রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন

সরকারের যথার্থ ভূমিকার কারণে পোশাক খাতসহ বেশিরভাগ খাতে রপ্তানি আয়ের রেকর্ড

প্রতিবেদক:
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১৮

বর্তমান অর্থবছরে বাংলাদেশে রপ্তানি খাতের প্রায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। তৈরি পোশাক খাতে তা রেকর্ড হয়েছে। অর্থনৈতিক এ প্রবৃদ্ধির জন্য রপ্তানীকারক, ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা সরকারের যথার্থ নীতিমালা, সহযোগিতা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানীসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তৈরি পোশাক খাতের ওপর ভর করেই এবার দেশের মোট রপ্তানি আয় হয়েছে তিন হাজার ৬৬৬ কোটি ৮১ লাখ ডলার, যা তার আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৮১ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে পোশাক খাতের আয় তিন হাজার ৬১ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.৫১ শতাংশ বেশি। ফলে দেশের রপ্তানি আয়ে এবার প্রথম তৈরি পোশাক খাত থেকে তিন হাজার কোটি ডলারের রপ্তানি আয়ের নতুন রেকর্ড তৈরি হলো। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছে তিন হাজার ৬৬৬ কোটি ৮১ লাখ ডলার। এর আগে গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ছিল তিন হাজার ৪৬৫ কোটি ৫৯ লাখ ডলার।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে যে পরিমাণ পণ্য বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে, তার মধ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে তৈরি পোশাক খাতের পণ্য। এ খাত থেকে রপ্তানি আয় এসেছে তিন হাজার ৬১ কোটি ৪৭ লাখ ডলার, যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরের তুলনায় ৮.৭৬ শতাংশ বেশি। ওই অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে দুই হাজার ৮১৪ কোটি ৯৯ লাখ ডলার।
নিট পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০.৪০ শতাংশ। আয় হয়েছে এক হাজার ৫১৮ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০.৫৯ শতাংশ বেশি। ওভেন পোশাকে আয় হয়েছে এক হাজার ৫৪২ কোটি ৫২ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২.৪৩ শতাংশ বেশি।
বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘এবারই আমরা ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করতে পেরেছি। এ জন্য এয়ার ফ্রেইট, অবকাঠামো সুবিধার পাশাপাশি সরকারের আন্তরিক সহায়তার কারণে এ খাত থেকে আরো বেশি আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।’
অন্য খাতগুলোর মধ্যে ভালো আয় হয়েছে হোম টেক্সটাইল, কৃষিপণ্য, রাসায়নিক পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে। হোম টেক্সটাইলে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯.৯ শতাংশ, আর আয় হয়েছে ৮৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। কৃষিপণ্যে আয় হয়েছে ৬৭ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১৭ শতাংশ বেশি। রাসায়নিক পণ্য থেকে আয় হয়েছে ১৫ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭.৬৬ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্যে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। এ আয় গত অর্থবছরের চেয়ে ৬.৫৬ শতাংশ বেশি। চামড়া খাতে আয় হয়েছে ১০৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। প্লাস্টিক পণ্যে আয় হয়েছে ৯ কোটি ৮৪ লাখ ডলার।


এ বিভাগের আরও সংবাদ