1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
দুখু মিয়ার স্মরণে - ebarta24.com
  1. [email protected] : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. [email protected] : নিউজ এডিটর : নিউজ এডিটর
দুখু মিয়ার স্মরণে - ebarta24.com
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন

দুখু মিয়ার স্মরণে

হামজা রহমান অন্তর
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১

১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দের ২৫ মে (১১জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ ) ব্রিটিশ ভারতবর্ষের বাংলা প্রেসিডেন্সির বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে কাজী ফকির আহমদের দ্বিতীয় স্ত্রী জাহেদা খাতুনের অভাবের ঘরে জন্ম নিয়েছিলেন ষষ্ঠ সন্তান কাজী নজরুল ইসলাম, ডাকনাম ‘দুখু মিয়া’। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তিনি দ্রোহের কবি, সাম্যের কবি, প্রেমেরও কবি। তার রচিত ৩টি ছোটগল্প, ৩টি উপন্যাস, ৬টি নাটক, ৩০০০টি গান, ২১টি কাব্যগ্রন্থে প্রায় ৬০০০ এর বেশি কবিতা দিয়ে তাকে সোজা রেখায় পরিমাপ করা যাবেনা। তাকে জানতে হলে তার সাহিত্যকর্মের পাশাপাশি তার জীবন দর্শন, সংগ্রাম ও চেতনাকে জানতে হবে। তার সম্পর্কে পড়াশোনা করতে গিয়ে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা উলটিয়েছি, আর দু’চোখ জলে ছলছল করছিলো। আগাগোড়া একজন কবি শুধু নন, কতো বড় একজন বিপ্লবীর জন্ম হয়েছিলো এই গঙ্গা ভাগীরথীর অববাহিকার বঙ্গীয় জনপদে, এই কথা ভাবতে ভাবতে।

মসজিদের ইমাম পিতার হাত ধরে কচি বয়সে সবক নেন একটি মক্তবে। সেখানে তিনি এতো প্রখর মেধার পরিচয় দেন, তার সহপাঠী কিংবা তার চেয়ে বয়সে বড়দের তিনি লেখাপড়া শিখতে সাহায্য করতেন। ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর পিতার মৃত্যু হলে সংসারে অভাব আরও প্রকট আকার ধারণ করে। এ সময় কখনো মসজিদে খাদেমের কাজ করেছেন, কখনো মুয়াজ্জিন হিসেবে কাজ করেছেন, কখনো ইমামের কাজ করেছেন, কখনো-বা খাদেমের কাজও করেছেন গ্রামের এক মাজারে। বিধাতার কী লীলা, এরইমধ্যে তিনি লোকশিল্পের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে একটি লেটো দলে যোগ দেন। আর এখান থেকেই তার জীবনের গতিপথ পাল্টে যায়। ‘লেটো’ হলো বাংলার রাঢ় অঞ্চলের কবিতা, গান ও নৃত্যের মিশ্র আঙ্গিক চর্চার ভ্রাম্যমাণ নাট্যদল। সেই সময়গুলোতে তিনি কবিতা, নাটক এবং সাহিত্য সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞান লাভ করেন।

এরপর অভাবের তাড়নায় একজন খ্রিস্টান রেলওয়ে গার্ডের খানসামা এবং সবশেষে আসানসোলের চা-রুটির দোকানে রুটি বানানোর কাজ করেন। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের শেষদিকে মাধ্যমিকের প্রিটেস্ট পরীক্ষার না দিয়েই তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর বাঙালি প্লাটুনে যোগ দেন ১ম বিশ্বযুদ্ধের দামামায়। এখানেও কবির জ্ঞানচর্চা থেমে থাকেনি। এ সময় তিনি ফার্সি, আরবি ভাষা ও সাহিত্যের উপর বিষদ জ্ঞান লাভ করেন বিদেশী মুসলিম সেনাদের কাছ থেকে। তাদের মধ্যে যারা বিভিন্ন রকম বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারতো তাদের কাছে তিনি রেওয়াজ করতেন। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে ১৯২০ সালে ব্রিটিশরা বাঙালি রেজিমেন্ট ভেঙ্গে দেয়, কারণ তারা বাঙালিদের কখনোই বিশ্বাস করতো না। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ শুরু করেছিলো এই বাঙালি সেনারাই। সেই থেকেই ব্রিটিশরা ঘরপোড়া গরুর মতো বাঙালিদের একসাথে দেখলেই ভয় পেতো।

সৈনিকের চাকরি ছেড়ে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন। মোসলেম ভারত, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, উপাসনা, নবযুগ, ধূমকেতু প্রভৃতি পত্রিকায় তিনি কাজ করেন। তার প্রচুর সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয় এসব পত্রিকায়। বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হলে কবিকে কারাগারে নেয় ব্রিটিশ সরকার। ততদিনে সাম্প্রদায়িকতা দানা বেধেছে ভারতের হিন্দু-মুসলিমদের ঐক্যের সামনে বাধা হয়ে। কবি বুঝতে পারলেন এভাবে চলতে থাকলে জাত হারামি ব্রিটিশরা ‘ডিভাইড এন্ড রুল’ পলিসির পুরো ফায়দা লুটবে। তিনি লিখলেন, “মোরা এক বৃন্তে দু’টি কুসুম হিন্দু-মুসলমান। মুসলিম তার নয়ন-মনি, হিন্দু তাহার প্রাণ।” তার বিখ্যাত ইসলামি গান “বক্ষে আমার কাবার ছবি, চক্ষে মোহাম্মদ রসুল” জ্ঞানার্জনে বিমুখ তদানীন্তন মুসলিম জনগোষ্ঠীর মাঝে সাড়া ফেলে দেয়।

