1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

কেবল শর্ট কোশ্চেন মুখস্ত করলেই তাকে মেধাবী বলা যাবে?

নিউজ এডিটর : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪

কি হলে নিজেকে মেধাবী বলা যাবে! আমিতো জানি মেধাবীদের কাজ হলো সৃস্টি করা, সে বিভিন্ন উদ্যগ নেবে যা মানুষের কর্ম সংস্থান তৈরী করবে যা জীবনের নান্দনিকতার শ্রী ঘটবে অথবা কল্যাণকর কিছু করবে মানুষ ও জীবের জন্য অথবা প্রকৃতির জন্য।

মেধাবীরা কেবল চাকরীর দাসত্ব করতে কেন কামড়া কামড়ি করবে! মেধাবীরা তা কখনো করেনা। সে দাসত্ব মানেনা। সে ক্রিয়েটর। নিজ গুণে সে সব নির্মান করবে। চাকর শ্রেণী হতে যাবেনা। কেবল শর্ট কোশ্চেন মুখস্ত করলেই তাকে মেধাবী বলা যাবে? এই সিস্টেম আমার কাছে হাস্যকর।

তুমি ভালো মুখস্ত করতে পারো, মনে রাখতে পারো- এটা একটা নিজেস্ত গুণ হতে পারে, কিন্তু এটাকে মেধাবী বলা যাবেনা। তুমি মানুষের দাসত্ব স্বীকার করতেই তুমি মুখস্ত করছো, নিজে মানুষের মুক্তির জন্য মুখস্ত করছো না। তুমি চাকর শ্রেনী হতে চাইছো। একসময় তোমার মনে হবে প্রভুর ধর্মই তোমার ধর্ম। তোমার নিজেস্ব কোন ধর্ম নেই, প্রভুর কন্ঠই তোমার কন্ঠ, তুমি বোবা হয়ে আছো, তোমার কন্ঠে নতুন স্বর বেরুচ্ছে না। তোমার নিজের কোন বলয় নেই। তুমি আজ যার বিরুদ্ধে কথা বলছো তুমি সেই তাই হবার চেস্টা করছো। অহেতুক সবকিছু।

তুমি ভাবছো তুমি মানুষের মুক্তির জন্য মিছিল করছো সংগ্রাম করছো আসলে তা নয়, তুমি পথে দাঁড়িয়েছো তোমার ব্যাক্তি স্বার্থে। তোমার ইনকাম সোর্স নিশ্চিত করার স্বার্থে যা সমগ্র মানুষের কল্যাণ হবেনা তোমার নিজের কল্যাণ হবে এর বাইরে কোন শব্দ নেই। যা আছে তা কেবল ভাড়ামি। তুমি আমলা হচ্ছো আর ধীরে ধীরে জনগন থেকে বিছিন্ন হচ্ছো। বিশাল বিশাল আদপ কায়দায় তোমার সহদ্বরকেই তুমি অচ্ছুত ভাবা শুরু করছো। প্রমোশনের প্রতি পদক্ষেপে তুমি রাক্ষস হয়ে উঠছো। হাজার হাজার কোটি টাকা তুমি পাচার করে নিজের জীবনের সুখ খুঁজে বেড়াচ্ছো। একদিন তুমি রাজতন্ত্রেও ঢুকে যাবার পায়তারা করছো। কোন লাভ নেই।

এটাকে আমি কখনো মেধাবীর জীবন বলিনা। এটা একটা বা*ত জীবন বলা এতে পারে। এসব জীবনের কোন মানে নেই। নিজের জীবনের সাথে নিজে জুয়া খেলার চেয়ে আনন্দ আর কিছুতে নেই। নিজেই নিজেকে ভাঙো, নিজেকেই অতিক্রম করো। জীবন উড়ায়ে দাও হাওয়ার মতো। জীবনের আসলে কোন মানে নেই যদি তুমি কোন প্রানের কল্যাণে না আসো। এ জঙ্গলের কোন পাখি কোন পশু বাঘ ভাল্লুক বান্দর কেউ বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য ঘোরে না। চাকরির ইন্টারভিউ বোর্ড ফেইস করেনা। সে কেবল কুড়িয়ে খায় বা শিকার করে খায়। কেননা তার যতটুকু ক্ষুধা ততটুকুই সে খায় আর নতুন কোন চাহিদা থাকেনা।

মানুষের চাহিদা থাকে আকাশসম। সে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমান করতে লুটে হয়ে ওঠে, যা পৃথিবীর আর কোন প্রাণীর ক্ষেত্রে ঘটেনা। এই পশু এই পাখিরা মানুষ জাতীর এই হিংস্রতাকে পিশাচ বলে ভাবে। এক পাখি তার বাচ্চাকে বলে ঐ দেখ ঐ শহরে পিশাচেরা কাউমাউ করছে ও ডালে বসিস না চল অন্য গ্রামে উড়ে যাই।

লেখক: চারু পিন্টু – অনলাইন এক্টিভিস্ট ও চিত্রশিল্পী


সর্বশেষ - অভিমত