1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আওয়ামী লীগের ৭৩ : প্রাণধর্মে তারুণ্য অটুট থাকুক - ebarta24.com
  1. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আওয়ামী লীগের ৭৩ : প্রাণধর্মে তারুণ্য অটুট থাকুক - ebarta24.com
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০১:৩৭ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগের ৭৩ : প্রাণধর্মে তারুণ্য অটুট থাকুক

অধ্যাপক ড. আহমেদ আমিনুল ইসলাম
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২

বয়সের হিসেবে ২৩ জুন ৭৩তম জন্মদিনে পা রাখবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুও এখন ৭৩-এর কাছাকাছি। ৭৩ বছর বয়স মানেই প্রবীণত্বের স্মারক। আবার এও ঠিক যে, বয়সটা আসলে কিছু গাণিতিক সংখ্যা মাত্র- প্রাণধর্মটাই আসল। সে হিসেবে আমরা নিজেদেরকে যেমন সর্বদা তরুণ ভেবে আনন্দ পাই তেমনি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগও প্রাণধর্মে তরুণ থাকুক। ৭৩ বছরের অভিজ্ঞতায় সংগঠনটি হয়ে উঠেছে নিদির্ষ্ট লক্ষ্যপূরণে উদ্যমী, তেজোদীপ্ত, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন, স্বপ্নবাদী এবং কর্মঠ। আমরা যে প্রাণধর্মের কথা অনুভব করি সেটা আসলে সময়োপযোগিতা।

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে সময়োপযোগী মানসিকতাকে ধারণ করেই সুসংহত সংগঠনে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ যুগধর্মকেই প্রাণধর্মরূপে আওয়ামী লীগ গ্রহণ করেছে, মেনে নিয়েছে। আর এই মেনে নেওয়ার মধ্য দিয়েই ৭৩ পেরিয়েও আজ তার মধ্যে তারুণ্যের দীপ্তি, কর্মের চাঞ্চল্য, বড় বড় স্বপ্নের অভিলাষ! আওয়ামী লীগ চ্যালেঞ্জ গ্রহনে ইচ্ছুক এবং তা বাস্তবায়নে সক্ষম। দলটি যুগ ধর্মকে নিজের প্রাণধর্ম হিসেবে গ্রহণ করেছে বলেই ‘ডিজিটাল’ শব্দটিকে ‘তথ্যপ্রাযুক্তিক পরিভাষা’র বদলে গ্রহণ করেছে ‘দার্শনিক অভিপ্রায়’ হিসেবেও। তাই নব্যকালের প্রাযুক্তিক চেতনানির্ভর তরুণদের নিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অভিযাত্রা হয়ে ওঠে অদম্য প্রতিটি জন্মবর্ষে নব নব প্রেরণায় হয় ধাবমান।

কোনো যুগকে ভালোভাবে উপলব্ধি করা, যুগের ভেতরকার মানসিকতাকে মর্মের দ্বারা উপলব্ধি করা সকল সংগঠনের পক্ষে সহজ নয়। এই যুগধর্ম ও প্রাণধর্মের আকাক্ষাকে উপলব্ধির ব্যর্থতার কারণেই উপমহাদেশের অনেক রাজনৈতিক সংগঠনের বিলুপ্তি ঘটেছে কিংবা কোনো কোনোটি নাম-সর্বরূপে ইতিহাসের অংশ হয়ে টিকে আছে মাত্র! যার পক্ষে যুগধর্ম আয়ত্ত্ব সম্ভব সেই পারে নিদির্ষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে, পারে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে। ৭৩ বছরের ইতিহাসের আলোকে আওয়ামী লীগের অভীষ্ট সম্পর্কে আমরা নিঃসন্দিগ্ধ হতে চাই – হতে পারিও।

২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম জন্মদিন। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে। দুইদিন পরেই জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় স্বপ্নপূরণের দিন – অর্থাৎ পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনন্য দ্যোতনায় উঠুক সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীর অন্তরে। পদ্মা সেতু নির্মাণের পশ্চাতে সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সততা, জেদ, প্রজ্ঞা ও আত্মমর্যাদার স্ফূরণ ঘটুক সকল নেতাকর্মীর অন্তরে। প্রতিটি নেতাকর্মীর মধ্যে বঙ্গবন্ধুর মতো, জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো মানুষের কল্যাণচিন্তা ও সামাজিক শুভ বোধ প্রবল ও গভীরতর হোক।

