শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ

বাবুনগরীর ‘দখলকৃত’ হেফাজতকে অবৈধ আখ্যা দিলেন মধুপুরী পীর

সুভাষ হিকমত
আপডেট : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১

হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী নেতৃত্বে গঠিত আহ্বায়ক কমিটি বৈধ নয় বলে মন্তব্য করেছেন মুন্সিগঞ্জের জামি’আ ইসলামিয়া হালীমিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম ও মধুপুরের পীর মাওলানা আবদুল হামিদ। তিনি হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির নায়েবে আমির পদে ছিলেন। এর আগে মাওলানা আবদুল হামিদ গত ২৮ মে একটি ঘোষণাপত্রে বলেন, হেফাজতের প্রয়াত আমির আহমদ শফীর নীতি আদর্শে অবিচল আছি এবং আজীবন থাকব। সোমবার (৩১ মে) গণমাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন মাওলানা আবদুল হামিদ।

 

ঘোষণাপত্রে তিনি বলেন, আমি মাওলানা আবদুল হামিদ (পীর সাহেব, মধুপুর) শাইখুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফীর নীতি ও আদর্শের ওপর অবিচল আছি এবং আজীবন থাকব ইনশাআল্লাহ। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি, হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই এবং নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির প্রতিও আমার কোনো সমর্থন নেই। এই কমিটিকে আমি বৈধ মনে করি না। মাওলানা আবদুল হামিদ বলেন, আমি হেফাজতে ইসলামের মোদি বিরোধী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জের মধুপুরে অপ্রত্যাশিত ঘটনাবলীর জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। বিশেষ করে আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন মেজর জেনারেল আবুল কালাম হুমায়ুনের আম্মার আহত হওয়ার খবর শুনে অত্যন্ত দুঃখিত ও ব্যথিত হয়েছি। বিশেষ করে মেজর জেনারেল সাহেবের বাড়িঘরসহ অন্যান্যদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, মধুপুরের পীর মাওলানা আব্দুল হামিদ বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা। এর আগে ২০১৮ সালের ২২ নভেম্বর আরেক রাজনৈতিক দল ইসলামী ঐক্যজোট ছাড়েন তিনি। নির্বাচনে আসন বণ্টনকে কেন্দ্র করে ইসলামী ঐক্যজোট নেতাদের সঙ্গে বিরোধ হয় তার। তিনি মুন্সীগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী ছিলেন। তবে ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী আসন বণ্টনের তালিকা থেকে বাদ পড়েন তিনি। ফলে, ক্ষুব্ধ হয়ে দল ত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।


এ বিভাগের আরও সংবাদ