রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ

দেশে ফিরেই করোনার টিকা নিলেন সেনাপ্রধান

সুভাষ হিকমত
আপডেট : রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে শুক্রবার দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। মার্কিন সেনাবাহিনী প্রধানের আমন্ত্রণে গত ২৯ জানুয়ারি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। সফরকালে তিনি মার্কিন সেনাপ্রধানসহ উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রশিক্ষণ সুবিধা পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দেশে ফিরিয়েই আজ সিএমএইচ- এ করোনার টিকা নেন সেনাপ্রধান।

কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে করোনাভাইরাসের টিকা নিতে সব সেনা সদস্যের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে রোববার রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) টিকা নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। এতে বলা হয়, দেশের সব মানুষসহ সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য করোনার টিকা নেয়ার সুব্যবস্থা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সেনাপ্রধান।

 আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আইএসপিআর জানায়, ২ ফেব্রুয়ারি সেনাপ্রধান ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি, অফিস অব সেক্রেটারি অব ডিফেন্স ফর পলিসি সাউথ অ্যান্ড সাউথইস্ট এশিয়া এবং ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতামূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সেনাবাহিনী প্রধান আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রাশেদ চৌধুরীকে দ্রুত দেশে ফেরত আনার ব্যাপারে জেনারেল আজিজ বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন।

পরে ৪ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ম্যাকনভিলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় ১৯ বার তোপধ্বনর মাধ্যমে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনসহ গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। গত সপ্তাহে সেনাবাহিনী প্রধান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মিলিটারি অ্যাডভাইজার, আন্ডারসেক্রেটারি জেনারেলগণ এবং জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আলোচনার আগে জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের পেশাগত দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।


আরও সংবাদ