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশির প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। তার প্রায় দু’শো বছর পরে ঠিক সেই দিনটিতে অর্থাৎ ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন গড়ে ওঠে একটি রাজনৈতিক সংগঠন ‘পূর্ব- পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’। উদ্দেশ্য পলাশির প্রান্তরে হারানো স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশেমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ঐদিন ঢাকার টিকাটুলির কেএম দাস লেনে অবস্থিত রোজ গার্ডেন প্যালেসে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালে দলটির সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামসুল হক। পরবর্তীকালে অসাম্পধদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতা চর্চা এবং প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৫৫ সালে মওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগে সংগঠন থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে নতুন নাম করা হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’। আমরা যে যুগধর্ম ও প্রাণধর্মের কথা শুরুতে বলেছিলাম তা ছিল আওয়ামী লীগের ইতিহাস ও ঐতিহ্যেরই অংশ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত তার ধারাবাহিক চর্চা অব্যাহত আছে দেখেও মানুষ আশ্বস্ত হয়। সাধারণ মানুষের এই আশা ও ভরসার ওপরেই আওয়ামী লীগের অতীতে দীর্ঘ ইতিহাস আর ভবিষ্যতে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্টের পানে এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ়তা। আওয়ামী লীগও এগিয়ে যাচ্ছে এদেশের মানুষের স্বপ্ন, উন্নতি ও অর্থনৈতিক মুক্তির অভিলাষকে সঙ্গী করে।

আওয়ামী লীগ গঠনের পশ্চাতে মুসলিম লীগের দায়িত্বহীনতা ও জবাবদিহিতার অভাব দায়ী ছিল। দায়ী ছিল মুসলিম লীগের একনায়কোচিত মনোভাবও। ১৯৪৯ সালে টাঙ্গাইল উপনির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয়ও আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় জেলখানায়। নতুন দল গঠনে তিনিও তাঁর মতামত জানিয়ে বলে দিয়েছিলেন : ‘আর মুসলিম লীগের পিছনে ঘুরে লাভ নাই, এ প্রতিষ্ঠান এখন গণবিচ্ছিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এরা আমাদের মুসলিম লীগে নিতে চাইলেও যাওয়া উচিৎ হবে না। কারণ এরা কোটারি করে ফেলেছে। একে আর জনগণের প্রতিষ্ঠান বলা চলে না। এদের কোনো কর্মপন্থাও নাই।’

এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্র রাজনীতির পরিবর্তে মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হতে চান মর্মে বার্তা পাঠালে নবগঠিত ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগে’ তাঁকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয় এবং তাঁর নামের পাশে ‘নিরাপত্তা বন্দি’ শব্দটি লেখা থাকে।

এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে লেখেন : ‘আমি মনে করেছিলাম, পাকিস্তান হয়ে গেছে সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের দরকার নাই। একটা অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হবে, যার একটা সুষ্ঠু ম্যানিফেস্টো থাকবে। ভাবলাম, সময় এখনও আসে নাই, তাই যারা বাইরে আছেন তারা চিন্তাভাবনা করেই করেছেন।’ তাঁর এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট উপলব্ধি করা যায় তিনি সম্মেলন স্থলে উপস্থিত থাকলে সংগঠনের অসাম্প্রদায়িক নামকরণের বিষয়টি উত্থাপন করতেন। যাই হোক, আমরা ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ১৯৫৫ সালে এসে শেখ মুজিবের সেই অসাম্পধদায়িক চেতনারই বিজয় লক্ষ করি। এ বছরের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠান থেকে আওয়ামী লীগকে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক সংগঠনে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত অর্থাৎ যুগধর্ম ও প্রাণধর্মের সাঙ্গীকরণ ছিল বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অনন ̈ অগ্রগতি। ‘রূপমহল’ সিনেমা হলে সম্মেলনের সমাপ্তি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এখানে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে কমিটি গঠিত হয়। এরপর বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের ইতিহাস এক ও অভিন্ন স্রোতধারায় মিশে যায়।

১৯৬৬ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৬৬, ১৯৭০ এবং ১৯৭২ সালের কমিটিতে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।
সমগ্র রাজনৈতিক জীবনের সাধনায় অসাম্প্রদায়িক চেতনানির্ভর এবং সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে একটি অগ্রগামী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগকে বঙ্গবন্ধু নিয়ে গিয়েছেন একেবারে খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষের কাছে, নিয়ে গেছেন কৃষক , শ্রমিক, কুলি, মজুর ছাত্র, জনতা ও নিরন্ন মানুষের কাছে। তাদের মনের ভেতর তাদেরই দুর্ভাগ্য থেকে মুক্তি লাভের স্বপ্নবীজ বপন করেছেন। তাদের চোখে আঙুল দিয়ে, বুকে বল দিয়ে, মাথায় চেতনার স্ফূরণ ঘটিয়ে জাগিয়ে তুলেছেন। মেহনতি মানুষের এই জাগরণ থেকেই বাঙালির সৌভাগ্যের সূর্য উদিত হয়। আত্মমর্যাদা সম্পন্ন একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে বাঙালি তার আত্মপরিচয় পুর্নব্যক্ত করে তোলে অপার গৌরবে। বাঙালির এই জাগরণের পশ্চাতে আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের সরব অস্তিত্ব বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাস পরম গৌরবে অনুভব করে।

