1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ মাসে ২৪৬ বন্দুক হামলা - ebarta24.com
  1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. repo[email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ মাসে ২৪৬ বন্দুক হামলা - ebarta24.com
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০২:৫২ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ মাসে ২৪৬ বন্দুক হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতা কমছেই না। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চাইছেন দেশটিতে অবাধ বন্দুক কেনাবেচার লাগাম টেনে ধরতে। তিনি বেশ কয়েকটি নতুন আইনের প্রস্তাব করেছেন, একই সঙ্গে বন্দুক নির্মাতাদের সুরক্ষা আইনের অপসারণেরও আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন (এনআরএ) বলছে, প্রেসিডেন্টের প্রস্তাব প্রকৃত সমাধান নয়।

এদিকে এনপিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের প্রথম ২২ সপ্তাহের মধ্যে ২৪৬টি নির্বিচারে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহে গড়ে ১১টি গুলির ঘটনা ঘটেছে। জুনের প্রথম সপ্তাহেই নির্বিচারে গুলির ঘটনা ঘটেছে ১১টি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু শনি ও রোববারেই বন্দুক সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্রে নিহত হয়েছেন ৯ জন।

এ বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে টেক্সাসের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ বন্দুকধারী গ্রেড-৪-এর ক্লাস লক্ষ্য করে হামলা চালালে ১৯ শিশুসহ ২১ জন নিহত হয়। সেই হামলায় আহত হয় আরও ১৭ জন। বন্দুকধারী সালভাদর রামোসও পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

স্কুলে এই নির্বিচার গুলির ঘটনার ঠিক ১০ দিন আগেই নিউ ইয়র্কের একটি সুপার মার্কেটে এক শ্বেতাঙ্গ যুবকের বন্দুক হামলায় ১০ জন নিহত হন। হতাহতের অধিকাংশই কৃষ্ণাঙ্গ। বর্ণবিদ্বেষের কারণে বন্দুকধারী এই হামলা চালান। সে সময় সামরিক পোশাক পরিহিত অবস্থায় ১৮ বছর বয়সী এক শ্বেতাঙ্গ যুবককে স্বয়ংক্রিয় রাইফেলসহ আটক করা হয়।

এদিকে গত সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার তুলসার একটি হাসপাতালে বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, হামলাকারীও নিজের গুলিতেই মারা গেছেন।

গত বছর ২০২১ সালে নির্বিচারে বন্দুক হামলার ঘটনা ছিল ৬৯২টি। ২০২০-এ ঘটেছে ৬১০টি এবং ২০১৯ সালে গুলির ঘটনা ঘটেছে ৪১৭টি।

যুক্তরাষ্ট্রে চলমান বন্দুক হামলার কারণে দেশটির ওহাইও রাজ্য নতুন করে একটি আইন প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে স্কুলের শিক্ষক ও অন্য কর্মীরা ২৪ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ শেষ করার পর স্কুলে বন্দুক রাখতে পারবে।

রাজ্যের শিক্ষক ইউনিয়ন ও প্রধান পুলিশ কর্মকর্তাসহ এই আইনের বিরোধীরা বলছেন যে এটি শুধু শিশুদের জন্য স্কুলগুলোকে আরও বিপজ্জনক করবে।

বিলটি এই সপ্তাহে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত ওহাইও সাধারণ পরিষদে পাস হয়েছে। ওহাইওর গভর্নর মাইক ডিওয়াইন এই আইনে স্বাক্ষর করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ কোটি নাগরিকের হাতে ৩৯ কোটি বন্দুক আছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে একটি প্রতিবেদনও ছেপেছে সিডিসি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণ আমেরিকানদের মৃত্যুর প্রধান কারণ সড়ক দুর্ঘটনা। তার পরেই আছে বন্দুক হামলায় মৃত্যু। সময়ের সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু কমলেও আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর নিয়ন্ত্রণের অভাবে বন্দুকের ব্যবহার বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশটিতে বন্দুক-সহিংসতা রোধে আইন পাস করার জন্য আইনপ্রণেতাদের আহ্বান জানিয়েছেন।

স্কুলে বন্দুকধারীদের গুলিতে ১৯ শিশু নিহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর জাতীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এক আবেগঘন বক্তৃতায় তিনি এই আহ্বান জানান।

বন্দুক ইস্যুতে বাইডেন বেশ কয়েকটি আইনের প্রস্তাব করেছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে হামলায় ব্যবহার হতে পারে এমন অস্ত্রের ওপর নিষেধাজ্ঞা। আর বন্দুক নির্মাতাদের সুরক্ষা আইন অপসারণেরও আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিনে সীমা আরোপ করার বিষয়েও মত দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

তিনি বক্তৃতায় বলেন, যে শিশুদের আমরা হারিয়েছি তাদের জন্য। যে শিশুদের আমরা বাঁচাতে পারি তাদের জন্য। যে দেশকে আমরা ভালোবাসি তার জন্য। চলুন সময়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। এখনই সময় পদক্ষেপ নেয়ার।

প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য এমন সময় এলো, যখন ধারাবাহিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটছে।

বাইডেন তার বক্তৃতায় বলছেন, যথেষ্ট হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র হত্যাক্ষেত্র হয়ে গেছে।

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন (এনআরএ) বলছে, প্রেসিডেন্টের প্রস্তাব প্রকৃত সমাধান নয়।

এনআরএ একটি শক্তিশালী লবিস্ট গ্রুপ, যারা কিছু রাজনীতিবিদকে আর্থিক সমর্থন দিয়ে থাকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
ebarta24.com © All rights reserved. 2021