মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
স্বৈরাচার জিয়ার নির্দেশে ঢাকা, কুমিল্লা ও বগুড়া কারাগারে ২০৯ জনের ফাঁসির তালিকা মুশতাক-সামি-তাসনিম খলিল গংদের বাকস্বাধীনতার নমুনা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবসে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন ঐতিহাসিক ‘৭ মার্চ’ উদযাপনে হঠাৎ বিএনপির বোধদয় কেন? শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসারে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশ এবং চ্যালেঞ্জ দেশ-বিরোধী চক্রান্ত ও বাক স্বাধীনতার সীমারেখা কিশোর-মুশতাকের জামিন নাকচ যে কারনে : একই চক্রে তাসনিম খলিল-সামি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ বাংলাদেশের মার্কিন দূতাবাস এবং ঢাকাস্থ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের বিবৃতি লিখে দিলো কে?

কিভাবে ক্ষমতা দখল করেছিল ডিক্টেটর জিয়া

ইবার্তা সম্পাদনা পর্ষদ
আপডেট : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

১৯৭৯ সালের ১৯শে এপ্রিল এক অদ্ভুত গেজেট নটিফিকেশন জারি করা হয়। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে নাকি  ১৯৭৮ সালের ২৮শে এপ্রিল টেম্পোরারি লেঃ জেনারেল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে এবং ২৯শে এপ্রিল ১৯৭৮ সালে “টেম্পোরারি” লেঃ জেনারেল জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনী থেকে অবসরে চলে যাওয়া কার্যকরী হবে।

 

এর পেছনে রয়েছে বিশাল ইতিহাস। অবৈধভাবে বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখল করে সায়েমের কাছ থেকে প্রথমে সিএমএলএ পরে রাষ্ট্রপতি পদ হাতিয়ে নেন। ১৯৭৭ সালের বিখ্যাত হ্যা/না ভোটের পর ১৯৭৮ সালের ৩রা জুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেন। তখন তিনি থ্রি ইন ওয়ান। সিএমএলএ, রাষ্ট্রপতি এবং সেনাবাহিনীর প্রধান।

 

এই সেনাপ্রধান থাকাকালীন সময়েই ১৯৭৮ সালের ১লা অক্টোবর বিএনপির চেয়ারম্যান পদেও অধিষ্ঠিত হন। পরের বছরেই খেয়াল হয় সেনাপ্রধানের দায়িত্বে থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং রাজনৈতিক দলের প্রধান হওয়া অবৈধ। তাই সেই ভুল কাটাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের তারিখ দেখিয়ে নিজেই নিজেকে প্রমোশন দিয়ে আবার অবসর দেখিয়ে এই গেজেট বিজ্ঞপ্তি।

 

এই চালাকি যে আইনের ধোপে টিকবে না, তা স্বয়ং জেনারেল সাহেবও বুঝেন নি। ফলত যা হওয়ার তাই। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতে জেনারেল সাহেবের এই পুরো কার্যক্রম অবৈধ ঘোষণা করা হয়।


আরও সংবাদ