শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ০২:০২ অপরাহ্ন

চীনের ওপর অসন্তুষ্ট মিয়ানমারের জেনারেলরা

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০

রাখাইনে বিদ্রোহীদের সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাদের লড়াই প্রায়ই হচ্ছে। এসব সংঘর্ষে বিদ্রোহীদের হাতে মারা যাচ্ছে মিয়ানমারের সেনা সদস্যরা। দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি, এই বিদ্র্রোহীদের সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে প্রতিবেশী চীন। তাই বেইজিংয়ের ওপর কিছুটা অসন্তুষ্ট মিয়ানমারের জেনারেলরা।

রাখাইনে বিদ্রোহীদের সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাদের লড়াই প্রায়ই হচ্ছে। এসব সংঘর্ষে বিদ্রোহীদের হাতে মারা যাচ্ছে মিয়ানমারের সেনা সদস্যরা। দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি, এই বিদ্র্রোহীদের সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে প্রতিবেশী চীন। তাই বেইজিংয়ের ওপর কিছুটা অসন্তুষ্ট মিয়ানমারের জেনারেলরা।

শুক্রবার মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

গত সপ্তাহে রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছিলেন। শক্তিশালী বাহিনীগুলো সহযোগিতা দেয় বলেই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীরা টিকে থাকে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি।

অনেকেরই ধারণা জেনারেল মিন চীনকে উদ্দেশ্য করেই এই মন্তব্য করেছেন। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সন্দেহ করছে বিদ্রাহী গোষ্ঠীগুলোকে চীন-মিয়ানমার সীমান্ত থেকে অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে। আরাকান আর্মি উত্তর রাখাইন রাজ্যে সেনাদের বিরুদ্ধে অভিযানে এসব ব্যবহার করছে।

সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সূত্র ও পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, রাখাইনে বিদ্রোহীদের অস্ত্র ও গোলা-বারুদের স্বল্পতা নেই। স্পর্শকাতার বিস্ফোরক ব্যবহারেও তারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। গেরিলা পদ্ধতি অবলম্বন করে তারা বারবার সেনা চৌকিতে হামলা চালাচ্ছে। যুদ্ধের এই পদ্ধতি ব্যবহার করতো বিলুপ্ত দল কমিউনিস্ট পার্টি অব বার্মার (সিপিবি) কর্মীরা। এককালে চীনের কাছ থেকেই রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা পেয়েছিল সিপিবি।

চীন অবশ্য বিভিন্ন সময় বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারের সমঝোতা ও শান্তি আলোচনার জন্য মধ্যস্থতা করতে প্রস্তাব দিয়েছে মিয়ানমারকে। এতে অবশ্য খুব একটা সাড়া পায়নি বেইজিং।


আরও সংবাদ