শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
মসজিদের দানের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মামুনুল অনুসারী হেফাজতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১ হেফাজতভক্ত সাম্প্রদায়িক অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করছে ছাত্রলীগ : পাওয়া মাত্রই বহিষ্কার মুজিবনগর দিবসের সুবর্ণজয়ন্তীতে ‘সোনার বাংলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে’ প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়প্রতিজ্ঞা বিএনপি কেন পালন করে না মুজিবনগর দিবস? মামুনুল কাণ্ডে টালমাটাল হেফাজত যেকোনো মুহূর্তে গ্রেফতার মামুনুল কিংবদন্তী কবরীর জীবনাবসান চট্টগ্রামের ৩০০ পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহার শিবিরের স্টাইলে কৃষক লীগ নেতার পায়ের রগ কেটে দিল ‘হেফাজত’ করোনা রোগীদের শয্যা প্রাপ্তিতে ছাত্রলীগের মানবিক টিম

পিলখানার শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

সুভাষ হিকমত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানীর সামরিক কবরস্থানে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

করোনার কারণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি। তাদের পক্ষে সামরিক সচিবদ্বয় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সকালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম বনানীর সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী একই যায়গায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তিন বাহিনীর প্রধান এবং শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্বজন ও সহকর্মীরা শ্রদ্ধা জানান।

এসময় পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত করার দাবি জানান স্বজনরা। বয়স্ক স্বজনরা বিচার দেখে যেতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য নায়কদের বের করে বিচারের আওতায় আনার দাবিও জানান তারা। স্বজনদের দাবি, নেপথ্যে করা ছিল, সেটা বের না হলে, এবং তাদের বিচার না হলে তারা তৃপ্তি পাবেন না।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিপথগামী বিদ্রোহী বিডিআর জওয়ানরা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।


আরও সংবাদ