1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
বিশ্বে বাইসাইকেল রপ্তানিতে বাংলাদেশ অষ্টম : দাপাচ্ছে ২৭ দেশের রাজপথ - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
বিশ্বে বাইসাইকেল রপ্তানিতে বাংলাদেশ অষ্টম : দাপাচ্ছে ২৭ দেশের রাজপথ - ebarta24.com
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন

বিশ্বে বাইসাইকেল রপ্তানিতে বাংলাদেশ অষ্টম : দাপাচ্ছে ২৭ দেশের রাজপথ

অশোক আখন্দ
  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১

এক সময় বাংলাদেশ থেকে বাইসাইকেল রপ্তানি ছিলো স্বপ্নের মতো। হাটিহাটি করে এখন মেড ইন বাংলাদেশের বাইসাইকেল বিশ্বের ২৭ দেশের রাজপথে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এ খাত থেকে বছরে রপ্তানি আয় ১৩ কোটি ৮ লাখ মার্কিন ডলার।

বিশ্বব্যাপী চলমান করোনা মহারমারীকালে বাইসাইকেল বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এটাকে কাজে লাগিয়েছে দেশের সাইকেল তৈরিকারী কোম্পানিগুলো। আগে যেখানে বছরে এ খাতে রপ্তানি আয় ৮ কোটি ডলারের মধ্যেই ঘুরাফেরা করতো। করোনা মহামারীতে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ৫৮ শতাংশের বেশি হয়েছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্যানুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭ দেশে বাইসাইকেল রপ্তানিতে বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে এখন তৃতীয় অবস্থানে উঠে গেছে।

অন্যদিকে বিশ্বের মধ্যে বাইসাইকেল রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। তবে যেভাবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বাড়ছে সেই হিসেবে এই অবস্থান কয়েক বছরেই পাঁচের মধ্যে চলে আসবে। পরিবেশবান্ধব বাইসাইকেলের বাজার একসময় ছিল আমদানিনির্ভর। বিদেশ থেকে সম্পূর্ণ সাইকেল বা যন্ত্রাংশ এনে সংযোজন করে বাজারজাত করতেন এ দেশের ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ উপকরণ আমদানি করা হয়, বাকিটা দেশীয়।

রপ্তানির উদ্দেশে দুই যুগ আগে ১৯৯৬ সালে ঢাকার তেজগাঁওয়ে সরকারি বাইসাইকেল তৈরির প্রতিষ্ঠান কিনে নেয় মেঘনা গ্রুপ। বর্তমানে ট্রান্স ওয়ার্ল্ড বাইসাইকেল, ইউনিগ্লোরি ও মাহিন সাইকেল ইন্ডাস্ট্রিজ নামে তিনটি ইউনিটে সাইকেল উৎপাদন করছে তারা। মেঘনা গ্রুপ ২০০৩ সাল থেকে বাইসাইকেল রপ্তানি শুরু করে। এই গ্রুপটির তৈরিকৃত বাইসাইকেলের টায়ার ও টিউব যাচ্ছে ১৮ দেশে। আর ২০১৪ সালে দুরন্ত ব্র্যান্ড নিয়ে আসে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।

৪ হাজার থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের বাইসাইকেল রয়েছে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর কাছে। বাংলাদেশের তৈরি সাইকেলগুলো ইইউভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় জার্মানিতে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক ও চতুর্থ অবস্থানে যুক্তরাজ্য। এর পরের তালিকায় রয়েছে যথাক্রমে, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, বেলজিয়াম, ইতালি ও বুলগেরিয়া। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৩ কোটি ৮ লাখ ডলারের বাইসাইকেল রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছর রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৮ কোটি ২৮ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এক বছরে বাইসাইকেল রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ৫৮ শতাংশের বেশি। এর আগের চার অর্থবছরও আট কোটি ডলারের ঘরেই আটকে ছিল রপ্তানি।

২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাইসাইকেল থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮ কোটি ২৪ লাখ মার্কিন ডলার। প্রবৃদ্ধি ছিলো ১৬.৮৩ শতাংশ। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ৮ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। এ বছর প্রবৃদ্ধি ছিলো ৩.৯৪ শতাংশ। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে আয় ছিলো ৮ কোটি ৪২ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি ছিলো ১.৭৪ শতাংশ। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ৮ কোটি ২৮ লাখ ডলার।





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021