রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
শেখ হাসিনাকে জন্মদিনে মোদী পাঠালেন ফুল, চীনের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন পঁচাত্তরের খুনিদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ “ধর্ষিত” মামুনের স্ক্রিনশপ জালিয়াতি ফাঁস : ইলিয়াস সহ সুশীলদের কটাক্ষ জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ : বিশ্ব সভায় বাংলা ভাষার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্ব গার্ডিয়ানে প্রকাশিত শেখ হাসিনার নিবন্ধ: ‘আ থার্ড অফ মাই কান্ট্রি ওয়াজ জাস্ট আন্ডারওয়াটার। দ্য ওয়ার্ল্ড মাস্ট অ্যাক্ট অন ক্লাইমেট’ হেফাজতের কর্তৃত্ব যাচ্ছে দেওবন্দের কাফের ঘোষিত জামায়াতের কব্জায় ! অনলাইনে মিলছে টিসিবির পেঁয়াজ আজ টিউলিপ সিদ্দিকের জন্মদিন বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোন

ছয় গুণ বেড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমানা, জাহাজ জট কমার আশা

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

♦ দিনে বাড়তি আয় কোটি টাকা
♦ সাত নটিক্যাল থেকে ৫০ নটিক্যাল মাইলে উন্নীত

চট্টগ্রাম বন্দরের যাত্রা শুরুতে জলসীমানা ছিল পাঁচ নটিক্যাল মাইল । বর্তমানে জলসীমানা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত ।

দেশের প্রধান চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের জলসীমা ছয় গুণ বাড়ানো হয়েছে। বহির্নোঙরে সাগরের এই সীমানা সীতাকুণ্ড থেকে মহেশখালীর সোনাদিয়া এবং কুতুবদিয়া পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। জাহাজ ভেড়ার সুবিধার্থে সাগরের ওই অংশকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।

সীমানা বাড়ানোর বন্দরের প্রস্তাবটি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং (অনুমোদন) শেষে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত ২৪ জানুয়ারি বিজ্ঞপ্তি বা এসআরও জারি করা হয়েছে।

কয়েক বছর ধরে পণ্যবাহী জাহাজ আসা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চাপ সামাল দিতে বন্দরের সীমানা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছিল। একই সঙ্গে মহেশখালীর মাতারবাড়ী ঘিরে এলএনজি টার্মিনাল, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) নির্মিতব্য মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর এবং কুতুবদিয়ার গভীর সাগর ঘিরে জাহাজ আসছিল। আর আনোয়ারা এবং মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়ানোর সুবিধার্থে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সীমানা বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ঘিরে সরকারের যে মেগা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে সেটি লক্ষ রেখেই বন্দরের জলসীমা বাড়ানো হয়েছে। প্রথম দিকে আমরা সীতাকুণ্ড, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া ঘিরে তিনটি এলাকা ভাগ করে জলসীমা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল; কিন্তু ভবিষ্যৎ চিন্তা মাথায় নিয়ে পৃথক এলাকার চিন্তা বাদ দিয়ে পতেঙ্গা বহির্নোঙর থেকে সরাসরি মহেশখালী হয়ে সীতাকুণ্ড সাগর এলাকা পর্যন্ত জলসীমা বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ সীমানা সাড়ে সাত নটিক্যাল মাইল থেকে বেড়ে ৫০ নটিক্যাল মাইলে উন্নীত হলো।

এখন এসব এলাকায় নোঙর করা জাহাজ থেকে মাসুল পাওয়া যাচ্ছে এবং দিনে কোটি টাকার মতো বাড়তি রাজস্ব বন্দর তহবিলে যোগ হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সেই রাজস্ব আরো বাড়বে।

পতেঙ্গা বহির্নোঙ্গর থেকে মহেশখালী হয়ে সীতাকুন্ড সাগর এলাকা পর্যন্ত বেড়েছে এ জলসীমা। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছেন, এতে জাহাজ জট কমার পাশাপাশি রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে । তবে আবারো বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা ।


আরও সংবাদ