1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
ভেন্টিলেটর মিলবে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায়: বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
ভেন্টিলেটর মিলবে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায়: বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য - ebarta24.com
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন

ভেন্টিলেটর মিলবে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায়: বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০

করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে রোগীর প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। শ্বাসকষ্টে মৃত্যুও হতে পারে। তাই কৃত্রিমভাবে শ্বাসপ্রক্রিয়া চালু রেখে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখতে চিকিৎসকরা ভেন্টিলেটর ব্যবহার করেন। দেশে-বিদেশে করোনার প্রকোপে ভেন্টিলেটরের সংকটে বহু রোগী চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাচ্ছে। রোগীর মৃত্যু রুখতে এবং ভেন্টিলেটরের সংকট দূর করতে এবার শ্বাসযন্ত্র-প্রযুক্তি (ভেন্টিলেটর) উদ্ভাবন করল বরিশালের বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়।
ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের (ইউজিবি) ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সৈয়দ আলী মোল্লা আগের রোবট তৈরির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যন্ত্রটি বানিয়েছেন। বিদেশি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দেশি প্রযুক্তিতে এটি তৈরি করা হয়েছে। যন্ত্রটি এখন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ
কাউন্সিলের (বিএমআরসি) অনুমোদন মিললেই করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এটি পাঠানো হবে। বিদেশ থেকে আসা ভেন্টিলেটর কিনতে যেখানে তিন লাখ ৪২ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকা খরচ হয়, ঘরোয়া প্রযুক্তিতে তৈরি এই ভেন্টিলেটর মাত্র ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায়ই মিলবে।
তবে অন্য ভেন্টিলেটরের মতোই এটি অনেক বেশি স্বয়ংক্রিয়। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই এই ভেন্টিলেটর নিয়ন্ত্রণ করা যায়। করোনা রোগীর সংস্পর্শে এসে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা যাতে সংক্রমিত না হন, এ জন্যই এমন ব্যবস্থা করা হয়েছে। এমনকি কোনো কারণে ভেন্টিলেটর যদি বন্ধ হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে অ্যালার্মের ব্যবস্থাও রয়েছে। এমনকি অক্সিজেনের অভাবে রোগী যাতে মারা না যায় তারও ব্যবস্থা আছে।
চীন থেকে তিন লাখ ৪২ হাজার টাকা ব্যয়ে ভেন্টিলেটর আমদানি করা হয়। দেশের স্বাস্থ্যসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্রিটেন, আমেরিকা ও জার্মানির তৈরি ভেন্টিলেটর মেশিন কম্পানিভেদে আট থেকে ৩৩ লাখ টাকায় সংগ্রহ করছে।
করোনা মহামারির সময়ে সারা বিশ্বে ভেন্টিলেটরের ব্যবহার ও চাহিদা বেড়েছে। বাংলাদেশে প্রতি সাড়ে তিন লাখ মানুষের জন্য মাত্র একটি ভেন্টিলেটর রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। অন্যদিকে ভারত ও পাকিস্তানে প্রতি ২০ হাজার মানুষের জন্য একটি ভেন্টিলেটর রয়েছে।
বিজ্ঞানী সৈয়দ আলী মোল্লা বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে ভেন্টিলেটর তৈরি করলে তা অনেক কম খরচ পড়বে। আমরা যে প্রযুক্তিতে ভেন্টিলেটরের এই উপাদানগুলো বানাচ্ছি, তার খরচ সামান্য।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান ড. মো. ইমরান চৌধুরী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা নতুন নতুন উদ্ভাবনের দিকে ছুটছেন। ড. মো. সৈয়দ আলী মোল্লার প্রচেষ্টা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা ও উদ্যোগে ভেন্টিলেটর স্বল্প মূল্যে উৎপাদন করা যাবে। সরকারি অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলে আবেদন করা হবে।’





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021