1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
বিতর্কিত খলিল-বার্গম্যানদের নয়া চক্রান্ত উন্মোচিত  - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
বিতর্কিত খলিল-বার্গম্যানদের নয়া চক্রান্ত উন্মোচিত  - ebarta24.com
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

বিতর্কিত খলিল-বার্গম্যানদের নয়া চক্রান্ত উন্মোচিত 

ইবার্তা সম্পাদনা পর্ষদ
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নামে নেত্র নিউজ নামের একটি অখ্যাত পোর্টাল যা করছে তা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা ও কারও ব্যবসায়িকে এজেন্ডা বাস্তবায়ন ছাড়া আর কিছুই না। তারা কোন প্রকার তথ্য প্রমাণ ছাড়াই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ফোনালাপ এবং তথ্যের ভিত্তিতে যা বলার চেষ্টা করেছে তা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নামে কলঙ্ক ছাড়া অন্য কিছুনা। তাদের কথিত প্রতিবেদনেই বলেছে ‘সম্ভাব্য দুর্নীতি’। অনুসন্ধানী সাংবাকিতায় ফ্যাক্ট এন্ড ডকুমেন্টস প্রয়োজন। নেত্র নিউজের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় রয়েছে সব কাল্পনিক বিষয়বস্তু।

সংবাদপত্র থেকে তথ্য উপাত্ত ঘেটে যা জানা যাচ্ছে, মারুবিনী, ভিটল আর পাওয়ারকো তো নিজেদের টাকাই নিজেদের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চেয়েছে। এখানে সরকারের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। সরকার তাদেরকে দীর্ঘ মেয়াদে শুধু তাদেরকে জায়গা লিজ দিবে। তাদের প্রস্তাব এখন পর্যন্ত না গ্রহণ করা হয়েছে, না কোন চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এখানে দুর্নীতি বা দুরভিসন্ধি কোথা থেকে আসবে?

এমন সম্ভাব্য দুর্নীতির ধোয়া পদ্মাসেতুতেও তোলা হয়েছিল। তখন দাবি করা হয়েছিল পদ্মা সেতুতে ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো তখনও পদ্মা সেতুর কাজই শুরু হয়নি। পরবর্তীতে কাডানার আদালত পর্যন্ত রায় দিয়েছে যে, পদ্মা সেতুতে কথিত দুর্নীতির অভিযোগ ছিল মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং কাল্পনিক। কিন্তু ততদিনে বাংলাদেশের যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশ বিরোধীরা যারা বাংলাদেশের উন্নয়ন চায়না তারা তাদের উদ্দেশ্য সফল করতে পেরেছিল। কারণ এই কথিত অভিযোগের ভিত্তিতেই বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়ন করা থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল।

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে এমন প্রতিদেবনের কারণ কি?
হ্যাঁ, এখানেই প্রশ্নটা বড় করে আসছে এবং আসা উচিতও – এদেশের মানুষের জানা দরকার জনগণের শত্রু কারা। কারা জনগণের পকেটের টাকা নিজেদের পকেটে ভরতে চায়?

ক্রমবর্ধমান এলপিজির চাহিদার কারণে এর বাজার সম্প্রসারণ হচ্ছে। আর এলপিজির বাজার এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে দেশের কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। তারা এতই শক্তিশালী এবং ক্ষমতাবান যে, দিনকে রাত বানানোও তাদের কাছে তুচ্ছ ব্যাপার। স্বভাবতই এলপিজির দাম সাধারণ জনগণের নাগালের মধ্যে থাকছে না। এ রকম বাস্তবতায় ভোক্তাদের সাশ্রয়ী দামে সরবরাহের এলপিজি সরবরাহের লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার।

একটি কন্সোর্টিয়াম ৩০০ মিলিয়ন বিনিয়োগে কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রে একটি এলপিজি টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে যা এখনো সম্ভাব্যবতা যাচাই পর্যায়ে রয়েছে। টার্মিনালটি নির্মাণ হলে এখান থেকে বছরে ১০ থেকে ১২ লাখ টন এলপিজি সরবরাহ করা যাবে।

বেসরকারি খাতে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে এলপিজি আমদানি হচ্ছে। দুই থেকে তিন হাজার টনের জাহাজে এলপিজি আনতে প্রতি টনে খরচ পড়ে ১০০ থেকে ১১০ ডলার। সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টনের জাহাজে আমদানি করলে খরচ পড়বে ৬৫ থেকে ৭০ ডলার। প্রতি টনে ৩৫ থেকে ৪০ ডলার সাশ্রয় হবে। তাতে দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সাড়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমে আসবে প্রায় ৩০০ টাকা মানে প্রায় ২৮ শতাংশ। কিন্তু এলপিজির বাজারের নিজেদের একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রাখতে এলপিজি সিন্ডিকেটের প্রভাবশালীরা শুরু থেকেই এই প্রকল্পের বিরোধীতা করতে থাকে। দেশের একটি ইংরেজি পত্রিকার সাবেক একদল সাংবাদিক এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত। বলাই বাহুল্য তারা বিতর্কিত তাসনিম খলিল, ডেভিড বার্গম্যান গং।

 

কারা এই টার্মিনালের বিরুদ্ধে?

বর্তমানে দেশের এলপিজি মার্কেটের ৯৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে বেসরকারী এলপিজি কোম্পানিগুলো। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন-বার্কের বেধে দেওয়া এলপিজির দাম মানতেও তারা নারাজ। ইচ্ছেমত দাম নিয়ন্ত্রণ করতে চায় তারা। তাই মহেশখালীতে এমন টার্মিনাল হোক তারা চায়না। শুরু থেকেই এর বিরোধীতা করে আসছে একটি গোষ্ঠী। যারা সরাসরি এই সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করছে সেই ২০০৯ সাল থেকেই।

শেখ হাসিনার সরকার দেশের সব মানুষের ঘরে যেমন বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছে তেমনি সবার কাছে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ করতে চায়। সে কারণে এরই মধ্যে নানাবিধ উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। ভালো একটা কাজে যত বাধাই আসুক না কেন সব বাধা পেরিয়ে মহেশখালীর এই এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ হলে দেশের মানুষ আরো কম দামে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করতে পারবে। আমাদের দেশের পরিবেশ এবং মানুষের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করলে এর বার্ষিক আর্থিক মূল্য অনেক। এমন একটি প্রকল্প কোন গোষ্ঠী স্বার্থে যেন হোচট না খায় এই প্রত্যাশা সকলের।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021