1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
৯১৭ প্রজাতির উদ্ভিদের সন্ধান জাবিতে - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
৯১৭ প্রজাতির উদ্ভিদের সন্ধান জাবিতে - ebarta24.com
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫২ অপরাহ্ন

৯১৭ প্রজাতির উদ্ভিদের সন্ধান জাবিতে

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪৫ গোত্রের ৫৭৪ টি পরিবারের সব মিলিয়ে ৯১৭ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। গত ১১ বছর ধরে করা গবেষণার ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।

২০০৯-২০২০ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ‘উদ্ভিদকুল গঠন সম্পর্কিত’ একটি গবেষণা করে। গবেষণার ফলাফল থেকে জানা যায়, ৭০ দশমিক ৩৪ শতাংশ বনজ, ৬৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ দেশীয় ও ৩৬ দশমিক ২১ শতাংশ বিদেশি প্রজাতির গাছ রয়েছে। এছাড়া দিন দিন কমে যাচ্ছে এমন ১৫ প্রজাতির উদ্ভিদের সন্ধানও পাওয়া গেছে।

উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছালেহ আহাম্মদ খান, অধ্যাপক গাজী মোশারফ হোসেন, সহকারী অধ্যাপক শায়লা শারমিন সেতু, প্রয়াত শিক্ষার্থী ও গবেষক শারমিন সুলতানা এবং টেকনিক্যাল অফিসার আব্দুর রহিম গবেষণা কর্মটি পরিচালনা করেন।

গত ২৬ জুন বাংলাদেশ জার্নাল অব প্ল্যান্ট ট্যাক্সোনমি নামে একটি জার্নালে ‘ফ্লোরিস্টিক কম্পোজিশন অব জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস- এ সেমি-ন্যাচারাল এরিয়া অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়। জার্নালটি সম্পাদনা করে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স।

গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ প্রজাতির টেরিডোফাইট, ১২ প্রজাতির জিমনোস্পার্ম ও ৮৮৩ প্রজাতির সপুষ্পক উদ্ভিদ রয়েছে। সপুষ্পক উদ্ভিদের মধ্যে ২৬৫ প্রজাতি একবীজপত্রী ও ৬১৮ প্রজাতি দ্বিবীজপত্রী। এর মধ্যে ২৩ শতাংশ বৃক্ষ, ৫৬ শতাংশ গুল্ম, ১৫ শতাংশ বিরুৎ, ২ শতাংশ আরোহী ও ১ শতাংশ বাঁশ প্রজাতির।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ উদ্ভিদ ঔষধি, ৩৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ শোভা বর্ধনকারী, ৯ দশমিক ৫ শতাংশ চারণ ও ঘাসজাতীয়, ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ ফলদ, ৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ শাক-সবজি, ৫ দশমিক ২ শতাংশ কাষ্ঠপ্রদায়ী ও ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ জ্বালানি প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। ঔষধি উদ্ভিদের মধ্যে বাসক, কালমেঘ, শতমূলী, পুনর্ণভা, থানকুনি, ধুতুরা, কুরচী, তুলসী, অর্জুন, হরিতকি, বহেরা, নিশিন্দা, চন্দন ও কপূর উল্লেখযোগ্য।

বাংলাদেশ বন অধিদফতরের অধীনস্থ বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম কর্তৃক প্রকাশিত ‘রেড ডাটা বুক অব ভাসকুলার প্ল্যান্টস অব বাংলাদেশে’র তালিকায় দেশের বিপদাপন্ন বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদের মধ্যে ১৫ প্রজাতি এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাওয়া যায়। এর মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায় ১২ প্রজাতির উদ্ভিদ। বাকি তিন প্রজাতি নিজস্ব উদ্যোগে লাগানো হয়।

প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো উদ্ভিদগুলো হলো- তালিপাম, বন খেজুড়, ভূঁইডালিম, কালমেঘ, আগর, জালিবেত, সাচিঁবেত, করাকবেত, কদমবেত, মণিরাজ, তোসাবাক ও স্বর্পগন্ধা।

গবেষণার বিষয়ে অধ্যাপক ছালেহ আহাম্মদ খান বলেন, চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার মাধ্যমে তাদের ক্যাম্পাসের উদ্ভিদের তালিকা করলেও উদ্ভিদ বৈচিত্র্য নিয়ে এ ধরণের গবেষণা এর আগে হয়নি। বছরের পর বছর নিরলসভাবে কাজ করার গত জুন মাসে গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021