1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
চুরি ঠেকাতে গ্যাস খাতে অটোমেশন   - ebarta24.com
  1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
চুরি ঠেকাতে গ্যাস খাতে অটোমেশন   - ebarta24.com
শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৩:২৩ অপরাহ্ন

চুরি ঠেকাতে গ্যাস খাতে অটোমেশন  

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৯ মে, ২০২২

গ্যাস খাত অটোমেশন করা হচ্ছে। অপচয় রোধ ও চুরি ঠেকাতে গ্যাস খাতকে অটোমেশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে পেট্রোবাংলা অটোমেশন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে জ্বালানি বিভাগে জমা দিয়েছে। জ্বালানি বিভাগের সম্মতি মিললে পরামর্শক নিয়োগ দিয়ে কাজ শুরু করা হবে।

পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা বলেন, গ্যাসের সিস্টেম লসের বেশিরভাগই চুরি। এই চুরি নানা প্রচেষ্টার পরও ঠেকানা যাচ্ছে না। আবার এসব নিয়ে কথা বললেও যাদের স্বার্থে আঘাত লাগে তারা নাখোশ হয়। তিনি বলেন, এমন অনেক প্রমাণ রয়েছে বিতরণ কোম্পানির কর্মীরা অবৈধ গ্যাসলাইন বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে মার খেয়ে এসেছে। আবার উল্টো দিকে এসব অবৈধ বাণিজ্যের সঙ্গে আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও জড়িত রয়েছে। কিন্তু পুরো বিষয়টি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যদি যন্ত্রের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আর চুরি করার সুযোগ থাকবে না।

জ্বালানি বিভাগ বলছে, এর আগে বিপিসিকে বলা হয়েছিল জ্বালানি তেলের বিষয়টি অটোমেশনের আওতায় আনতে। সেই লক্ষ্যে বিপিসি কাজ শুরু করেছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অটোমেশন ব্যবস্থা চালু করে ফেলেছে বিপিসি। কিন্তু গ্যাসের অটোমেশন সবার আগে দরকার ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

খনি থেকে গ্যাস তোলার পর তা গ্রিডে দেওয়া হয়। গ্রিড থেকে বিতরণ কোম্পানির লাইনে দেওয়া হয়। এখানে বিতরণ কোম্পানি আবার গ্রাহকের আঙ্গিনায় পৌঁছে দিয়ে বিল আদায় করে।

কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ন্যাশনাল গ্রিড থেকে গ্যাস নেওয়ার পর বিভিন্ন বিতরণ এলাকায় মিটার বসানো থাকে না। এতে করে বিলের আকার থেকে ওই এলাকার গ্যাসের ব্যবহার নির্ধারণ করা হয়। অটোমেশন হলে কোথায় কী পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে তা এক জায়গাতে বসেই দেখা যাবে। ফলে বৈধ গ্রাহক এবং তাদের গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ নির্ণয় করা হলেই গ্যাস চুরির বিষয়টি ধরা পড়বে। সেক্ষেত্রে অবৈধ গ্রাহক চিহ্নিত করাও সম্ভব হবে।

দ্বিতীয়ত গ্যাস উত্তোলন, ব্যবহার এবং বিল আদায়ের চিত্র কোম্পানির এক্সিকিটিভ সব সময় তার স্ক্রিনে দেখতে পাবেন। ফলে তিনি বুঝতে পারবেন কী পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে আর কী পরিমাণ বিল পাচ্ছেন। এতে করে ঘাটতির অবস্থাও বুঝতে পারবেন। এখনও ঢাকার আশে পাশের জেলাগুলোতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস অবৈধভাবে ব্যবহার হচ্ছে। তিতাস বলছে, তাদের সিস্টেম লস তিন থেকে পাঁচ ভাগের নিচে নামছে না।

পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে এখন দেশে চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। তবে এখন তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। তবে এরমধ্যে সিস্টেম লসের হিসেব করলে ৯০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সিস্টেম লসের কারণে চুরি হচ্ছে। এটিকে গ্যাস খাতের সব চাইতে বড় সংকট মনে করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ

ebarta24.com © All rights reserved. 2021