্রছাত্রী দেশীয় ডকুমেন্ট এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিদেশে পড়তে যাওয়ার জন্য বিদেশী এমবেসি ফেইস করবে তাদেরকে অনেক বেশি জেরার মুখে পড়তে হবে। বিদেশী বিমানবন্দরে বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীরা আরো বেশি হ্যারাসমেন্টের শিকার হবেন। বড় ধরণের ক্ষতিগ্রস্থ হবেন ব্যবসায়ীরা। আন্তর্জাতিক লেনদেনের ব্যপারে তাদের ডকুমেন্ট গুলি অনেক বেশি স্ক্রুটিনির মধ্যে পড়ে যাবে।
আমার তিনটি বাজে অভিজ্ঞতা
১) আমাদের সামাজিক প্রতিষ্ঠান উই দ্যা ড্রিমার্সের সাথে চুক্তিবদ্ধ ইতালিয়ান অর্গানাইজেশানের আমন্ত্রণে ইতালি যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ইতালিয়ান এমবেসিতে জমা দিলাম। একটা ডকুমেন্ট মিসিং ছিলো, ভিসা প্রসেসররা সেটা বাধ্যতামূলকভাবে চায় ও নি। এভরিথিং ওকে, ম্যারিজ সার্টিফিকেট মিসিং। – ভিসা দেয় নাই তারা।
২) কাতার এয়ারওয়েজের প্লেনে ঘোষণা করা হচ্ছে, লেডিস, এন্ড জেন্টেলম্যান্ট, আপনাদের টয়লেট বামদিকের সর্বশেষ প্রান্তে। তবে আপনি যদি বাংলাদেশী হয়ে থাকেন, ডানদিকের ৩ নম্বর টয়লেট ব্যবহার করুন।
৩) কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে টার্মিনাল ১ এ নামলাম এয়ার এশিয়ার বিমান থেকে। পরের ফ্লাইট মালিন্দো এয়ারলাইন্সে টার্মিনাল ২ থেকে। টার্মিনাল ওয়ান এবং টুর মধ্যে বিমান বন্দরের ভেতর দিয়ে যাওয়ার যে রাস্তা – সেই রাস্তা দিয়ে টার্মিনাল ২ তে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব মালিন্দো নিবে না, কারন কানেক্টিং ফ্লাইট না – বলে। আবার মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন কিছুতেই ইমিগ্রেশান পার হয়ে এয়ারপোর্টের দুই টার্মিনালের মধ্যে যাতায়তের রাস্তায় যেতে দিবেনা মালয়েশিয়ান ভিসা নেই বলে। যদি অন্যদিকে চলে যাই, মালয়েশিয়ায় হারিয়ে যাই অবৈধভাবে থেকে যাই।
 
এমনিতেই গ্লোবাল পাসপোর্ট ইন্ডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান ভয়াবহ। সবুজ পাসপোর্ট দেখলেই ইমিগ্রেশনগুলিতে হয়রানি হয়। আলজাজিরার রিপোর্ট এই হয়রানি বহুগুণ বাড়িয়ে দিবে। কোন ডকুমেন্টকেই অথেনটিক মনে করবেনা বাইরের দেশগুলি। হয়ত বাংলাদেশী এমবেসির কথাকেও পাত্তা না দিতে পারে। স্টুডেন্টদের জন্য ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডের ভিসা প্রসেসিং অনেক কঠিন হয়ে যাবে। আল জাজিরা যা করেছে সেটা সরকারের স্বার্থ নয়, আঠারো কোটি মানুষের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয়েছে।
আলজাজিরাকে বিচারের কাঠগড়ায় আনা এবং নিঃশর্তে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা ১৮ কোটি জনগ্ণের স্বার্থেই প্রয়োজন। একজন নাগরিক হিসেবে সরকারের কাছে আকুল আবেদন, আল জাজিরার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নেওয়া হোক। আল জাজিরার এক ঘন্টার প্রোপাগান্ডার সবকটিকে ভুল প্রমাণ করে কঠিন শাস্থির আওতায় আনা হোক। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই ক্ষত সহজে যাওয়ার নয়।
বয়কট আল জাজিরা – এইটুকু লিখে/গালি দিলেই যদি আল জাজিরার ইমপ্যাক্ট চলে যেতো তাইলে অনেক ভালো হতো। কিন্তু সেটি হবার নয়। তাই সংস্লিষ্ট অথরিটির নৈতিক দায়িত্ব আল জাজিরার প্রতিটি দাবী ভুল প্রমাণ করার এবং এটির উপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী, গবেষক এবং ছাত্রছাত্রীদের ফিউচার।
 
(গত কয়েকদিন থেকে মেডিক্যাল স্টুডেন্ট ও ডাক্তারদের ফেসবুক গ্রুপে ভাইরাল হওয়া একজন নাম জানা ডাক্তারের লেখা।)





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021