1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

পলিনেট হাউজ পদ্ধতি: কৃষিতে নবদিগন্তের সূচনা

ডেস্ক রিপোর্ট : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় পলিনেট হাউজ পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষিতে নবদিগন্তের সৃষ্টি করেছে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা আচিমতলা গ্রামের বেকার যুবক এসএম রায়হান উল্লাহ আওরঙ্গী।

২০ শতক জমিতে বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সাতক্ষীরায় এই প্রথম পলিনেট হাউজের মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তিতে অতি জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত পরিবেশে বছরব্যাপী নিরাপদ চারা তৈরি ও উচ্চমূল্যে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে চারা উৎপাদন করছে।

পাটকেলঘাটার আচিমতলায় রায়হান উল্লাহ আওরঙ্গীর প্লটে গেলে তিনি জানান, সরকারের সহযোগিতায় উন্নত জাতের চারা উৎপাদন করে সবজি উৎপাদনে কৃষককে সহায়তা করে চলেছেন।

এ ছাড়াও তিনি ৬ বিঘা জমিতে ক্যাপসিকাম, মরিচ, টমেটোসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে সফলতা দেখিয়েছেন। থাইল্যান্ড ভারত নেদারল্যান্ড থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্লটে বর্তমানে বেগুন এক হাজার, পেঁপে এক হাজার ৬০০, লাউ দুই হাজার, শসা এক হাজার ২০০, মরিচ আট হাজার, ক্যাপসিকাম পাঁচ হাজার ও বারোমাসি সজিনা ৫০০ চারা উৎপাদন করেছে। সিডলিং পদ্ধতিতে ট্রেতে কোকোপিট ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহার করে বীজ বপন করা হয়। বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে তা কৃষকদের মাঝে বিক্রি করছেন তিনি।

বর্তমানে তার প্লটে সবমিলে ১৫ হাজার চারা আছে। পেঁপে ২৫ টাকা, বেগুন ২ টাকা, মরিচ ২ টাকা, লাউ ৭ টাকা, শসা ২ টাকা, ক্যাপসিকাম ১০ টাকা, ও বারোমাসি সজিনা ৫০ টাকা করে বিক্রি করছেন। তার উৎপাদিত সব চারা বিক্রি হয়ে গেছে। যেখানে ২০-২৫ হাজার টাকা লাভ হবে।

তিনি বলেন, ‘আশা করছি, পর্যায়ক্রমে চারা উৎপাদন হলে বছর শেষে কয়েক লাখ টাকা লাভ হবে।’ পাইকগাছা উপজেলার শিমুল মোড়ল ও ঝিনাইদহের কামরুল ইসলাম তার উৎপাদিত সব চারা ক্রয় করেছেন। দু-একদিনের মধ্যে চারা ডেলিভারি দেবেন বলে জানান।

পাটকেলঘাটা সরুলিয়া ইউনিয়ন উপসহকারী কর্মকর্তা কল্যাণ কুমার ঘোষ জানান, প্রকল্প পরিচালক শেখ ফজলুল হক মনিসহ কৃষি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। পলিনেটে উৎপাদিত চারা কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করার উদ্দেশে সরকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা বেগম বলেন, ‘বিদেশি প্রযুক্তি ব্যবহার এখানে উন্নত জাতের চারা উৎপাদন করা হয়। কৃষকদের এখন আর খুলনা যশোরসহ বাইরের জেলা থেকে চারা সংগ্রহ করতে হবে না। এ পদ্ধতিতে একশ বীজে একশটি চারা গজায়। পলিনেটের মধ্যে চারা উৎপাদনের জন্য সঠিক তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয় বলে এটা সম্ভব।’


সর্বশেষ - রাজনীতি