আওয়ামীলীগের অগ্রযাত্রা ও সাফল্য ম্লান করার চেষ্টা আমরাও কম দেখিনি।১৯৭৫সালে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর মতো আওয়ামী লীগকেও ইতিহাস থেকে নিশ্চিহ্ন করবার সশস্ত্র প্রচেষ্টা দেখেছি। কিন্তু এই সংগঠনের মধ্যেই বাঙালি তার প্রাণধর্ম অনুভব করে বলে জাতীয় যুগচেতনা ও যুগধর্মকে সঙ্গী করে আওয়ামী লীগের নৌকায় নির্ভয়-নির্দ্ধিধায় উঠতে পারে। তাই ষড়যন্ত্রকারীদের মুখে ছাই দিয়ে ব্যাপক মানুষকে সঙ্গী করে আওয়ামী লীগ এগিয়ে চলেছে, তার এই এগিয়ে চলার পশ্চাতে মানব সভ্যতার ইতিহাসকে ̧গুণতে হয় ৭৩টি বছর! আওয়ামী লীগকে আবার সচেতনও থাকতে হবে- সচেতন থাকতে হবে এজন্য যে, উপমহাদেশের অনন্য শক্তিশালী রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের দিকে তাকিয়েও। কংগ্রেসের বিপন্ন দশা দেখে আওয়ামী লীগের মধ্যে সর্বদাই তারুণ্য অটুট রাখতে হবে।

বর্তমানে আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দীর্ঘতম সময়ের সভাপতি। তিনি ১৯৮১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ৪১ বছর যাবৎ দলটির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। চারবারের মধ্যে বর্তমানে টানা তৃতীয় মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী তিনি। তার লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে ‘উন্নত ও সমৃদ্ধ’ রাষ্ট্রে পরিণত করা। শততমবর্ষ অর্থাৎ ২০৪৯ সালের আগেই- ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা, এগিয়ে চলেছে আওয়ামী লীগ। আমরা বিগত প্রায় ১৪ বছরে দেশের নানা ক্ষেত্রে বিচিত্র উন্নয়নের সম্ভাবনা দেখছি।শুধু সম্ভাবনাই নয় কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমাদের সাফল্য প্রায় চূড়ান্তেও উন্নীত হয়েছে। এসব সম্ভব হয়েছে জননেত্রীর স্বপ্ন ও কর্মযজ্ঞের দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পদক্ষেপের কল্যাণে।

আবারো রবীন্দনাথের প্রসঙ্গে আমাদের মনে হয় যেন শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করেই তিনি ‘আকাশপ্রদীপ’ কবিতার শুরু করেছিলেন এইভাবে : ‘অন্ধকারের সিন্ধুতীরের একলাটি ওই মেয়ে/ আলোর নৌকা ভাসিয়ে দিল আকাশপানে চেয়ে।’ বলাবাহুল্য, জননেত্রী শেখ হাসিনার ‘উন্নত ও সমৃদ্ধ’ রাষ্ট্রে স্বপ্ন অভিলাষ সমসাময়িক মানসচেতনাকে ঘিরেই আবর্তিত। আমরা মনে করি ‘উন্নত ও সমৃদ্ধ’ রাষ্ট্রের স্বাপ্নিক অভিযাত্রায় পদ্মা সেতু যেন পারাপারের অভীষ্টে পৌঁছানোর প্রতীকী সেতুও বটে!
শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের অন্তর্গত প্রেরণায় যুগধর্ম ও প্রাণধর্মে তারুণ্যের মনন সক্রিয় ও সজীব আছে বলেই দলটি আজ ঐতিহ্যবাহী সংগঠনে পরিণত। সংগঠনটির অতীত যেমন দীর্ঘ ভবিষ্যৎ ও তেমনি সুদূর প্রসারিত।

তরুণ প্রজন্মকে বড় বড় স্বপ্ন দেখিয়ে উজ্জীবিত রাখার জন্য জননেত্রীর জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা ও নিরন্তর শুভ কামনা। জয় হোক আওয়ামী লীগের। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখক: ড. আহমেদ আমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
ebarta24.com © All rights reserved. 2021