1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

খাদ্য ও নিত্যপণ্য নিয়ে কক্সবাজার থেকে জাহাজ গেছে সেন্ট মার্টিনে

ডেস্ক রিপোর্ট : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪

খাদ্য ও নিত্যপণ্য নিয়ে কক্সবাজার থেকে জাহাজ গেছে সেন্ট মার্টিনে

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের ১০ হাজারের বেশি বাসিন্দার জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এবং একটি জাহাজ কোম্পানির সহায়তায় শুক্রবার খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী নিয়ে জাহাজ পাঠানো হয়েছে সেন্ট মার্টিনে।

একইসঙ্গে জাহাজটিতে করে সেন্ট মার্টিন ফিরেছেন দ্বীপটির অন্তত দেড়শো বাসিন্দা। শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টায় কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটি ঘাট থেকে ‘এমভি বারো আউলিয়া’ জাহাজে করে এসব খাদ্য ও নিত্যপণ্য পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. ইয়ামিন হোসেন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সকাল ১০টা থেকে বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে ‘এমভি বারো আউলিয়া’ নামের জাহাজটিতে চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন ও তেলসহ নানা ধরণের ভোগ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য তোলা হয়। পরে অন্তত ২০০ টন মালামাল নিয়ে জাহাজটি সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এর পাশাপাশি দ্বীপে কর্মরত বিজিবি এবং কোস্ট গার্ডের সদস্যরাও তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য নিয়ে এই জাহাজে করে কর্মস্থলে গেছেন।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে গত এক মাস টেকনাফসহ উপকূলীয় এলাকা মোটামুটি শান্তই ছিল। কিন্তু ৫, ৮ এবং ১১ জুন নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের নাইক্ষ্যংদিয়া পয়েন্টে মিয়ানমারের অংশ থেকে সেন্ট মার্টিনগামী নৌযানে গুলি করা হয়। এতে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে বুধবার দুপুরে নাফ নদীতে দেখা মিলে মিয়ানমারের নৌ-বাহিনীর জাহাজ। এরপর রাত থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপসহ আশপাশের সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারের ওপার হতে থেমে থেমে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ভেসে আসতে শুরু করে।

এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের এক জরুরি সভায় বৃহস্পতিবার থেকে যাত্রী আসা-যাওয়া এবং পণ্যবাহী ট্রলার চলাচল শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এরই অংশ হিসেবে ৭ দিন পর বৃহস্পতিবার বিকালে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের নিরাপত্তায় সেন্ট মার্টিন থেকে তিনটি ট্রলারে করে দুই শতাধিক হোটেল শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ টেকনাফ পৌঁছান। এ সময় টেকনাফ থেকে বিকল্প সাগর পথে চারটি ট্রলারে করে তিন শতাধিক লোক সেন্ট মার্টিনে ফিরেন।

এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের এই অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের ঘটনাকে পুঁজি করে একটি মহল সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রটাচ্ছে। অপপ্রচারে কান না দিয়ে, সঠিক তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে সংবাদমাধ্যমসহ সকলকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকগণ।


সর্বশেষ - অভিমত