মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
স্বৈরাচার জিয়ার নির্দেশে ঢাকা, কুমিল্লা ও বগুড়া কারাগারে ২০৯ জনের ফাঁসির তালিকা মুশতাক-সামি-তাসনিম খলিল গংদের বাকস্বাধীনতার নমুনা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবসে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন ঐতিহাসিক ‘৭ মার্চ’ উদযাপনে হঠাৎ বিএনপির বোধদয় কেন? শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসারে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশ এবং চ্যালেঞ্জ দেশ-বিরোধী চক্রান্ত ও বাক স্বাধীনতার সীমারেখা কিশোর-মুশতাকের জামিন নাকচ যে কারনে : একই চক্রে তাসনিম খলিল-সামি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ বাংলাদেশের মার্কিন দূতাবাস এবং ঢাকাস্থ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের বিবৃতি লিখে দিলো কে?

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভাসানচর ও লক্ষ আশ্রয়হীনের একমাত্র আশ্রয়ের ঠিকানা

সজল চৌধুরী
আপডেট : রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে নিজেদের পরিবার পরিজন ছেড়ে, নিজের দেশেতে ভিটেমাটি ছেড়ে, প্রাণ বাঁচাতে তারা এসেছিল বাংলাদেশের মাটিতে। এক নিদারুন অনিশ্চিত জীবনকে সামনে রেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বহু পথ পাড়ি দিয়ে তারা এসেছিল নতুন ঠিকানায় এ দেশে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলো যখন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল ঠিক তখনই আমাদের মানবতাবাদী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অনেক বাধা-বিপত্তিকে সামনে রেখেও পরম মমতায় তাদের অনিশ্চিত-অনিরাপদ জীবনে এনে দিয়েছিল বেঁচে থাকার স্বপ্ন। নতুন ঠিকানা পাওয়ার আনন্দ! ভাসমান এই মানুষগুলোকে বুকে টেনে নিয়েছিল পরম মমতায়-ভালবাসায়। সে যেন ছিল এক ইতিহাস! আর তিন বছর পরে সেই ইতিহাসে যুক্ত হলো আরো একটি বিরাট প্রাপ্তি। সেদিনও আমরা কথা বলেছিলাম আমাদের নিজেদের সমস্যা নিয়ে। আমরা ভয় পেয়েছিলাম কিভাবে এই বিশাল ভাসমান রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সঠিক ব্যবস্থাপনায় এদেশে স্থান দেয়া সম্ভব? আমরা চিন্তা করেছিলাম তাদের জীবিকা, অন্ন, বস্ত্র, খাদ্যের কথা ভেবে। আর সকল চিন্তাকে-সমালোচনাকে ধুলিস্যাৎ করে দিয়ে এই বাংলাদেশে, এই মাটিতে আজ তারা নতুন স্বপ্ন খুঁজে ফিরছে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে! আর এটি একমাত্র সম্ভব হয়েছিল শুধুমাত্র তার জন্য যিনি শুধু আজকের চিন্তা করেননি। চিন্তা করেছিলেন ভবিষ্যতের। পথ খুঁজছিলেন সমস্যা সমাধানকল্পে। বিশ্বের কাছে সগৌরবে বলেছিলেন মানবতার কথা। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। হয়ে উঠেছেন জনো নেত্রী থেকে জনদরদি। বিশ্বকে দেখিয়েছেন মানবপ্রেমের এক মহান আবহ।

 

বর্তমান সময়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধান বহুল আলোচিত এবং উল্লেখযোগ্য একটি বিষয়। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধান কল্পে প্রাথমিকভাবে ভাসানচরে অস্থায়ী আবাসস্থল নির্মাণ ইতিমধ্যে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। শুধুমাত্র বাংলাদেশে নয় বহির্বিশ্বেও এই প্রকল্প এখন সর্বস্তরে সমাদৃত। এই প্রকল্প বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মানবতাবাদি দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ। কারণ এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সঠিকভাবে সঠিক জায়গায় পরিবেশবান্ধব উপায়ে আবাসন নিশ্চিত করা আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য মোটেও চাট্টিখানি কথা নয়! তবুও সাধুবাদ জানাতে হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার গৃহীত দ্রুত সময়পোযোগী পদক্ষেপকে। একথা বললে মোটেও ভুল হবে না যেখানে বিশ্বের সকল উন্নত দেশসমূহ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানকল্পে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেনি এখনো কিংবা নির্দিষ্ট পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে পারেনি, ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকার যে বিশেষ ভুমিকা রেখেছে তাদের আবাসন সমস্যা সমাধানকল্পে তা শুধুমাত্র ভবিষ্যতের টেকসই উন্নয়নের রূপরেখাই চিহ্নিত করে না বরং সমস্ত বিশ্বের সামনে বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর একটি জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রমাণিত।

 

