1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
কৃষিপণ্য রপ্তানিতে ১০ মাসে আয় ৯ হাজার কোটি  - ebarta24.com
  1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
কৃষিপণ্য রপ্তানিতে ১০ মাসে আয় ৯ হাজার কোটি  - ebarta24.com
শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৩:১৬ অপরাহ্ন

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে ১০ মাসে আয় ৯ হাজার কোটি 

বিশেষ প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২

গত অর্থবছরে (২০২০-২১) এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের মাইলফলক ছুঁয়েছিল কৃষিপণ্য। সে সময় বাংলাদেশ থেকে ১০২ কোটি ৮১ লাখ ডলারের কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়। এবার দশ মাসেই সেই মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে। অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে (জুলাই ২০২১ থেকে এপ্রিল ২০২২) কৃষিপণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১০৪ কোটি ১৪ লাখ ডলার। টাকার হিসাবে যা দাঁড়ায় ৯ হাজার কোটির বেশি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, এ রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসব পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৮২ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। আর এ দশ মাসের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯১ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

ইপিবি বলছে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষিপণ্য থেকে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১১০ কোটি ৯২ লাখ ডলার। এ ধারা অব্যাহত থাকলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবারো নতুন রেকর্ড গড়বে কৃষিপণ্য রপ্তানি।

ইপিবির তথ্য বলছে, প্রতি বছরের মতো এবারও কৃষিপণ্যের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের রপ্তানি আয়ের হিস্যাই বেশি। এ বছর দশ মাসে ২১ কোটি ৫৯ লাখ ডলারের খাবার গেছে বিদেশে। যদিও গত বছর একই সময়ে এসব পণ্যে রপ্তানি ছিল ২৪ কোটি ৪৩ লাখ ডলারের। তবে চলতি বছরের রপ্তানি গত বছরের থেকে কম হলেও অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি। গত বছর করোনার কারণে শুকনা খাবারের চাহিদা তুঙ্গে ছিল।

সার্বিকভাবে কৃষিপণ্য রপ্তানি অনেক বহুমুখী হয়েছে। আগে যেখানে ডিংকস এবং জুসের মতো মাত্র কয়েক ধরনের পণ্য যেত সেখানে এখন প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য হিসেবে ব্রেড-বিস্কুটসহ অন্যান্য কনফেকশনারির বড় বাজার ধরেছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি আরও প্রচুর নতুন নতুন খাদ্যপণ্যের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করছে। সেগুলোর বাজারও ভালো।

একই সময়ে রপ্তানি বেড়েছে সবজি, তামাক, ফুল, ফলসহ অন্যান্য পণ্যের। দশ মাসে সবজি রপ্তানি হয়েছে ৮ কোটি ৮২ লাখ ডলারের। এছাড়া ৯ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের তামাক, ৩ কোটি ২৭ লাখ ডলারের মসলা রপ্তানি হয়েছে।

বছরের শেষ অংশে এসে রপ্তানি দ্রুত বাড়ছে। করোনা পরবর্তী সময়ে চাহিদা বেড়েছে। পুরোনো ক্রেতারা বেশি বেশি অর্ডার করছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ১০ বছর আগেও কৃষিপণ্যের রপ্তানি আয় ছিল মাত্র ৪০ কোটি ডলার। পাঁচ বছর ধরে খাতটির রপ্তানি আয় দ্রুত বাড়ছে। অবশ্য করোনার কারণে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ খাতের রপ্তানি ৫ শতাংশ কমেছিল। ২০২০-২১ অর্থবছরে খাতটি ঘুরে দাঁড়ায়, রপ্তানি আয় ১৯ শতাংশ বাড়ে। যদিও পুরো বছরটিই করোনা মহামারির মধ্যেই কেটেছে। এ বছর প্রকোপ কমায় সেটা আরও গতি পেয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

রপ্তানিকারকরা বলছেন, কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের মধ্যে বেশি রপ্তানি হয় রুটি, বিস্কুট ও চানাচুর জাতীয় শুকনা খাবার, ভোজ্যতেল ও সমজাতীয় পণ্য, ফলের রস, বিভিন্ন ধরনের মসলা, পানীয় এবং জ্যাম-জেলির মতো বিভিন্ন সুগার কনফেকশনারি। এর বাইরে চা, শাকসবজি এবং ফলমূলও রপ্তানি হচ্ছে। অপ্রচলিত পণ্য হিসেবে পান-শুপারিসহ অন্যান্য পণ্যও যাচ্ছে।

কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে পাঁচ শতাধিক প্রতিষ্ঠান। তার মধ্যে বড় ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান আছে ২০টি। আর রপ্তানি করছে ১০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান।

এদিকে কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানিতে বর্তমানে ২০ শতাংশ নগদ সহায়তা দিচ্ছে সরকার। প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের পাশাপাশি দেশ থেকে শাকসবজি, আলু ও ফলমূল রপ্তানির সম্ভাবনাও অনেক। রপ্তানির বাধাগুলো দূর করতে গত বছর সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শাকসবজি, আলু, ফলমূল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে রোডম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটি শাকসবজি, ফলমূল রপ্তানির জন্য একটি ও আলু রপ্তানির জন্য একটিসহ মোট দুটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে। যা বাস্তবায়ন করে সরকার ২০২২-২৩ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানি আয় দুই বিলিয়ন ডলারে নিতে চায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ

ebarta24.com © All rights reserved. 2021