শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০, ১০:০২ অপরাহ্ন

রেড জোনে টহল জোরদার করছে সেনাবাহিনী

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০

ব্যাংক লেনদেন ২টা পর্যন্ত, রেড জোনে শাখা বন্ধ

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের মাত্রা অনুসারে সরকার ঘোষিত রেড জোনগুলোতে টহল জোরদার করছে সেনাবাহিনী।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেড জোনগুলোতে সরকারি নির্দেশাবলি যথাযথভাবে পালনের উদ্দেশে সেনাটহল জোরদার করা হচ্ছে।

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ঢাকাসহ সারাদেশকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করে এ বিষয়ে কর্মপন্থা গ্রহণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

সোমবার (১৫ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা নির্দেশনায় রেড ও ইয়েলো জোনে সাধারণ ছুটি থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ১৬ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অফিস, গণপরিবহনসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কীভাবে পরিচালিত হবে এবং কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে সেই বিষয়ে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, লাল ও হলুদ অঞ্চলে অবস্থিত সামরিক ও অসামরিক সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি দফতরসমূহ এবং লাল ও হলুদ অঞ্চলে বসবাসকারী বর্ণিত দফতরের কর্মকর্তারা সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ইতোমধ্যে করোনা প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটি ঢাকায় ৪৫টি এলাকাকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে তা লকডাউনের সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৮টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৭টি এলাকা রয়েছে। রয়েছে চট্টগ্রামের দশটি এলাকা।

এদিকে করোনা মোকাবিলায় রাতে চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১৬ জুন) থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞাকালে রাত ৮টার পর বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না।

এছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ১৬ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট, শপিংমলগুলো চালু থাকবে। তবে তা অবশ্যই বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। সোমবার (১৫ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মার্চ মাসের শুরুতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী প্রথম ধরা পড়ে। পরিস্থিতি ক্রম অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে।

সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী গত ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ছিল। ৬৬ দিনের ছুটি শেষে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দেয়া হয়, চালু করা হয় গণপরিবহন।


আরও সংবাদ