1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
মেডিক্যাল সায়েন্সে রিসার্চ হচ্ছে না, যেটা হওয়া একান্ত প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
মেডিক্যাল সায়েন্সে রিসার্চ হচ্ছে না, যেটা হওয়া একান্ত প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী - ebarta24.com
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন

মেডিক্যাল সায়েন্সে রিসার্চ হচ্ছে না, যেটা হওয়া একান্ত প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

সুভাষ হিকমত
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দেশে চিকিৎসা খাতে উল্লেখযোগ্য গবেষণা না থাকায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চিকিৎসকদের সবাই রোগী দেখায় ব্যস্ত বলে জানান সরকারপ্রধান।
রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জে কুমুদিনি ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ক্যানসার রিসার্চ-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এই মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
‘আমাদের দেশে রিসার্চের সুযোগ কম, বিশেষ করে মেডিক্যাল সায়েন্সে রিসার্চ হচ্ছে না, যেটা হওয়া একান্ত প্রয়োজন।
‘আসলে যাদের রিসার্চ করার কথা, তারা সকলেই ডাক্তার হয়ে রোগী দেখতে ব্যস্ত। হাতে গোনা খুব কমই আমি দেখি, তাদের পাবলিকেশন ও রিসার্চ।’
 
অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দুরারোগ্য ক্যানসার নিয়ে গবেষণা দরকার জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্যানসার এমন একটা রোগ, এটার যে প্রাদুর্ভাব হচ্ছে কিন্তু দুর্ভাগ্য এটার প্রকৃত ডায়াগনসিস করা বা আমাদের দেশের পরিবেশ ও জলবায়ুতে এই ক্যানসার কীভাবে বিস্তার লাভ করে, তার ওপর রিসার্চ করা বা চিকিৎসার জন্য যে রিসার্চ দরকার, সেটা খুব কম আমাদের দেশে হয়।’
এ সময় ১৯৯৬ সালে প্রথম দফায় সরকারে এসে অনেকগুলো গবেষণা ইনস্টিটিউট করার কথা জানান শেখ হাসিনা। বলেন, ‘দেশের প্রথম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আমরা করি। এখন আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় করা হয়েছে।’
চিকিৎসা গবেষণায় বেসরকারি উদ্যোগকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। এতে সরকারের সহযোগিতার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল করতে যে যন্ত্র লাগে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মতো এগুলোতেও ট্যাক্স প্রত্যাহার করা হয়েছে।’
 
 
করোনাভাইরাস-প্রতিরোধী টিকা নিলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। টিকার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষা মানলেই দেশ থেকে করোনা প্রাদুর্ভাব চলে যাবে বলে মনে করেন তিনি।
সরকারের কার্যকর বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে করোনাভাইরাস অনেকটাই এখন নিয়ন্ত্রণে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাকসিন দেয়া সত্ত্বেও কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাটা মেনে চলতে হবে।’
‘মাস্কও পরে থাকতে হবে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। ভ্যাকসিন আমরা দিয়ে দিচ্ছি, কিন্তু স্বাস্থ্য সুরক্ষাটাও কিন্তু তাদের মেনে চলতে হবে। তাহলে আমরা আশা করি, আমাদের দেশ থেকে এ প্রাদুর্ভাবটা চলে যাবে।’
 
করোনা টিকা কার্যক্রমের শুরুতে অনেকেরই মনে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও এখন আর তা নেই বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টিকা দেয়ার বিষয়ে অনেকেরই দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। সাহসী ভূমিকা রেখেছে আমাদের কুমুদিনীর নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা। এখন আর কোনো সমস্যা নেই, সবাই আগ্রহ নিয়ে টিকা নিচ্ছে।
বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে করোনারোধী টিকা প্রয়োগ অনেকটা আগেভাগে শুরু হয়েছে। সরকারের নানামুখী উদ্যোগের ফলেই তা সম্ভব হয়েছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী।
‘আমরা তিন কোটি টিকা কিন্তু কিনে রেখেছি। আমরা অ্যাডভান্স করেছি আগেই, টাকাপয়সা আগেই দিয়েছি। তখনও রিসার্চ চলছে, ডব্লিউএইচও এটাকে তখনও অনুমোদন করেনি। কিন্তু আমি অ্যাডভান্স দিয়ে রেখেছি এ জন্য যে, শুরুতেই যেন আমরা পেয়ে যাই।
‘আমাদের অনেক জনবসতির দেশ, কাজেই আমার দেশের মানুষের, যারা চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের জন্য এটা অনেক বেশি প্রয়োজন।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন উপহার হিসেবে করোনার টিকা দিতে চাইছে। তিনি বলেন, ‘ভারত আমাদের ২০ লাখ ডোজ উপহারও দিয়েছে। অন্য অনেক দেশও দিতে চাচ্ছে আমরা সবই নেব, যাতে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত এই টিকা আমরা দিতে পারি।’
 
দেশের প্রতিটি মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে সরকারের আন্তরিকতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের কল্যাণ করাই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিটি মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা পায়, চেষ্টা করছি।
‘বঙ্গবন্ধু যখন একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে আর্থসামাজিক উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন তখন থেকেই ষড়যন্ত্র শুরু হয়। চিকিৎসাসেবা জনগণেরর দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়াই ছিল বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য।’
 
বক্তৃতায় দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের ঘনিষ্ঠতার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা মনে করে আবেগপ্রবণ হতেও দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে।
তিনি বলেন, ‘রণদা প্রসাদ সাহার সঙ্গে আমার বাবার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতা ছিল এবং তিনি এদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করে গেছেন। তার এ আত্মত্যাগের ফলে আমাদের দেশের অনেক মানুষ উপকৃত হয়েছে।
‘যে মানুষটা সব সময় মানুষের জন্যই কাজ করেছিল, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেমন নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ শুরু করে, যে মানুষটি নিজের সবকিছু দিয়ে এদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করেছিল তাকেও কিন্তু ছাড়েনি। তাকে এবং তার ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।’
নিজের পরিবারের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আর রেহানা যেমন আমার বাবা-মা-ভাইদের লাশ পাইনি। রণদা প্রসাদ এবং তার ছেলেকে যে হত্যা করেছিল তাদের লাশও তাদের পরিবার পায়নি।
‘শ্রীমতি সাহা বুকে পাথর রেখে প্রায় ৫০ বছর হয়ে গেল তিনি কিন্তু ছেলেকে মানুষ করেছেন। আর এই যে কল্যাণকর কাজে তার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।’
 
ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে যাওয়ার স্মৃতিচারণা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার মনে আছে ছোটবেলায় আমার বাবা আমাদের নিয়ে গিয়েছিলেন কুমুদিনী কলেজ দেখার জন্য, স্কুল দেখার জন্য। আমরা সবকিছু ঘুরে ঘুরে দেখেছিলাম।
‘তখন আমরা খুবই ছোট। সেখানকার সুন্দর পরিবেশ দেখে একসময় আব্বা ঠিক করে ফেললেন আমাকে ওখানে ভর্তি করে দেবেন। যদিও সেটা সম্ভব হয়নি আর কখনো। কিন্তু ভারতেশ্বরী হোমসের যে চমৎকার ব্যবস্থাপনা, সেটা সবদিক থেকেই মুগ্ধ করে।’





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021