1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

পুলিশ না পারলেও ‘মালিক’ নির্ধারণ করল মহিষ নিজেই!

নিউজ এডিটর : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪

মহিষের মালিক কে, তা নিয়ে সালিশ বৈঠকে মীমাংসা না হওয়ায় পুলিশের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু কীভাবে মহিষের মালিককে খুঁজে পাওয়া যাবে, তার কূলকিনারা করতে পারছিল না পুলিশ। এরপরই এই সমস্যার সামাধান দিল মহিষ নিজেই।

শুনতে অবাক লাগলেও সম্প্রতি এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। কয়েক দিন আগে নন্দনাল সরোজের বাড়ি থেকে তার একটি মহিষ হারিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি শেষে তিন দিন পর মহিষটির সন্ধান পান নন্দলাল সরোজ। পাশের হরিকেশ গ্রামের হনুমান সরোজের বাড়িতে মহিষটি বেঁধে রাখা ছিল। কিন্তু হনুমান মহিষটিকে তার দাবি করে, ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে উপায় না পেয়ে মহেশগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন নন্দনাল।

অভিযোগ পেয়ে গেল বৃহস্পতিবার মহিষের দুই দাবিদারকে থানায় ডেকে নেয় পুলিশ। সঙ্গে গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধানকেও ডেকে পাঠানো হয়। তার পরই মহিষের মালিককে চিহ্নিত করতে একটি সভার আয়োজন করে পঞ্চায়েত। সাত ঘণ্টা ধরে মহিষের মালিক কে, তা নিয়ে চলে টানাপোড়েন। কিন্তু আসল মালিক খুঁজে না পেয়ে শেষমেশ বিষয়টি আবার পুলিশের কাছেই যায়।

অনেক চিন্তাভাবনার পর সংকট সমাধানের একটি অভিনব পথ খুঁজে বের করেন মহেশগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মকর্তা শ্রাবণ কুমার সিং। তিনি পঞ্চায়েতে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দেন, সমস্যার সমাধানের দায়িত্ব মহিষের ওপরই ছেড়ে দিতে হবে! মহিষকে রাস্তায় একা ছেড়ে দেওয়া হবে। তখন মহিষ যে ব্যক্তিকে অনুসরণ করবে, মালিক তিনি বলেই ধরে নেওয়া হবে। পুলিশ কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তে গ্রামবাসীও রাজি হয়ে যায়। পরে নন্দলাল ও হনুমানকে তাদের গ্রামে যাওয়ার পথে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এবার আসল মালিক খুঁজে পেতে মহিষটিকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর মহিষটি সোজা নন্দলালের পেছন পেছন রায় আসকারানপুর গ্রামের দিকে রওনা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এরপর নন্দলালের কাছে মহিষটি হস্তান্তর করা হয়। পুলিশের এমন কৌশলে আসল মালিক খুঁজে পাওয়ায় উল্লাসে ফেটে পড়েন গ্রামবাসী। পরে মহিষের অন্য দাবিদারকে পুলিশ ও গ্রামবাসী মিলে ভর্ৎসনা করে।


সর্বশেষ - অভিমত