1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
পক্ষপাতদুষ্ট বার্গম্যান : প্রশ্নের মুখে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্মোহ সাংবাদিকতা - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
পক্ষপাতদুষ্ট বার্গম্যান : প্রশ্নের মুখে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্মোহ সাংবাদিকতা - ebarta24.com
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন

পক্ষপাতদুষ্ট বার্গম্যান : প্রশ্নের মুখে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্মোহ সাংবাদিকতা

তন্ময় আহমেদ
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

বাংলাদেশে ডেভিড বার্গম্যানের পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে কোনভাবেই তাকে নিরপেক্ষ বলা যায় না। তার শ্বশুর ডঃ কামাল হোসেন গত সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বিএনপি’র সিনিয়র নেতা এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে জিয়া পরিবার নির্বাচনি জোটের নেতৃত্ব তুলে দেয় একজন প্রাক্তন আওয়ামী লীগারের হাতে? কেন? কারন তারা জানে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে বিপথে নিয়ে যেতে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ডঃ কামালের গত কয়েক দশকের আক্রোশই যথেষ্ট। অথচ ডঃ কামাল সবসময় নিজেকে প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রতিনিধি বলে দাবি করে আসছেন।

ক্ষমতার স্বাদ পেতে নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দেওয়ার ঘটনা কামাল হোসেনের পরিবারে অবশ্য নতুন কিছু নয়। ২০০৬ সালে ‘তিন উদ্দিন’ এর ক্ষমতা দখলকে আইনি বৈধতা দিতে ছুটে গিয়েছিলেন ডঃ কামাল। এই পদক্ষেপের পেছনে ঢাকার ‘অভিজাত’ সমাজ ও আন্তর্জাতিক কিছু শক্তির হাত ছিল। সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে ফেলে জারি হয়েছিলো জরুরী অবস্থা। নির্বাচন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয় আর এর পক্ষে পত্রপত্রিকায় কথা বলতে থাকেন ডঃ কামাল হোসেন। সে নির্বাচনের প্রাক্কালে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় দেখতে পেয়েছিল সকলেই। ডঃ কামালের কন্যা ও ডেভিড বার্গম্যানের স্ত্রী সারা হোসেন একজন স্বনামধন্য মানবাধিকারবিষয়ক আইনজীবী। সামরিক সরকার যখন ‘রাজনীতিকে পরিষ্কারের’ অভিযান চালিয়েছিল শেখ হাসিনাসহ দেশের বরেণ্য ও জনপ্রিয় রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে, তখন ফুলে-ফেঁপে যান সারা হোসেন।

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শুরু আগে ডেভিড বার্গম্যানের প্রিন্ট মিডিয়ায় কাজ করার কোন অভিজ্ঞতাই ছিল না। কিন্তু দেশের সবচেয়ে নামকরা আইনজীবীর মেয়ে-জামাই হওয়ার সুবিধা নিশ্চয়ই আছে। এই পরিচয়ের ফলে যে প্রভাব খাটানো যায়, এক্সেস পাওয়া যায় তা খুব কম বিদেশিই পেয়ে থাকেন। ফলশ্রুতিতে দেশের সেরা ইংরেজি দৈনিকগুলোতে সহজেই উচ্চপদে নিয়োগ পেলেন কিন্তু প্রতিবারই খুব বেশিদিন টিকতে পারেন নি। কিন্তু ডঃ কামাল হোসেনের জামাতা বলে কথা। বার বার ব্যর্থ হলেও সুযোগের কোন অভাব হয়নি বার্গম্যানের।

তিনি তখন বাংলা বলতে পারতেন না এবং তার সকল তথ্যের উৎস ছিলেন ডিপ্লোম্যাটিক ককটেল পার্টিতে পরিচয় হওয়া অভিজাত বাংলাদেশিরা। এধরনের অভিজাত বাংলাদেশিদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও তার শ্বশুর ডঃ কামালের মতো সংকীর্ণ এবং ব্যাক্তি স্বার্থপ্রনোদিত। চাকরি আজ আছে, কাল নেই এমন একটা অবস্থায় শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন বার্গম্যান। শ্বশুরই তার হাতখরচ চালাতেন কিনা এমন প্রশ্ন উঠলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নাই।

বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে ডেভিড বার্গম্যানের দৃষ্টিভঙ্গি ডঃ কামাল হোসেন দ্বারা প্রভাবিত এবং বার্গম্যান আদতে তার শ্বশুরের লড়াইটাই লড়ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের প্রতি বার্গম্যানের ঘোরতর বিদ্বেষ এটাই প্রমাণ করে। কোন প্রতিষ্ঠান যদি ডেভিড বার্গম্যানকে বাংলাদেশ নিয়ে লিখতে দায়িত্ব দেয় তাহলে এই স্বার্থগত দ্বন্দ্বটা আমলে নেওয়া সে প্রতিষ্ঠানের নৈতিক দায়িত্ব হওয়া উচিত।

 

লেখক: তন্ময় আহমেদ, সমন্বয়ক, সেন্ট্রার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বুয়েট শাখা ছাত্রলীগ।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021