1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

জিয়া এদেশকে ‘ডিফিকাল্ট’ বানিয়ে গিয়েছিলেন

নিউজ এডিটর : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০২৪

নেহেরুর পর টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে সরকার গঠনে মিত্রদের সমর্থন নিতে হতে পারে মোদিকে। ৫৪৩ আসনের মধ্যে ২৭২ আসন দরকার সরকার গঠনের জন্য। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত যে ধরনের তথ্য পাওয়া গেলো এতে অনুমাননির্ভর করেই লিখতে হচ্ছে। রাজনৈতিক গবেষণা ও ভোট গণনার ফল অনুযায়ী ভারতে নরেন্দ্র মোদিই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। রাজনীতিতে সততা, জবাবদিহি ও দক্ষতা জরুরি। গণতন্ত্রে জনগণই সকল শক্তির মূল উৎস এটা স্বীকার করতে হবে। এবারের নির্বাচনে ৪০০ আসন জেতার স্বপ্ন দেখেছিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ। ভোট গণনায় (মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এই নির্বাচনে এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতেই হিমশিম খাচ্ছে বিজেপি। এককভাবে ২৩৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে দলটি। যেখানে ২৭২টি আসন হলে সরকার গঠন সম্ভব। ফলে সরকার গঠনের জন্য এবার মোদিকে এনডিএ-র দুই মিত্র নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু ও নীতীশ কুমারের ওপর নির্ভর করতে হবে। এমন তথ্য ওঠে এসেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারে। ২০১৪ ও ২০১৯-এর মতো এবার আর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা সম্ভবত পাচ্ছে না বিজেপি।

ভারত হোক আর বাংলাদেশ হোক জনগণের রায়কে মাথা পেতে নেওয়া ছাড়া বিকল্প কিছু করার পথ নেই। দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনীতি নিয়ে পর্যালোচনায় বসলে এটাই প্রমাণিত হয় রাজনীতিতে শেষ কথা নেই। রাজনীতি এমন একটি বিষয় যা ইচ্ছে করলে জনগণের স্বার্থে ব্যবহৃত হয়, আবার চাইলে ব্যক্তিস্বার্থেও। বিভিন্নভাবে ও বিভিন্ন কাজে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বাংলাদেশে অতীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেই অনেকে শাসক কু-কাজেও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। একসময় এদেশে জনগণের স্বার্থ তো দেখা হতোই না। কারণ রাষ্ট্রক্ষমতায় বসার আগে ও পরে জনগণের কোনো প্রয়োজন ছিল না। ভোট চাইতে হতো না জনগণের কাছে। বস্তুপক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দুঃশাসনে নিমজ্জিত অপশক্তিগুলোর একমাত্র কাজ ছিল হত্যার পর হত্যা করা আর ‘গদি’ ধরে রাখা। আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তো মানুষের কথা ভেবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। রাজনৈতিক আদর্শ ও কর্মসূচিকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রতিটি ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থটা দেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি কাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন? তাঁর বিষয়গুলোকে গভীরভাবে বিবেচনা করতে গেলে মনে রাখতে হবে শেখ হাসিনার দূরদর্শী চিন্তার কথা। তিনি জানেন, রাজনীতি কেবল মাঠে-ময়দানে বক্তৃতা বা রাজপথে মিছিল না।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশেষভাবে যেসব বিষয় পরিলক্ষিত হয় তাহলো রাজনীতিকে ‘ডিফিকাল্ট’ করা। তিনি স্বল্প সময় রাষ্ট্র পরিচালনা করে এদেশকে ‘ডিফিকাল্ট’ বানিয়ে গিয়েছিলেন। দেশটিকে এমন নোংরা রাজনীতি উপহার দিয়ে গেছেন, শিখিয়ে গেছেন যা রাজনীতি সংশ্লিষ্ট মানুষকে ‘চরিত্রহীন’ বানিয়েছে। প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে নিঃস্ব করে দিয়ে গেছেন বলেই আজ রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন ঠেকানো সবচেয়ে কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই সময়ে তিনি দেশের মাটি, পানি, পরিবেশকে দূষণ ও ধ্বংস করেই ক্ষান্ত হননি তিনি অর্থনীতি, উন্নয়ন ও নাগরিক জীবনকে অনিয়মে মুড়িয়ে গেছেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে বিপথগামী একদল সেনাসদস্যের হাতে নিহত হন জিয়াউর রহমান। এরপর রাষ্ট্রক্ষমতায় এলেন এরশাদ। জিয়ার সবকিছুই দেখা গেলো এই স্বৈরশাসকের চরিত্রে। রাষ্ট্রনায়কেরা বিভিন্ন সুকর্ম ও অপকর্মের কারণে জনসাধারণের মনে আসন তৈরি করে নেন। সেই আসনটি শ্রদ্ধারও হতে পারে, আবার ঘৃণারও হতে পারে।

লেখক : দীপক চৌধুরী – আমাদের অর্থনীতি, কলামিস্ট, কথাসাহিত্যিক ও ফিল্মমেকার


সর্বশেষ - জাতীয় সংবাদ