বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
অনিয়মের বিরুদ্ধে সাবধান করলেন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আল্টিমেটামের পরেই হেফাজতের তাণ্ডব সারদেশে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন শ্রমিক, ইমাম, ভ্যানচলক : আশ্রয়হীদের জন্য সরকারি ঘর উগ্রতার দায়ে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্ট বিচ্ছেদের আগেই সম্পত্তি ভাগাভাগির চুক্তি ! ভারতে ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠিয়েছে বাংলাদেশ শফীর মৃত্যুর পর ‘উগ্রপন্থিদের’ হাতে হেফাজত : ইসলামী ঐক্যজোট মমতা শপথ নিলেন টানা তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমাদের রাজনৈতিক কালচারকে ধর্মান্ধতার কবলমুক্ত করা প্রয়োজন কোথাও পাওয়া যায়নি ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট : চট্টগ্রামে শনাক্ত যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকান

পাকিস্তান বিদ্বেষের কারণে ভারতীয় মৌলভীরা জাতীয় সঙ্গীতের বিরোধী!

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৭

(ইবার্তা অনলাইন ডেস্ক): মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া নিয়ে ভারতে বিতর্ক চলছে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন বা ‘সারে জাঁহাসে আচ্ছা’ গান গাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো মাদ্রাসা বা ধর্মীয় গোষ্ঠী থেকে প্রশ্ন তোলা হয়নি।

৭১তম স্বাধীনতা দিবসের আগে কয়েকজন নেতা কঠোর অবস্থান নেন যে, প্রতিটি মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে ও পুরো অনুষ্ঠান ভিডিও করে পাঠাতেও হবে। তবে নির্দেশ সত্ত্বেও বেশিরভাগ মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়নি।

এদিকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপুত্র চন্দ্র কুমার বসু বলেছেন, আইন প্রণয়ন করে বা বলপূর্বক কাজ হবে না, যুব সম্প্রদায়কে কেবল অনুপ্রাণিত করলেই হবে। তখনই তাঁরা বন্দে মাতরম গাইবে।

জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে আপত্তি তোলার কারণ ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা এ বিবেচনা করে। তবে এবার একজন আলেম সাংবাদিকদের ভিন্ন জবাব দিয়ে আলোচিত হয়েছেন। নাদওয়া মৌলানা খালিদ নামে সেই মৌলভী বলেন, “আসলে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যে সিন্ধ শব্দটি রয়েছে, যা এখন পাকিস্তানে। আমরা কখনোই পাকিস্তানের জয়গান করতে পারি না, বা তা নিয়ে প্রার্থনা করতে পারি না।’
তিনি বলেন, এ কারণেই স্বাধীনতার পর থেকে জাতীয় সংগীতের বদলে, ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ গাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। প্রশাসন যদি জাতীয় সংগীত থেকে এই শব্দটি সরিয়ে নেয়, তাহলে আর গাওয়ার কোনও আপত্তি থাকে না!


আরও সংবাদ