এক্ষেত্রে এ ধরনের বৃহৎ আবাসিক প্রকল্প উন্নয়ন কিংবা বাস্তবায়ন মোটেও সহজসাধ্য বিষয় নয়। কারণ সেখানে যুক্ত করতে হয় সামাজিক সমস্যা থেকে শুরু করে পরিবেশগত সমস্যা গুলোকে। আর সেগুলো কে মাথায় রেখেই এই ধরনের প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে হয়। যা অনেকাংশেই জটিল। সেক্ষেত্রে অত্যন্ত আশার কথা এই যে বর্তমানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধান কল্পে যে সকল বিষয়গুলো দেখা হয়েছে তা বাস্তবসম্মত এবং পরিবেশগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ধরা যাক যেকোনো জেগে ওঠা চরে যখন কোন আবাসন তৈরি করা হয় তখন খেয়াল রাখতে হয় বর্ষায় পানি ওঠে কিনা, চরের প্রকৃতি কেমন হবে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কেমন হবে, সুপেয় পানির সহজলভ্যতা ইত্যাদি বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হয় এবং এগুলো মাথায় রেখে সেখানে আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হয়। তাছাড়া ভাসমান জনগোষ্ঠীর জন্য আবাসন সমস্যার সমাধান কল্পে সেখানকার আবাসনের ধরনটি কেমন হবে সেটি একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। ইউএনএইচসিআর-এর তথ্য গবেষণা মতে এই ধরনের আবাসন প্রকল্পে সঠিক পরিকল্পনা, স্থানান্তরযোগ্য ব্যবস্থাপনা, উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য একটি বিষয় এবং অত্যন্ত আশার কথা এই যে বর্তমানে ভাসানচরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য যে অস্থায়ী আবাসন ব্যবস্থা করা হয়েছে অত্যন্ত কম সময়ে সেখানে পরিবেশ এবং সামাজিক বিষয়গুলোকে সুচারুভাবে বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়ন করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এবং তার গতি প্রকৃতি কেমন হবে সেই বিষয়গুলোকে সুচারুভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। যেখানে স্যানিটেশন, প্রয়োঃনিস্কাষন, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার জায়গা, ডে-কেয়ার, অগ্নি নিরাপত্তার বিষয় থেকে শুরু করে সাধারণ ভাবে জীবনধারণের প্রত্যেকটি বিষয় সমূহ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে বর্তমান আবাসিক প্রকল্পটিতে।

 

কক্সবাজারে ক্যাম্পে থাকা প্রায় এক লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসতে প্রায় ২৩১২ কোটি টাকা করেছে বাংলাদেশ সরকার। দেখলাম স্থানান্তরের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপ। ক্যাম্প থেকে বাসে ও জাহাজে করে দুই দিনের দীর্ঘ যাত্রা শেষে রোহিঙ্গাদের দলগুলো পৌঁছল সাগরের মাঝখানে প্রায় ১৩ হাজার একর আয়তনের এই দ্বীপে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিল! এই আবাসনপ্রকল্পে তারা যাবে তো? প্রশ্ন তুলেছিল কেমন হবে সেখানকার পরিবেশ? কিন্তু ঘটল তার বিপরীত! যখন তারা ভাসানচরে আবাসন প্রকল্পে পৌঁছলো তারা যেন নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিল না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সযত্নে ব্যবস্থাপনা করে রেখেছেন তাদের আশ্রয় কেন্দ্রটিকে। এ যেন স্বপ্নের থেকে অনেক বেশি কিছু! চোখে-মুখে ফুটে উঠল অব্যক্ত ভালোবাসা, আশা আর প্রাপ্তির আনন্দ। যখন তারা আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছল আশ্রয় কেন্দ্রটিকে দেখে অনেকের চোখেই কান্নার জল চলে আসলো! আর সেই জল ছিল ভালোবাসার, আশা-আকাঙ্খার, প্রাপ্তির। চাপা পড়ে গেল তাদের দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি! মেঝেতে বসে তারা মোনাজাত করলেন। এরপর নির্ধারিত ঘরে ওঠা শুরু করলেন। জীবন-জীবিকার সন্ধিক্ষণে এ যেন এক পরম প্রাপ্তি। এ যাত্রা ছিল স্বেচ্ছায়। কাউকে জোর করে এই যাত্রায় শামিল হতে হয়নি। পরবর্তীতে দেখা গেল সবাই উদগ্রীব হয়ে বসে আছে নতুন আশ্রয় কেন্দ্রে যাবার জন্য। এ যেন তাদের কাছে এক উৎসব! আর এখানেই সফলতা।

