বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
অনিয়মের বিরুদ্ধে সাবধান করলেন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আল্টিমেটামের পরেই হেফাজতের তাণ্ডব সারদেশে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন শ্রমিক, ইমাম, ভ্যানচলক : আশ্রয়হীদের জন্য সরকারি ঘর উগ্রতার দায়ে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্ট বিচ্ছেদের আগেই সম্পত্তি ভাগাভাগির চুক্তি ! ভারতে ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠিয়েছে বাংলাদেশ শফীর মৃত্যুর পর ‘উগ্রপন্থিদের’ হাতে হেফাজত : ইসলামী ঐক্যজোট মমতা শপথ নিলেন টানা তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমাদের রাজনৈতিক কালচারকে ধর্মান্ধতার কবলমুক্ত করা প্রয়োজন কোথাও পাওয়া যায়নি ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট : চট্টগ্রামে শনাক্ত যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকান

বিএনপির ত্রাণের চাল খাবার অযোগ্য : ক্ষুব্ধ বানভাসি

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৭

সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি এনায়েতপুর ও চৌহালী উপজেলায় বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে বিতরণ করা ত্রাণ সামগ্রী খাবার অযোগ্য হওয়ায় ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে বাসভাসি মানুষের মধ্যে। এ সময় তারা কেন্দ্রীয় ও জেলার স্থানীয় নেতাদের কটাক্ষ করে নানা ধরণের মন্তব্য করেন।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রাকিবুল করিম খান পাপ্পুর অর্থায়নে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ভূমি উপমন্ত্রী ও বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল্লাহ সোহেল, বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক হারুন অর রশিদ খান হাসান, জেলা যুবদলের সভাপতি আবু সাঈদ সুইট, সাধারণ সম্পাদক মির্জা আব্দুল জব্বার বাবু, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন রাজেশ, নাটোর জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ফরহাদ দেওয়ান শাহিন প্রমুখ।

খাবার অযোগ্য ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে বন্যার্তরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন বিএনপি নেতারা।

বিএনপির উদ্যোগে ২ হাজার ২ শ পরিবারকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। বিতরণকৃত ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল পাঁচ কেজি চাল, ছোট এক প্যাকেট বিস্কুট ও এক প্যাকেট স্যালাইন। মাত্র পাঁচ কেজি চাল চালের কথা জেনে অসন্তুষ্ট ছিল বানভাসিরা। অতপর বেলকুচি মডেল ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গনে বিতরণকৃত ত্রাণের প্যাকেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে চালের উৎকট গন্ধে পেয়ে কটুক্তি করতে থাকে।

এ বিষয়ে দেলুয়া গ্রামের হাবিবা বলেন, দুর্গন্ধ যুক্ত চালের ভাত খাওয়া যাবে না। ৫ কেজি চাল দেয়া হবে জানলে আসতাম না। এখানে তিনটি খেয়া পার হয়ে আসতে ও যেতে ৬০ টাকা খরচ হবে।

পাঁচ মাইল দূর থেকে এসেছিলেন রতনকান্দি গ্রামের শাহাদাত ও আমজাদ। তারাসহ চালা গ্রামের আমিনা, মনোয়ারা এবং জিধুরি গ্রামের সাইদুল ত্রাণ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেন। উপস্থিত অন্যান্য বন্যার্তদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের বাঁধা দান করেন।

স্থানীয় এক নেতা বলেন, যাদের চাল কিনতে দেয়া হয়েছিল তাদের অস্বচ্ছতার কারণে এটি হয়েছে। অত্যন্ত নিম্নমানের দুর্গন্ধযুক্ত এ চাল কিনতে কেজি প্রতি ৫০ টাকা দেখানো হলেও, খোলা বাজারে ভালো চালের মূল্য ৩০ টাকা।


আরও সংবাদ