1. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  2. [email protected] : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
  3. [email protected] : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
যে যেখানে আছে সেখানেই ঈদ : ‘নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাহাঙ্গীরনগরের দেয়ালগুলো যেভাবে রঙিন হলো সংসদ ভবনে হামলার পরিকল্পনায় গ্রেফতার ২ : নেপথ্যে হেফাজত অনিয়মের বিরুদ্ধে সাবধান করলেন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আল্টিমেটামের পরেই হেফাজতের তাণ্ডব সারদেশে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন শ্রমিক, ইমাম, ভ্যানচলক : আশ্রয়হীদের জন্য সরকারি ঘর উগ্রতার দায়ে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্ট বিচ্ছেদের আগেই সম্পত্তি ভাগাভাগির চুক্তি ! ভারতে ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ভারতে ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠিয়েছে বাংলাদেশ

‘নয়া দামানে’ ভাইরাল হওয়া সেই ৩ চিকিৎসককে ঢামেক কর্তৃপক্ষের অভিবাদন

নাজিম আজাদ
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১ মে, ২০২১

লোকগানের সঙ্গে নাচ করা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সেই তিন চিকিৎসককে অভিবাদন জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সিনিয়র চিকিৎসকরা।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) ডা. শ্বাশত চন্দন, ডা. আনিকা ইবনাত শামা এবং ডা. কৃপা বিশ্বাসকে উত্তরীয় পরিয়ে অভিবাদন জানানো হয়।

তিন চিকিৎসকের মধ্যে ডা. শ্বাশত চন্দন ও ডা. আনিকা ইবনাত শামা ইন্টার্ন করছেন। আরেক চিকিৎসক ডা. কৃপা বিশ্বাস ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অনারারি মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।

 ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞার সঙ্গে ডা. চন্দন, ডা. আনিকা ও ডা. কৃপা বিশ্বাস

 

গত ২৬ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের করিডোরে এই তিন চিকিৎসক “নয়া দামান’ শিরোনামে একটি লোকগানের সঙ্গে নেচে ভিডিও করেন। পরে সেটি নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন করেন ডা. শ্বাশত চন্দন। মুহূর্তেই সে ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়।

ডা. চন্দন বলেন, ‘করোনার এই মহামারিতে গত প্রায় দেড়টা বছর ধরেই চিকিৎসকরা সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে কাজ করছেন। অনেক সিনিয়র চিকিৎসক মারা গেছেন, অনেক চিকিৎসকের পরিবারের সদস্য মারা গেছেন। হাজার হাজার চিকিৎসক করোনাতে আক্রান্ত হয়েছেন, কিন্তু তাদের কোনও অ্যাপ্রিসিয়েশন নেই সেভাবে। কাজ করতে করতে চিকিৎসকরা এখন ক্লান্ত। অনেকেই মানসিক ট্রমার ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন। করোনা মানসিক স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করে ফেলে। চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি চিকিৎসকরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। এসব কিছু ভেবেই এটা করা। এই ভিডিও দেখে কোনও চিকিৎসক যদি একটুও প্রফুল্ল হতে পারেন সেটাই আমাদের সার্থকতা।’

ডা. সামন্ত লাল বলেন, ‘ছেলে-মেয়েরা যদি ভালো কাজ করে তাহলে পিতার দায়িত্ব তাদের অনুপ্রেরণা দেওয়া, সাহস দেওয়া। আমি সেই কাজটি করেছি। আমি একজন সিনিয়র চিকিৎসক হিসেবে সেই কাজটা করেছি, কারণ আমার ভালো লেগেছে।’

কোভিড-নন কোভিড রোগীদের একইসঙ্গে চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসকরা ক্লান্ত ও শ্রান্ত মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে এই চিকিৎসকের ব্যতিক্রমী ভাবনা আমার ভালো লেগেছে। সারাদিন কেবল খারাপ খবরের মধ্যে, সারাদিন ডিপ্রেশনের মধ্যে তাদের এই উদ্যোগ অনেক চিকিৎসককে প্রফুল্ল করেছে- এটাই আমি বুঝেছি।’

এটা একটা ইনোভেটিভ আইডিয়া মন্তব্য করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক  বলেন, ‘এর মাধ্যমে বিষণ্ণতা থেকে মুক্ত থাকার একটি উপায় যদি এটি হয়, তাহলে কাউকে সেখান থেকে মুক্তি দেওয়া তো খুবই ভালো কথা।

 ডা. 

ডা. শ্বাশত চন্দন বলেন, ‘ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞা স্যার আমাদের ডেকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন। এছাড়া হাসপাতালের পরিচালক ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন স্যার আমাদের অভিবাদন জানিয়েছেন।’

তবে নানা মাধ্যমে নিউজে অনেক নেগেটিভ কমেন্টও পাচ্ছেন জানিয়ে ডা. শ্বাশত বলেন, ‘আমাদের স্যারসহ দেশের সব সিনিয়র চিকিৎসকই আমাদের সঙ্গে আছেন। তারা এটাকে পজিটিভলি নিয়েছেন, এটাই আনন্দ।’

শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 | eBarta24.com
Theme Customized BY LatestNews