1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

সম্প্রতি চালু হওয়া ৫ রুটে লাভে আছে বিমান বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪

সম্প্রতি চালু হওয়া ৫টি রুটে লাভের মুখ দেখছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। যার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ঢাকা-টরন্টো রুট। আর গত মাসে চালু হওয়া ঢাকা-রোম ফ্লাইটের লাভ ক্ষতির হিসেব কষতে তিন মাস সময় নিতে চায় রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এই বিমান সংস্থা। ইন্টারলাইন চুক্তির মাধ্যমে এই রুট যুক্ত করবে ইতালির অন্য শহরসহ ফ্রংকফুট ও প্যারিসেকেও।

একসময় দেশের পতাকা নিয়ে বিশ্বের ২৯টি দেশে উড়তো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই রুট কমে ২৩টিতে গিয়ে ঠেকেছে ১৯৭২ সালে যাত্রা শুরু করা এই রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইন্সটির। যদিও এই সময়ে বিমানের বহরে যুক্ত হয়েছে অত্যাধুনিক বোয়িং সিরিজসহ ২১টি উড়োজাহাজ।

বিশ্বের ৭০টি দেশের সাথে বিমান চলাচলের চুক্তি থাকা এই এয়ারলাইন্স মনোযোগ দিয়েছে রুট সম্প্রসারণে। যেটি শুরু হয়েছিল ২০২২ এর জুলাইতে ঢাকা-টরন্টো রুট দিয়ে। এরপর এক এক করে বিমান দেশের পতাকা উড়িয়েছে গুয়াংঝু, নারিতা, চেন্নাই ও রোমে।

সদ্য চালু হওয়া রোম ছাড়া বাকি ৪টি রুটে ইতোমধ্যেই লাভের মুখ দেখেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এই সংস্থাটি। বিমানের মার্কেটিং বিভাগের তথ্য বলছে, এই ৫টি রুটের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ততম রুট ঢাকা-টরন্টো। সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট চালানো এই রুটে যাওয়া আসায় গড় যাত্রী থাকে ৯০ শতাংশ। যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই রুটে আরও একটি ফ্লাইট বাড়ানোর কথা ভাবছে বিমান।

বিমান বাংলাদেশে এয়ারলাইন্সের পরিচালক ( বিপণন ও বিক্রয়) মোহাম্মাদ সালাহউদ্দিন বলেন, ‘টরেন্টো বর্তমানে আমাদের ভালো রুট যেখানে যাওয়া আসাতে ৯০ শতাংশ লোক থাকে।’

ঢাকা-গুয়াংঝু রুটে যাওয়া আসায় গড় যাত্রী থাকে ৮১ শতাংশ। যাত্রী চলাচলের পাশাপাশি রুটে বাড়ছে কার্গো চাহিদা। ঢাকা-নারিতা রুটে শুরুর দিকে যাত্রী কম পাওয়া গেলেও সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে এই রুটের চাহিদা। সরাসরি হওয়ায় এই রুটে বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল ও ভারতের যাত্রী পাচ্ছে বিমান। একই সাথে জাপান এয়ারলাইন্সের সাথে ইন্টারলাইনের মাধ্যমে নারিতা হয়ে ভ্যানকুভার ও লস অ্যাঞ্জেলসকে যুক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে এই রুটেও যাওয়া আসা মিলে গড়ে মিলছে ৯০ শতাংশ যাত্রী।

গেল বছরের ডিসেম্বরে চালু হওয়া ঢাকা-চেন্নাই সরাসরি ফ্লাইটটিতে যাত্রী যাওয়া আসা করছে ৯৫ শতাংশ। যাত্রীদের প্রায় পুরোটাই স্বাস্থ্যসেবা প্রত্যাশী। আর চলতি বছরের মার্চে চালু হওয়া ঢাকা-রোম ফ্লাইটের লাভ ক্ষতির হিসাব কষতে তিন মাস সময় নিতে চায় বিমান। এই রুটকে জনপ্রিয় করতে আল ইটালিয়ার সাথে ইন্টারলাইন চুক্তি করেছে তারা। তাতে এই ফ্লাইটের সাথে যেমন যুক্ত করা যাবে মিলান, নেপলস, ভেনিস। সাথে ফ্রাংকফুট থেকে রোম হয়ে ঢাকা ও প্যারিস থেকে রোম হয়ে ঢাকাকেও যুক্ত করার কাজ চলছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ালাইন্সের এমডি শফিউল আজম বলছেন, বিমানের সেবার মান নিয়ে যাত্রীদের আগের ভাবনা আমূল বদলে দিতে চান তিনি। লাগেজ ও মালামাল প্রাপ্তির সময় কমাতেও চলছে জোর প্রচেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের আরো ভালো সার্ভিস দেয়া। যেন লাগেজ আমরা ভালোভাবে আনতে পারি দ্রুত সময়ে।’

তবে মুনাফার অংশ বাড়াতে পারে বিমানের বিজনেস ক্লাস। এমন পরামর্শ অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, সাশ্রয়ী দামের টিকিটে সেবার মান উন্নত হলে যাত্রীদের আগ্রহ বাড়বে।

অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞ উইং কমান্ডার ( অব.) এটিএম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এই খাতে এখনো এলিট গ্রুপকে ফোকাস দিচ্ছি না একটা নির্দিষ্ট গ্রুপকে ফোকাস দিচ্ছি। সবার উচিত এলিট গ্রুপকে ফোকাস করা। বিজনেস ক্লাসকে উন্নত করা আরও।’

সব ঠিক থাকলে চলতি বছর সিউল, বাহরাইন, কুনমিং ও ম্যানিলায় ডানা মেলতে চায় বিমান। যদিও প্রয়োজনীয় সংখ্যক উড়োজাহাজ ও পাইলট সংকট আছে সংস্থাটির।


সর্বশেষ - জাতীয় সংবাদ