এই আশ্রয়ন প্রকল্পে ১২০টি গুচ্ছগ্রাম কিংবা ক্লাস্টার পদ্ধতির সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে লক্ষাধিক রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থাপনা। যেখানে প্রত্যেকটি ক্লাস্টারে রয়েছে মোট ১২ টি হাউজ। স্থাপনা গুলোর স্বরূপ দেখলে বোঝা যায় পাকা দেয়ালের ওপর টিনের ছাউনি যুক্ত প্রতিটি হাউজেই রয়েছে ১৬টি করে কক্ষ এবং প্রত্যেকটি কক্ষে চারজনের একটি পরিবার একসঙ্গে থাকতে পারবে। এমনকি জাতিসংঘের আদর্শ মান অনুযায়ী এই ধরনের আবাসনের ক্ষেত্রে যে পরিমাণ মাথাপিছু জায়গার কথা বলা হয়েছে (৩৭ বর্গফুট) তথ্য অনুযায়ী এসব কক্ষে তার চেয়ে বেশি জায়গা রাখা হয়েছে। যেখানে বর্তমানে প্রায় ২২টির বেশি এনজিওর মাধ্যমে তাদের খাবার, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, শিক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজন মেটানো হচ্ছে। এই আবাসন প্রকল্প তৈরীর ক্ষেত্রে প্রায় ১৭০২ একর জমির চারপাশে জলোচ্ছ্বাস এবং জোয়ারের ঝুঁকি থেকে রক্ষার জন্য উঁচু বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। যেখানে ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ এবং বনায়ন এর জন্য প্রায় ৯১৮ একর এলাকা রাখা হয়েছে। জলবায়ু এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে এখানকার মানুষদের রক্ষার জন্য চারতলা বিশিষ্ট কম্পোজিট সেন্টার স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী সেই কম্পোজিট সেন্টার স্টেশনে ঘন্টায় ২৬০ কিলোমিটার গতিবেগের ঘূর্ণিঝড়ে টিকে থাকা সম্ভব। ব্যবহার করা হয়েছে নবায়নযোগ্য শক্তি। নারী-পুরুষদের জন্য আছে আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থাপনা। ঘরে ঘরে রয়েছে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা। শিশুদের জন্য রয়েছে খেলার মাঠ। তাদের সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ২০ শয্যা বিশিষ্ট দুটি হাসপাতাল এবং চারটি কমিউনিটি ক্লিনিকের বন্দোবস্ত রয়েছে – যা ধাপে ধাপে চালু হবে। এখানে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রকল্প এলাকায় হাঁস-মুরগি, গবাদি পশু, এবং ফলের খামারের প্রকল্প পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু করা হয়েছে। তাছাড়া জীবন এবং জীবিকার সম্ভাবনা বাড়াতে হস্তশিল্প থেকে শুরু করে পর্যটনের বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। যেখানে আন্তরিক প্রচেষ্টার কোন কমতি নেই!

 

এমনকি নতুন এই আবাসস্থল এ অন্যান্য বিষয়ের সাথে বসবাসকারীদের ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধের বিষয়গুলোকে মাথায় রাখা হয়েছে অত্যন্ত সুশৃংখলভাবে। এমনকি একে অপরের সাথে সামাজিকভাবে যেন তাদের সহাবস্থান করতে পারে এজন্য বিশেষ কিছু জায়গার ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে যা তাদের অস্থিরতা, হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্যতা ও মানসিক চাপ থেকে মুক্ত করতে পারবে। আর এখানেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সফলতা। এ সফলতা মানুষের জন্য মানুষের ভালোবাসা, মানবতাবাদি দৃষ্টিভঙ্গি এবং সংকীর্ণতাকে পরিহার করে একটি সোনার বাংলার ভবিষ্যৎ যাত্রা। যা প্রমাণ করে মানবতার জন্য খুব বেশী কিছুর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র প্রয়োজন ইচ্ছা, উন্নত দৃষ্টিভঙ্গি, সাহস আর সংকল্প-যা আজ বাংলাদেশের মাটিতে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে জননেত্রী-জনদরদি শেখ হাসিনার হাত ধরে। আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য এযাবৎকাল বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার যা করেছে তা শুধুমাত্র যথেষ্টই নয় – স্বপ্নের থেকেও বেশি কিছু। বিশ্ব সম্প্রদায়ের এখন প্রধান দায়িত্ব জননেত্রী শেখ হাসিনার মানবতাবাদি এই দৃষ্টিভঙ্গির সঠিক মূল্য দেয়া? সেইসাথে সর্বাত্মক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসা। যা অন্য কেউ সম্ভব করতে পারেনি সেটি সম্ভব করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হয়ে উঠেছেন লক্ষ আশ্রয়হীনদের আশ্রয়ের একমাত্র ঠিকানা। বাঙালি হিসেবে আজ আমরা সত্যই গর্বিত।

 

লেখকঃ সজল চৌধুরী, শিক্ষক, স্থপতি ও গবেষক (বর্তমানে মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ও পরিবেশ বিষয়ক পিএইচডি গবেষক)


আরও সংবাদ