1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

ভোক্তা অধিদপ্তরকে চ্যালেঞ্জ করে এবার তনির রিট

নিউজ এডিটর : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
সোমবার, ২৭ মে, ২০২৪

কোনো প্রকার নোটিশ না দিয়ে এবং শুনানি না করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর হয়রানি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের হুমকি দিয়েছে বলে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছেন ‘সানভীস বাই তনি’র স্বত্বাধিকারী রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।

একই সঙ্গে ভোক্তা অধিকারের নামে শুধু টাকা দেওয়ার রশিদ দিয়ে এবং কোনো প্রকার দালিলিক প্রমাণ না দিয়ে দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে, যা অবৈধ ও বেআইনি বলে প্রতিকার চাওয়া হয়েছে রিটে।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন করা হয়েছে বলে শনিবার (২৬ মে) রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ খালেকুজ্জামান অরুন নিশ্চিত করেছেন।

রিট পিটিশন থেকে জানা গেছে, গত ১৪ মে সানভীসকে দুটি অপরাধের দায়ে ৫০ হাজার ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। লুবনা ইয়াসমিন নামের এক নারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানী রায়। লুবনা ইয়াসমিন সানবিস থেকে একটি পোশাক কিনেছিলেন ৯ ফেব্রুয়ারি। এর ৫৩ দিন পর ৩ এপ্রিল ভোক্তা অধিদপ্তরে অভিযোগ করেন। পরে ১২ মে সানবিসের প্রধান শোরুমে অভিযান চালিয়ে সেটি সিলগালা করে দেন সহকারী পরিচালক জব্বার মণ্ডল।

রিটে বলা হয়, ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে হয় ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে। কিন্তু লুবনা ইয়াসমিন অভিযোগ করেছেন ৫৩ দিন পর। ফলে তিনি অভিযোগ আমলে নেওয়ার বৈধতা হারিয়েছেন। এই ৫৩ দিন তিনি ওই কাপড় ব্যবহার করে নষ্ট করেছেন কি না, সেটিও নিশ্চিত নয় কেউ। কিন্তু এমন অবৈধ অভিযোগ আমলে নিয়ে ৪৫ ধারা মতে সর্বোচ্চ শাস্তি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় সানবিসকে। এমন অবৈধ অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান আইনের প্রয়োগকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে মনে করছেন তনির পক্ষে রিটকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ খালেকুজ্জামান অরুন।

অন্যদিকে মিথ্যা বিজ্ঞাপনের অভিযোগে ৪৪ ধারায় সানবিসকে দ্বিতীয় জরিমানা (দুই লাখ টাকা) করেন ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মণ্ডল। দ্বিতীয় জরিমানার টাকা আদায়ের রশিদে অভিযোগকারী হিসেবে রাজু নামের এক ব্যক্তিকে দেখানো হয়েছে। কিন্তু রাজু নামে কোনো ব্যক্তি সানভীসের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি। এমনকি এই অভিযোগের বিষয়ে সানবিসকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি বা শুনানিও হয়নি।

লুবনা ইয়াসমিনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সানবিসের মালিক তনিকে তলব করেন ইন্দ্রানী রানি। তিনি ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তা। কিন্তু সেই তলবের শুনানিতে অযাচিতভাবে হাজির হন ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল এবং ভুয়া অভিযোগকারীর নামে নোটিশ বা শুনানি ছাড়াই বেআইনিভাবে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন।

আইনজীবী সৈয়দ খালেকুজ্জামান অরুন বলেন, দুটি জরিমানার ক্ষেত্রেই তনিকে কোনো আদেশের কপি দেওয়া হয়নি, যা রীতিমতো বেআইনি। শুধু জরিমানার টাকা গ্রহণের রশিদ দেওয়া হয়।


সর্বশেষ - জাতীয় সংবাদ