1. alamin@ebarta24.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. online@ebarta24.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. reporter@ebarta24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. news@ebarta24.com : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
বাদল রায়ের পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী - ebarta24.com
  1. alamin@ebarta24.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. online@ebarta24.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  3. reporter@ebarta24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  4. news@ebarta24.com : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
বাদল রায়ের পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী - ebarta24.com
বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

বাদল রায়ের পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী

সম্পাদনা:
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

দেশের জন্য আমৃত্যু শুধু দিয়েই গেছেন আশির দশকে মাঠ কাঁপানো সাবেক তারকা ফুটবলার বাদল রায়। বিনিময়ে কিছুই নেননি। লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে যাওয়া জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত এ ফুটবলারের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের সদস্য সুভাষ চন্দ্র সাহা, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সহিদ উদ্দিন আহমেদ সেলিম ও ফুটবল সংগঠক সাব্বির হোসেনকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বাদল রায়ের পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বাদল রায়ের পরিবারকে একটি ফ্ল্যাট ও ২৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই মহানুভবতার তথ্যটি জানিয়েছেন বাদল রায়ের স্ত্রী মাধুরী রায়। সুভাষ সাহাকে ৩০ লাখ, সেলিমকে ১০ লাখ এবং সাব্বিরকে পাঁচ লাখ টাকার চেক দেওয়া হবে। আবাহনীর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হারুনুর রশিদ চার ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের সহায়তার আবেদন সুপারিশ করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেন। সাবেক তারকা ফুটবলার আবদুল গাফফার হারুনুর রশিদের সঙ্গে সমন্বয় করেন।

ঢাকার মাঠে মোহামেডানের অনেক জয়ের নেপথ্য কারিগর ছিলেন বাদল রায়। জাকারিয়া পিন্টু, প্রতাপ শংকর হাজরাদের প্রজন্মের পর বাদল রায়ই ছিলেন সেরাদের কাতারে। কুমিল্লার সুতাকল ক্লাব দিয়ে ফুটবলে হাতেখড়ি তার। এরপর ১৯৭৭ সালে মোহামেডানের হয়ে ঢাকার মাঠে তার যাত্রা শুরু। ক্যারিয়ারের শেষটাও এখানেই। ১৯৮১ ও ১৯৮৬ সালে মোহামেডানের অধিনায়ক ছিলেন বাদল রায়। ’৮৬-তে তিন বছর পর মোহামেডানের লিগ জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। শুধু মোহামেডান নয়, জাতীয় দলেও বাদল রায় ছিলেন অপরিহার্য ফুটবলার। ১৯৮২ দিল্লি এশিয়াডে তার জয়সূচক গোল রয়েছে ভারতের বিপক্ষে। ইনজুরির জন্য বাদল রায়ের ক্যারিয়ার খুব বেশি দীর্ঘ হয়নি।

ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯১ সালে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান বাদল রায়। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের ক্রীড়া কমিটির সহসম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী ছিলেন বেশ কবার।

খেলা ছাড়ার পর সংগঠক হিসাবে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান বাদল রায়। ১৯৯৬ সালে ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত হন। যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন দুই মেয়াদে। পরবর্তীতে ২০০৮-২০ সাল পর্যন্ত সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সহসভাপতি, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনেও গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ক্রীড়াঙ্গনের কোনো অন্যায়-অনিয়ম হলে প্রতিবাদ করতেন বাদল রায়। অসুস্থ ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠকদের সাহায্যে এগিয়ে যেতেন সবার আগে। বাদল রায় ২০১৭ সালে স্ট্রোক করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাদল রায়কে সিঙ্গাপুরে নিয়ে চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করেন। স্ট্রোক করার পর থেকেই নানাবিধ শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন বাদল রায়। তবে তাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে বাফুফের কর্মকাণ্ড। সবশেষ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে ফুটবলকে দুর্নীতিমুক্ত করতে কাজী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে সভাপতি পদে দাঁড়িয়েছিলেন বাদল রায়। কিন্তু অদৃশ্য কারণে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার। নির্বাচনি ভেন্যুতে উপস্থিত না থেকেও ৪০ ভোট পেয়েছেন তিনি। হয়তো স্বাভাবিক অবস্থায় নির্বাচন হলে বাদল রায়ই হতেন বাফুফের সভাপতি।

স্বাধীনতার পর ব্রাদার্স ইউনিয়নের পুনর্জন্মের মহানায়ক সহিদ উদ্দিন আহমেদ সেলিম। একসময় ঢাকার মাঠ কাঁপানো বাবলু-মহসিন-সেলিম ত্রয়ীর অন্যতম একজন তিনি। জাতীয় ফুটবল দলের কোচও ছিলেন। সেই সেলিম ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। ১৯৭২ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে গফুর বেলুচ এবং ওয়াসিমদের মতো প্রতিভাবান ফুটবলারদের সংগ্রহ করে খেলোয়াড়, অধিনায়ক ও সংগঠক হিসাবে ব্রাদার্স ইউনিয়ন পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেন সেলিম। ওই সময় আবাহনী ও মোহামেডানের পাশাপাশি ব্রাদার্সকে তৃতীয় শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন সুভাষ চন্দ্র সাহা। ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেনের শারীরিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। প্রধানমন্ত্রীর মহানুভবতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাধুরী রায় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। বাদল নেই। কিন্তু আমাদের মাথার উপর প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদের হাত রয়েছে।’ তার কথা, ‘বাদল সারা জীবন ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। কিন্তু বর্তমানে সেই ফুটবলটাই দেশ থেকে বিলীন হওয়ার পথে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, তিনি যেমন বলিষ্ঠ হাতে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন, তেমনি ফুটবলকে জাগিয়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেবেন।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
ebarta24.com © All rights reserved. 2021