মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০৫:১২ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
৫০০ গৃহকর্মী ও ৮১ তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৭ মে – শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার দিবস যে যেখানে আছে সেখানেই ঈদ : ‘নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাহাঙ্গীরনগরের দেয়ালগুলো যেভাবে রঙিন হলো সংসদ ভবনে হামলার পরিকল্পনায় গ্রেফতার ২ : নেপথ্যে হেফাজত অনিয়মের বিরুদ্ধে সাবধান করলেন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আল্টিমেটামের পরেই হেফাজতের তাণ্ডব সারদেশে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন শ্রমিক, ইমাম, ভ্যানচলক : আশ্রয়হীদের জন্য সরকারি ঘর উগ্রতার দায়ে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্ট বিচ্ছেদের আগেই সম্পত্তি ভাগাভাগির চুক্তি !

তাণ্ডবে হেফাজতের পেছনে ছিল জামায়াত : ইকোনমিক টাইমস

সুভাষ হিকমত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল, ২০২১

গত ২৬ ও ২৭ মার্চ বাংলাদেশ সফর করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই তিনি ঢাকা সফর করেন।

কিন্তু তার আগমনের বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই আন্দোলন গড়ে তোলে ইসলামি সংগঠন ‘হেফাজতে ইসলাম’। তারা মোদির সফরের বিরোধিতা করে রাজপথে নেমে আসে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জেরে গত ২৮ মার্চ সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করে ইসলামি এই সংগঠনটি।

হরতালের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ভাঙচুরের পেছনে ইসলামি রাজনৈতিক দল ‘জামায়াতে ইসলামী’র ইন্ধন রয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে ইকোনমিক টাইমস।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই জামায়াতের অনুপ্রবেশকারীরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে সারাদেশে ব্যাপক ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালায়।

ইসলামিক গণতান্ত্রিক সেলিব্রেশনের চেয়ারম্যান এমএ আওয়াল বলেন, জামায়াতে ইসলামী ও এর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের মতো স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের সদস্যরাই দেশব্যাপী হেফাজতের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও জামায়াত বাংলাদেশের জন্ম মেনে নিতে পারেনি। এখনও তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত। তিনি এই সংগঠনের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

 

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, “আমরা দেখতে পাই জঙ্গি দলগুলোর নেতারা আগে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ছিলেন। নিষিদ্ধ সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদ, আনসার-উল্লাহ বাংলা টিম, যাই হোক না কেন… এই সমস্ত দলের মূলনীতি ব্যবস্থাপনার কাজ জামায়াত-শিবির থেকেই এসেছে, যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর সহায়ক চালিকা ছিল। জামায়াতের জঙ্গিরা ইসলামী গ্রুপগুলো পেছনে থেকে কাজ করে। যে সংগঠনগুলো সর্বদা সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে এখন তারাই নতুনভাবে একত্রিত হয়েছে।”


আরও সংবাদ