1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল - এই ধারা অব্যাহত থাকুক - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল - এই ধারা অব্যাহত থাকুক - ebarta24.com
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন

স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল – এই ধারা অব্যাহত থাকুক

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১৮

বাংলাদেশকে একসময় কত অবজ্ঞাই না সহ্য করতে হয়েছে। ভিক্ষুকের দেশ, তলাবিহীন ঝুড়ি এবং এমন আরো কত অবজ্ঞাসূচক বিশেষণই না যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে। সেই বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) ১২ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সিডিপি সেক্রেটারিয়েটের প্রধান রোলান্ড মোরালেস এসংক্রান্ত একটি চিঠি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের হাতে তুলে দিয়েছেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর মধ্যে দুবার মূল্যায়ন করা হবে। একটি ২০২১ সালে ও অন্যটি ২০২৪ সালে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৪ সালে চূড়ান্তভাবে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক উত্তরণ ঘটবে। একটি দেশের জন্য এর চেয়ে বড় আনন্দের সংবাদ আর কী হতে পারে!
জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোকে তিনটি কাতারে বিভক্ত করা হয়—স্বল্পোন্নত, উন্নয়নশীল ও উন্নত। বাংলাদেশ এত দিন ছিল স্বল্পোন্নত দেশ। এবারই প্রথম উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব যোগ্যতা অর্জন করল। এ ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়েছে সেগুলো হলো—মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচক (ইভিআই)। সব সূচকেই বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করেছে। ফলে বাংলাদেশকে এখন পরীক্ষামূলকভাবে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে রাখা হয়েছে। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের (ইকোসক) মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশকে উন্নয়নশীল হতে হলে মাথাপিছু আয় হতে হয় কমপক্ষে এক হাজার ২৩০ ডলার। জাতিসংঘের হিসাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এক হাজার ২৭৪ মার্কিন ডলার, আর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে তা এক হাজার ৬১০ মার্কিন ডলার। ইকোসকের মানবসম্পদ সূচকে পয়েন্ট থাকতে হয় কমপক্ষে ৬৪, বাংলাদেশের আছে ৭২ পয়েন্ট। অর্থনৈতিক ঝুঁকি ৩৬ পয়েন্টের বেশি হলে কোনো দেশকে স্বল্পোন্নত বা এলডিসিভুক্ত করা হয়। ঝুঁকি কমিয়ে ৩২ পয়েন্টের নিচে আনলেই একটি দেশকে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্য বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশের এই ঝুঁকি বর্তমানে ২৫ দশমিক ২ পয়েন্ট। সব বিবেচনায়ই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতার চেয়েও অনেক বেশি যোগ্যতা অর্জন করেছে। এখন এই অর্জনগুলো ধরে রাখতে হবে এবং ক্রমান্বয়ে আরো এগিয়ে যেতে হবে।
এটা ঠিক, উন্নয়নশীল দেশ হয়ে গেলে স্বল্পোন্নত দেশের সুযোগ-সুবিধা কিছুটা কম পাওয়া যাবে। আর উন্নত দেশ হলে তা আদৌ পাওয়া যাবে না। এ জন্য আমরা উন্নত হওয়ার চেষ্টা করব না, তা হয় না। কেউ কেউ এ বিষয়ে কিছু বিভ্রান্তিও ছড়াচ্ছে। বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশ এখন যেসব সুবিধা পায়, তা ২০২৪ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। তার পরও তিন বছরের জন্য এসব সুযোগ বাড়ানো হতে পারে। তত দিনে আমাদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। আমরা আশা করছি, ২০৪০ সাল নাগাদ আমরা উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছব। দেশে নানা ক্ষেত্রে উন্নয়নের যে গতি সূচিত হয়েছে, তা অব্যাহত থাকলে সেটি মোটেও অসম্ভব কিছু নয়। আমরা চাই, বাংলাদেশ একই গতিতে এগিয়ে যাক।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021