শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন

সিলেটে পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৭

ইবার্তা অনলাইন ডেস্ক:‌ সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ৪ উপজেলা বন্যা কবলিত। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার লক্ষাধিক মানুষ।

সিলেটের গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট প্লাবিত হয়ে উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অধিকাংশ রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ি। পানি উঠায় রোববারের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বন্যায় তলিয়ে গেছে কৃষকের প্রায় ৫ হাজার হেক্টর বোনা আমন ও বীজতলা। দেখা দিয়েছে গোখাদ্যেরও চরম সংকট। বন্যার্তদের সাহায্যের এখনো পৌঁছেনি ত্রাণ।

গত ৪ দিনের অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় জৈন্তাপুর উপজেলার বিরাইমারা, ১ নম্বর লক্ষ্মীপুর, নম্বর লক্ষ্মীপুর, চাতলারপার, বাওনহাওর, গড়েরপাড়, খারুবিল, মোয়াখাই, মুক্তাপুর, লামনীগ্রাম, তিলকইপাড়া, কাটাখাল, ঘিলারতৈল, গোয়াবাড়ী, হর্নি, বাইরাখেল, নায়াখেল, আগফৌদ, কাঞ্জর, হাজারী সেনগ্রাম, নয়াগাতি, বারগাতি, এছাড়া ফতেপুর, চিকনাগুল ও চারিকাটা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

বন্যায় কর্মজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ায় না খেয়ে কোনো রকমে বেঁচে আছেন। পানিবন্দি এলাকা প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধিদের পরিদর্শন করতে যাননি বলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন।

বিশ্বনাথে গত কয়েক দিনের টানা ভারি বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টিপাত ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে উপজেলাজুড়ে বন্যা দেখা দিতে পারে। সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে উপজেলার লামাকাজি ইউনিয়নের বেশ কয়েক গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আধাপাকা রাস্তা, পুকুর, খাল-বিল, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এভাবে যদি আরো কয়েকদিন বৃষ্টি হলে বন্যার আশঙ্কা করেছেন উপজেলাবাসী। পুরো উপজেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।


আরও সংবাদ