1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

যে কারণে বিএনপি-জামায়াতের ক্ষমতায় আসার অধিকার নেই

নিউজ এডিটর : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪

গণতন্ত্র মূর্খদের ধারণা ইংল্যান্ড/আম্রিকা/ইঙ্গো/মার্কিন হইলো গণতন্ত্রের মক্কা। এরা মনে করে, গণতন্ত্র মানেই জনগণের ইচ্ছা/অনিচ্ছায় সরকার উঠে/বসে/চলে/ঢলে/নড়ে/চড়ে। বাস্তবতা হলো, ইংল্যান্ডের জনগণ লন্ডনের রাস্তা দখল করেও ইরাক আগ্রাসন ঠেকাতে পারেনি। ওয়ালস্ট্রিট দখল করেও মার্কিন জনগন আম্রিকার সরকারের মিডিল ইস্টকে নরক বানানো বন্ধ করতে পারেনি। ফ্রান্স নাকি বিশ্ব সভ্যাতা, শিল্প, সাহিত্যের তীর্থভূমি। অথচ এই ফ্রান্সের মিসাইলের কারণেই আজ লিবিয়ার মত উন্নত রাষ্ট্রটি লাশের স্তূপে পরিণত। গণতন্ত্রের আরেক বলির পাঠা হলো ইউক্রেন। তথা কথিত গণতন্ত্রের বলির পাঠা হয়েছে ইউকে। কালেক্টিভ ম্যাডনেসের উপর ভিত্তি করে একদল ব্রেক্সিট ঘটিয়ে ইংল্যান্ডের চৌদ্দটা বাজিয়ে ছেড়েছে। গত ৮ বছরে ইংল্যান্ডের পাঁচজন প্রধানমন্ত্রী (ক্যামেরুন, থেরেসা মে, বরিস জনসন, লিজ ট্রস, ঋষি সুনাক) বিদায় নিয়েছে, কেউই মেয়াদ শেষ করতে পারেনি এবং অর্থনীতি তলানিতে যাবার উপক্রম।

বঙ্গবন্ধু কোন নীতিতে রাজনীতি করতেন, রাষ্ট্র পরিচালনা করতেন? তিনি না পুঁজিবাদ, না সমাজতান্ত্রিক, না সাম্প্রদায়িক, না উগ্রজাতীয়তাবাদী। বঙ্গবন্ধুর নীতি ছিল বাকশাল, যেখানে ধর্ম নিরপেক্ষতা যেমন ছিল তেমনি ছিল সমাজতন্ত্র, যে সমাজতন্ত্রের আবার নিজস্ব ব্যাখ্যা ছিল, যে বাকশালে ছিল তৃণমূলের গণতন্ত্র। যেখানে নির্বাচনের সকল খরচ রাষ্ট্রের বহন করার বিধান ছিল। যে বাকশালে কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের মুক্তির কথা বলা ছিল, যেখানে বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থার কথা বলা ছিল। শেখ হাসিনার প্রচলিত গণতন্ত্রের বাইরে যেয়ে বাংলাদেশকে টেনে তোলার চেষ্টা যখন প্রায় সফল তখনই একদল লুটেরা সরকারের বিনিয়োগবান্ধব উদারনৈতিক অর্থনৈতিক নীতির সুযোগের অপব্যবহার করে লুটপাটে লিপ্ত। এই নব্য ডাকাতের দল অভিনব সব পন্থায় ব্যাংক ডাকাতি যেমন করছে তেমনি সিন্ডিকেট করে বাজার দখল করে নৈরাজ্য করেছে। আরেকদল মাফিয়া, গডফাদার, অলিগার্ক হয়ে উঠতে মরিয়া।

ইয়াবা বদি, ক্যাসিনো সম্রাট, পাপিয়া, শাহেদ, স্বাস্থ্য খাতের মিঠু, বেয়াই গ্রুপ, মধুমতি ব্যাংকের মালিক, অর্ধশত এমপি, মেয়র, কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান, ডজন খানের মন্ত্রী, আমলা, ছোট নেতা, বড় নেতা, পাতি নেতা, এই তালিকা অনেক অনেক লম্বা। ড. আকবর আলী খানের ভাষায়- এরা হলো সেই শুয়োরের বাচ্চাদের অর্থনীতি। এরাই মূলত শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে বিসর্জনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ৭২ থেকে ৭৪ এর লুটপাট সমিতি থেকে বর্তমানের লুটপাট সমিতির শ্রেণিচরিত্র ভিন্ন, এরা এখন শেয়ারবাজার লুট করে, এরা আমদানি রপ্তানির মাধ্যমে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার পাচার করে, এরা আস্তো ব্যাংক ডাকাতি করে, বাৎসরিক এই ডাকাতির পরিমাণ ৯০ হাজার কোটি টাকার উপরে। এটি সত্য যে তথা কথিত গণতন্ত্রের নামে বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায়ন থেকে দূরে রাখা এই রাষ্ট্র, এই জনপদের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল। কিন্তু সেটি করতে যেয়ে আওয়ামী লীগ কি শেষ পর্যন্ত শিকার করতে গিয়ে নিজেই শিকারে পরিণত হতে চলেছে?

(মুনশি জাকির হোসেন এর ফেসবুক টাইমলাইন থেকে থেকে) 


সর্বশেষ - জাতীয় সংবাদ