1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
বাক-স্বাধীনতার ক্যানভাসারদের চিরাচরিত স্বৈরতন্ত্রিক মনোভাব - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
বাক-স্বাধীনতার ক্যানভাসারদের চিরাচরিত স্বৈরতন্ত্রিক মনোভাব - ebarta24.com
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৩ অপরাহ্ন

বাক-স্বাধীনতার ক্যানভাসারদের চিরাচরিত স্বৈরতন্ত্রিক মনোভাব

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১০ মে, ২০২০

বাক-স্বাধীনতার কথা বলে যারা উচ্চকণ্ঠ তাদের কারো কারো রূপ অনেকেরই জানা আছে। শিবির ও বাম বেষ্টিত কোটা আন্দোলন শুরুর পর নুরুদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পেইজ ও গ্রুপগুলো উদাহরণ দেয়া যায়। স্বেচ্ছাচারি মনোভাব নিয়ে সেখানে ক্রমাগত গুজব, মিথ্যাচার ও শিবির নিয়ন্ত্রিত ওয়েবসাইটের বিকৃত তথ্য পরিবেশন করা হতো। প্রিয়া সাহাকে দেশদ্রোহী বলা হলেও একই কাজ করে ফটোগ্রাফার শহীদুল আলম দেশপ্রেমিক আখ্যা পান। সরকার বিরোধী কথা বলা মাহমুদুর রহমান বা আসিফ নজরুলরা ছিল তাদের কাছে সততার প্রতীক, অন্যদিকে জাফর ইকবালের মতো ব্যক্তিত্বদের নিয়ে কুৎসা রটনা চলেছে। প্রতিবাদ দূরের কথা, ভুল ধরিয়ে দিলেও ব্লক করে দেয়া হতো।
এবার সেই একই অভিযোগ উঠেছে গণসংহতি আন্দোলনের বিরুদ্ধে। অনলাইনে বাকস্বাধীনতা বিষয়ক আলোচনাতে বিরুদ্ধ মতের প্রশ্ন করায় ব্লক করে দেয়ায় ক্ষুব্ধ সোশাল মিডিয়া একটিভিস্টরা।
শুক্রবার রাতে গণসংহতি আন্দোলন বাক স্বাধীনতা বিষয়ক অনলাইন আলোচনার আয়োজন করে। গণসংহতির ফেসবুক পেজে লাইভের মাধ্যমে আলোচনার ঘোষণা দেয়া হয় অনেক আগেই। ‘অবরুদ্ধ বাকস্বাধীনতা ও লড়াইয়ের পথ’ শিরোনামে ফিরোজ আহমেদের সঞ্চালনায় এই ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নেন নিউ এজ পত্রিকার সম্পাদক নূরুল কবির, ফটোগ্রাফার শহীদুল আলম এবং আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
গণসংহতির এই আলোচনা শুরু হলে আলোচকদের কথা প্রসঙ্গে পক্ষে-বিপক্ষে নানান মন্তব্য আসতে থাকে। কিন্তু বিরুদ্ধ মতের মন্তব্য করলেই তাদের মন্তব্যগুলো হয় মুছে দেয়া হয়েছে অথবা তাদের ফেসবুক আইডিকে ব্লক করে দেয়া হয়েছে যাতে করে পরবর্তীতে আর সেখানে মন্তব্য করতে না পারে।
গণসংহতির ফেসবুক লাইভে মন্তব্য করে ব্লক খাওয়া একজন ইমতুত পিজন। তিনি বলেন, আলোচনাতে দেখলাম দেশের প্রথিতযশা তিন ব্যক্তি বাকস্বাধীনতা বিষয়ক আলোচনা করছেন। যেহেতু বাক-স্বাধীনতার পক্ষে উনারা সবাই উচ্চকিত তাই আমি উনাদের দুই একজনের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলাম। পরে দেখলাম আমার মন্তব্য সেখান থেকে মুছে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়বার মন্তব্য করতে যেয়ে দেখলাম সেখানে আমাকে ব্লক করা হয়েছে।
পাঠশালার পক্ষে বিদেশ থেকে অনুদান এনে ব্যক্তিগত কাজে খরচ করার অভিযোগ ফটোগ্রাফার শহীদুল আলমের বিরুদ্ধে অনেক পুরাতন। এই বিষয়ে সত্যতা জানতে কমেন্ট করেছিলেন জিগাতলার বাসিন্দা ইমরুল কায়েস ইমন। তার মন্তব্যেরও কোন উত্তর না দিয়েই তাকে সেই পেজ থেকে ব্লক করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়ে প্রশ্ন করে ব্লক খেয়েছেন ফার্মগেটের বাসিন্দা শরীফ আহমেদ নিউটন। টাঙ্গাইল থেকে হিমেল মাহমুদ, সিলেট থেকে শান আহমেদেরও একই রকম অভিজ্ঞতা।
অভিযুক্তদের সবার ভাষ্য, আমাদের মন্তব্যগুলো তাদের পছন্দ নাও হতে পারে। তাই বলে তারা আমাদেরকে ব্লক করে দিবে? তাহলে কেন এই মিছে মিছে বাক-স্বাধীনতার নামে গালগল্প করলেন এতক্ষণ তারা। নিজেরাই তো অন্যের বাক-স্বাধীনতাতে বিশ্বাস করেনা।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021