1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আরও ৭৩ রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক: পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
আরও ৭৩ রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক: পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ - ebarta24.com
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০২:০২ অপরাহ্ন

আরও ৭৩ রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক: পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৭

বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী (বিজিবি) শনিবার সীমান্তে আরও ৭৩ জন রোহিঙ্গাকে পুশব্যাক করেছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে বিজিবি শতাধিক রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশে বাধা দেয়। এদিকে রাখাইনে সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৯ জনে উন্নীত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ‘নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের’ রক্ষায় দেশটি কেন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি তা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ। ওই রাজ্যে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৮৯ ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ মনে করে ওই রাজ্যের নাগরিকদের রক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারের এবং বেসামরিক জনগণ বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের যথাযথ সুরক্ষা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে মিয়ানমারকে আহ্বান জানাচ্ছে বাংলাদেশ।’
রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক সম্পর্কে সরকারি সূত্রে বলা হয়, বিজিবি সদস্যরা শনিবার মিয়ানমারের ৭৩ জনেরও বেশি রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে দিয়েছে। ১৭৬ জন রোহিঙ্গাকে তাদের দেশে ফিরিয়ে দেয়ার একদিন পর আবার এ সকল রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত পথে বিজিবি সদস্যরা সতর্কাবস্থায় রয়েছে। গতকাল বিজিবি’র ব্যাটালিয়ন-২ এর কমান্ডার লে. কর্ণেল এসএম আরিফুল ইসলাম একথা জানান। খবর বাসস।
কক্সবাজার স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন গতকাল শনিবার রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। জেলা প্রশাসক আলী হোসাইন বলেন, সীমান্তে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বিজিবিকে সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি আরো জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, বাংলাদেশ তাদেরকে গ্রহন করতে অক্ষম হওয়ায় দেশে ফিরে যেতে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে তাদের প্রতি মানবিক আবেদন জানাবে। বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী আশ্রয় নিয়েছে। এতে বাংলাদেশে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সমস্যা দেখা দিয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে কোন রোহিঙ্গা শরনার্থীকে আশ্রয় না দেয়ার জন্য স্থানীয় জনগনের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে। তবে সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে আসা মিয়ানমারের সহিংসতায় আহত বেশকিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা শরনার্থীকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।
এদিকে, মিয়ানমারের নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ মনে করে ওই রাজ্যের নাগরিকদের রক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারের এবং বেসামরিক জনগণ বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের যথাযথ সুরক্ষা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে মিয়ানমারকে আহ্বান জানাচ্ছে বাংলাদেশ।’
আরও বলা হয়, ২৫ আগস্ট রাখাইনে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) কর্তৃক নতুন করে হামলার বিষয়টি বাংলাদেশ লক্ষ্য করেছে এবং এই হামলার প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু এই হামলা ক্রমাগত চলায় সংশ্লিষ্ট নিরীহ জনগণের জীবননাশ হয়েছে, ‘যা রাথেডং-বুধিডং এলাকায় সম্প্রতি সেনাবাহিনীর অভিযানে ঘটেছে।’
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শনিবার বিকেলেও গুলির শব্দ শুনা গেছে।
মিয়ানমারের সামরিক সূত্র জানিয়েছে, রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ৮৯ জনের মধ্যে ৭৭ জন রোহিঙ্গা বিদ্রোহী ও ১২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।
এদিকে মিয়ানমারের জাতীয় নেত্রী অং সান সুকি শুক্রবার সকালে সহিংস ঘটনায় বিপুল সংখ্যক লোকের প্রাণহানিতে নিন্দা জানিয়েছেন। আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মীর (এআরএসএ) ব্যানারে একদল সশস্ত্র রোহিঙ্গা ৩০টি থানায় ও একটি সেনা ঘাটিতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021