বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
গার্ডিয়ানে প্রকাশিত শেখ হাসিনার নিবন্ধ: ‘আ থার্ড অফ মাই কান্ট্রি ওয়াজ জাস্ট আন্ডারওয়াটার। দ্য ওয়ার্ল্ড মাস্ট অ্যাক্ট অন ক্লাইমেট’ হেফাজতের কর্তৃত্ব যাচ্ছে দেওবন্দের কাফের ঘোষিত জামায়াতের কব্জায় ! অনলাইনে মিলছে টিসিবির পেঁয়াজ আজ টিউলিপ সিদ্দিকের জন্মদিন বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোন ফ্রন্টিয়ার, ইমার্জিং ও ডেভেলপড মার্কেট রিটার্নে সবার ওপরে বাংলাদেশ মুজিববর্ষে প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা হাসি ফিরেছে পাট চাষিদের মুখে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বিশ্বসেরা : ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা: ১৭ বছর পর ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায়

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো

(ইবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট:) শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্যে ২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ স্থলে ৭৬ কেজি শক্তিশালী বোমা পুঁতে রাখার মামলায় ১০ জনকে গুলি করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া মামলায় অপর ৯ আসামিকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
রোববার ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ১০ আগস্ট এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায় ঘোষণার জন্য এদিন ধার্য করেন।

বাংলাদেশে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর সিলেটে গ্রেনেড হামলা ও তিনজনকে হত্যা মামলায় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টার মামলা থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়েছে।
মামলার অন্যতম আসামিরা হলেন- মো. মহিবুল্লাহ, মুন্সি ইব্রাহিম, মো. মাহমুদ আজহার, মো. রাশেদ ড্রাইভার, মো. শাহ নেওয়াজ, মো. ইউসুফ, মো. লোকমান, শেখ মো. এনামুল ও মো. মিজানুর রহমান

২০০০ সালের ২২ জুলাই পুলিশ কর্তৃক গোপালগঞ্জের সমাবেশ স্থল থেকে ৭৬ কেজি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার হলে এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক নূর হোসেন মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল মুফতি আবদুল হান্নানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। প্রায় ১৭ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হল।


আরও সংবাদ