রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
পঁচাত্তরের খুনিদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ “ধর্ষিত” মামুনের স্ক্রিনশপ জালিয়াতি ফাঁস : ইলিয়াস সহ সুশীলদের কটাক্ষ জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ : বিশ্ব সভায় বাংলা ভাষার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্ব গার্ডিয়ানে প্রকাশিত শেখ হাসিনার নিবন্ধ: ‘আ থার্ড অফ মাই কান্ট্রি ওয়াজ জাস্ট আন্ডারওয়াটার। দ্য ওয়ার্ল্ড মাস্ট অ্যাক্ট অন ক্লাইমেট’ হেফাজতের কর্তৃত্ব যাচ্ছে দেওবন্দের কাফের ঘোষিত জামায়াতের কব্জায় ! অনলাইনে মিলছে টিসিবির পেঁয়াজ আজ টিউলিপ সিদ্দিকের জন্মদিন বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোন ফ্রন্টিয়ার, ইমার্জিং ও ডেভেলপড মার্কেট রিটার্নে সবার ওপরে বাংলাদেশ

মাদক কারবারে শৃঙ্খলা বাহিনীর ২৫০ জন

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন, ২০১৮

আবুল খায়ের: মাদকে জড়িত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা জড়িতদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছেন। নিচ্ছেন জড়িতদের অর্থ-বিত্তের খোঁজ-খবর। ইতোমধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালানির সঙ্গে জড়িত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ২৫০ সদস্যকে চিহ্নিত করা হয়েছে। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার গোপন তদন্তের ভিত্তিতে এ তালিকা করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এই ২৫০ সদস্যের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি আদেশ পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, মাদকসহ বিভিন্ন চোরাচালানে জড়িত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ২৫০ সদস্যের মধ্যে ৭৭ জনের নামের তালিকাসহ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জেলা পুলিশ সুপারদের (এসপি) কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এসপিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ২৫০ জনের মধ্যে ১৮১ জনের প্রদত্ত ঠিকানা এখনো পাওয়া যায়নি। তাদের খুঁজে বের করতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ২৫০ জনের মধ্যে ইতোমধ্যে দুই জন মারা গেছেন, ১১ জন জেলহাজতে আছেন এবং ৩ জন প্রবাসে রয়েছেন।

যেসব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাদক ব্যবসায় জড়িত

মাদক ব্যবসায় জড়িত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হলেন- সাতক্ষীরা জেলা দেবহাটা উপজেলার রাসন আলী, দিনাজপুর জেলার হাকিমপুরের মাসুদ রানা, বিরামপুরের মো. দুলাল, মো. মিজান, মো. শাহিল, নূরজামাল মণ্ডল, ওবলু মণ্ডল, লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধার বুলু মিয়া, ফায়জুর মিয়া, কালিগঞ্জের মল্লিক মিয়া, সুজন ইসলাম, লালমনিরহাট সদরের দুলাল মিয়া, মইন, শামিম, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ির ইনামুল, মায়দুল মিয়া, মোতালয় আলী, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আবদুল কালাম, আবু হামিদ, আবু রশিদ, অসিম মিয়া, বাবুল মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, ইব্রাহিম মিয়া, জাফর মিয়া, জুয়েল মিয়া, জয়াল মিয়া, কামাল মিয়া, মো. কাসিম, মো. শাহজালাল মিয়া, মো. শোহাজ মিয়া, মো. ইউসুফ আলী, শাহজাহান, সাইফুল মিয়া (বাবুচি গ্রাম), সাইফুল মিয়া (নোভাপুর গ্রাম), স্বপন মিয়া, শোবিব মিয়া, ফেনীর পরশুরামপাড়ার অজিত মিয়া, নূর আহমেদ, নূর মোহাম্মদ, পরশুরামের আজিজ মিয়া, ইউনিস মিয়া, ফুলগাজির হারুন মিয়া, জসিম মিয়া, রিপন মিয়া, সাহিল মিয়া, শরীফ মিয়া, কুড়িগ্রামের রৌমারির ফজলু, হাকিম, মনজু মিয়া, শিদুর, জামালপুর সদরের আজাদ ভাটিয়া, চৌডাঙ্গার মিঠুন।

সোনা চোরাচালানে জড়িতদের মধ্যে রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জের হাসান শেখ, হিমেল রহমান, জায়রুল শেখ, বাবু শেখ। এছাড়া বিভিন্ন চোরাচালানে জড়িতদের মধ্যে রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ইব্রাহিম শেখ, হাবিল, লালু শেখ, কুড়িগ্রামের মাদারগঞ্জের আইয়ুব আলী, রৌমারির ফরিদুল, ভূরুঙ্গামারির  কুলবার হোসেন, রহিম বাশা, রৌমারির মহিরুল, আনিজামাল, সবির শেখ, লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধার আনোয়ার মিয়া, সুদর্শন বর্মন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ির ফুল বাবু, হবিগঞ্জের মাধবপুরের লাওয়া মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয় নগরের নাসির মিয়া, সিলেটের গোয়াইনঘাটের বাবু পার্থ ও রনি পার্থ, ফেনীর পরশুরামপাড়ার রিপন মিয়া, কুড়িগ্রামের রৌমারির সালাম।

জানা গেছে, উল্লিখিত তালিকা সীমান্তবর্তী এলাকায় দায়িত্বে থাকা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নাম। শিগগিরই মাদকসহ বিভিন্ন চোরাচালানে জড়িত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সব সদস্যকে চিহ্নিত করতে একাধিক সংস্থা কাজ করছে। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যারা কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন কিংবা দেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তাদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে।


আরও সংবাদ