বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
গার্ডিয়ানে প্রকাশিত শেখ হাসিনার নিবন্ধ: ‘আ থার্ড অফ মাই কান্ট্রি ওয়াজ জাস্ট আন্ডারওয়াটার। দ্য ওয়ার্ল্ড মাস্ট অ্যাক্ট অন ক্লাইমেট’ হেফাজতের কর্তৃত্ব যাচ্ছে দেওবন্দের কাফের ঘোষিত জামায়াতের কব্জায় ! অনলাইনে মিলছে টিসিবির পেঁয়াজ আজ টিউলিপ সিদ্দিকের জন্মদিন বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোন ফ্রন্টিয়ার, ইমার্জিং ও ডেভেলপড মার্কেট রিটার্নে সবার ওপরে বাংলাদেশ মুজিববর্ষে প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা হাসি ফিরেছে পাট চাষিদের মুখে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বিশ্বসেরা : ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন

বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার বিপরীত স্রোতে বাংলাদেশ

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : সোমবার, ৮ জুন, ২০২০

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে মহামন্দার হুমকিতে বিশ্ব অর্থনীতি। বেশিরভাগ দেশই যখন প্রবৃদ্ধিতে বিশাল ধসের আশঙ্কা করছে, তখন অনেকটাই স্রোতের বিপরীতে বাংলাদেশ। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এদেশের প্রবৃদ্ধি হতে চলেছে অন্তত ৬ থেকে ৭ শতাংশ, যা হবে করোনা সংকটে বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত বৃহস্পতিবার কানাডীয় গণমাধ্যম বিএনএন ব্লুমবার্গকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুল মান্নান।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আগের পূর্বাভাসে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২ শতাংশ বলা হলেও মহামারির কারণে তা কিছুটা কমে গেছে। এর আগের বছর দেশের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ।

তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতে, ২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) হতে পারে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। কিন্তু এই হারেও বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের তুলনায় অগ্রগামী বাংলাদেশ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘পরিষ্কারভাবেই প্রবৃদ্ধি অনেক কম, লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অনেক কম। আমাদের অগ্রাধিকার বুঝতে হবে। স্বাস্থ্য এখন জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাতে আগের চেয়েও বেশি বিনিয়োগ দরকার।’

বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক বাংলাদেশ। দেশের অন্তত ৮০ শতাংশ রপ্তানি আয় আসে তৈরি পোশাক থেকে। আর বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প গত কয়েকমাস ধরে ব্যাপকহারে ক্রয়াদেশ বাতিল সংকটে পড়েছে।

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র তথ্যমতে, ইউরোপীয় ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা গত মার্চ থেকে প্রায় ৩২০ কোটি ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থগিত করেছে। মহামারি প্রতিরোধে দুই মাসের লকডাউনে অন্যান্য শিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এম এ মান্নান বলেন, ‘এই মুহূর্তে সবকিছু চালু করা প্রয়োজন। করোনাভাইরাস আমাদের মারাত্মক ক্ষতি করেছে। এটা একটা তেতো ওষুধের মতো।’

আগামী ১১ জুন বাংলাদেশের জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের কথা রয়েছে। এতে অর্থনীতির অন্যান্য খাতগুলোকে সহায়তা দেয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আগামী বাজেটে ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। কারণ স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে আরও বেশি অর্থ দরকার।’


আরও সংবাদ