বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:২৩ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ
গার্ডিয়ানে প্রকাশিত শেখ হাসিনার নিবন্ধ: ‘আ থার্ড অফ মাই কান্ট্রি ওয়াজ জাস্ট আন্ডারওয়াটার। দ্য ওয়ার্ল্ড মাস্ট অ্যাক্ট অন ক্লাইমেট’ হেফাজতের কর্তৃত্ব যাচ্ছে দেওবন্দের কাফের ঘোষিত জামায়াতের কব্জায় ! অনলাইনে মিলছে টিসিবির পেঁয়াজ আজ টিউলিপ সিদ্দিকের জন্মদিন বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফোন ফ্রন্টিয়ার, ইমার্জিং ও ডেভেলপড মার্কেট রিটার্নে সবার ওপরে বাংলাদেশ মুজিববর্ষে প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা হাসি ফিরেছে পাট চাষিদের মুখে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বিশ্বসেরা : ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন

রোহিঙ্গাদের এবার পুশব্যাক

ইবার্তা ডেস্ক
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৮

আগে গ্রহণ করা হয়েছিল মানবিক কারণে। আশ্রয় দেয়া হয়েছে প্রাণ বাঁচাতে। এখন থেকে আর নয়। রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে চাইলেই পুশব্যাক করা হবে। এ নীতি গ্রহণ করে তৎপর রয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)। সঙ্গে সহযোগিতায় রয়েছে কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

প্রতিবেশী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের দেশ হলেও মিয়ানমার বাংলাদেশের যে ক্ষতি করেছে তা অপূরণীয়। একদিকে সে দেশের রাখাইন রাজ্য থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের ওপর বর্বরোচিত কায়দায় নিপীড়ন নির্যাতন চালিয়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য করেছে। অপরদিকে, সে দেশের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় উৎপাদিত মরণ নেশার ইয়াবা বাংলাদেশে চোরাচালান পথে আসার অবাধ সুযোগ করে দিয়ে। সৃষ্ট এই দুটি ইস্যু মারাত্মক পর্যায়ে উপনীত হওয়ার জের হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ইতোমধ্যে দুদেশের পুরো সীমান্ত এলাকা সিল করে রাখতে বাধ্য হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এ আদেশ কার্যকর হয়ে চলমান রয়েছে।

উল্লেখ করা যেতে পারে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা রয়েছে ২৭১ কিলোমিটার জুড়ে। এরমধ্যে ৬৩ কিলোমিটার জল সীমান্ত ও ২০৮ কিলোমিটার স্থল সীমান্ত। বিজিবির (বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড) চার ব্যাটালিয়নের অধীনে দুদেশের এ সীমান্ত পরিস্থিতির নজরদারি রয়েছে। এগুলো হচ্ছে বিজিবি টেকনাফ-২, কক্সবাজার-৩৪, নাইক্ষ্যংছড়ি-১১ ও রামুর-৩০ ব্যাটালিয়ন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকা থেকে সীমান্ত শুরু হয়ে তা শেষ হয়েছে বান্দরবানের আলীকদমের বলীপাড়া পর্যন্ত। এরমধ্যে সীমান্ত পিলার রয়েছে ৬৪টি। তন্মধ্যে ১ থেকে ১৭ টেকনাফ-২, ১৮ থেকে ৪২ কক্সবাজার ৩৪, ৪৩-৫৫ নাইক্ষ্যংছড়ি এবং ৫৬ থেকে ৬৪ পর্যন্ত পিলার নিয়ন্ত্রণ করে।

শুধুমাত্র স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ছাড়া অন্য সবকিছু সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হয়েছে। টেকনাফ থেকে মিয়ানমারের মংডু পর্যন্ত ৮ ঘণ্টার ট্রানজিট ভিসা নিয়ে দুদেশের যাতায়াতের যে ব্যবস্থা ছিল তা আগে থেকেই বন্ধ রয়েছে। যা নিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।


আরও সংবাদ