নজরুল বাংলা ভাষায় সর্বাধিক ‘হামদ-নাত’ এর রচয়িতা। তার লেখায় ‘আল্লাহ’ এবং ‘খোদা’ শব্দের পৌনঃপুনিকভাবে ব্যবহার করতে আরম্ভ করেন, মাঝেমধ্যে রসুল শব্দও ব্যবহার করতেন। ইসলামী সঙ্গীত তথা ‘গজল’ এর পাশাপাশি তিনি কালীর প্রতি নিবেদিত অসাধারণ কিছু শ্যামাসংগীত ও বৈষ্ণবদের উপযোগী গান রচনা করেন। কাজী সব্যসাচী, কাজী অনিরুদ্ধ, কৃষ্ণ মুহম্মদ, অরিন্দম খালেদ এই ছিলো তার চার পুত্রের নাম। যাদের নামের মাধ্যমেই নজরুল ধর্ম থেকে ভাষার মুক্তি এবং হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি তুলে ধরেছিলেন সেই যুগে।

ভারতের সরকারি বেতারকেন্দ্র ‘অল ইন্ডিয়া রেডিও’তে কাজ করার সময় পৃথিবীতে প্রথম কোথাও রেডিওতে আজান দেন কবি নজরুল। বিয়ে করেছেন হিন্দু রমণী প্রমীলা দেবীকে, যৌবনের তুমুল সময়ে প্রেমে মজেন ভারতের প্রথম মুসলিম নারী গ্রাজুয়েট বেগম ফজিলতুন্নেসা জোহার। কিন্তু ফজিলতুন্নেসা তার প্রেমে কখনোই সাড়া দেননি, উল্টো প্রত্যাখ্যান করে কড়া প্রত্যুত্তর দিয়েছিলেন। প্রেমের বেদনাহত কবি তার বন্ধু মোতাহের হোসেনকে লিখেছিলেন, “আচ্ছা বন্ধু, ক’ফোঁটা রক্ত দিয়ে এক ফোঁটা চোখের জল হয়?” বকধার্মিক ধর্ম ব্যবসায়ীদের নিয়ে তিনি লিখেছিলেন, “মৌ-লোভী যত মোলভী আর মোল্লারা কন হাত নেড়ে, দেব-দেবী নাম মুখে আনে সবে তাও পাজীটার যাত মেড়ে।” আয়ুকালে কবিকে ‘বেদুঈন-মুরতাদ’ এই রকমের জঘন্য সব মন্তব্য করেছে মৌলবাদীরা। আর এখন তার গজল ছাড়া ইসলামিক জলসা জমেনা। ধর্ম নিয়ে তার এই দ্বৈতাদ্বৈতবাদী অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে কবি নিজেই বলে গিয়েছেন, “কেউ বলেন, আমার বাণী যবন, কেউ বলেন কাফের। আমি বলি ও দু’টোর কিছুই নয়। আমি শুধুমাত্র হিন্দু-মুসলমানকে এক জায়গায় ধরে এনে হ্যান্ডশেক করাবার চেষ্টা করেছি, গালাগালিকে গলাগলিতে পরিণত করার চেষ্টা করেছি।”

১৯১৭ সালে রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব কবিকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। উল্লেখ্য, ১৯২১ সনের সেপ্টেম্বর মাসে কমরেড মুজফ্‌ফর আহমদ ও কবি নজরুল তালতলা লেনের যে বাসায় ছিলেন সে বাড়িতেই ভারতের প্রথম সমাজতান্ত্রিক দল ‘সিপিআই’ গঠিত হয়েছিল। বন্ধু মুজফ্‌ফর এর সাথে ঘনিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও কবি নিজে কখনো এই দলের সদস্য হননি। ভারতবর্ষে তিনি সবার আগে লিখিতভাবে দেশের পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছিলেন। এমন এক প্রলয়ঙ্করী সময়ে তিনি এ দাবি জানিয়েছিলেন, যখন গোটা দেশ স্বাধীনতার পিপাসায় ছটফট করছিল, কিন্তু কোনো রাজনৈতিক নেতা ‘স্বাধীনতা চাই’ এই কথাটি বলতে সাহস পায়নি। এমনি বিপ্লবী চেতনা নিয়ে ১৯২৯ সালে ভারতের জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করতে চাইলেন, কিন্তু জাতীয় দল ‘কংগ্রেস’ তাকে নমিনেশন দিলো না। এই দেশের উর্বর মাটিতে দুর্বাঘাস তরতর করে বেড়ে উঠলেও উঁচু তালগাছ ঝরে যায় অবহেলায়। তার প্রমাণ, স্বতন্ত্র নির্বাচন করেও কবি হেরে গেলেন। কবি লিখেছিলেন, “বিশ্বাস করুন আমি কবি হতে আসিনি, আমি নেতা হতে আসিনি। আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম, প্রেম পেতে এসেছিলাম। সে প্রেম পেলাম না বলে আমি এই প্রেমহীন নীরস পৃথিবী থেকে নীরব অভিমানে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলাম।” ব্রিটিশ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জন্য শুধু কবিতা লিখে বিদ্রোহ করে নয়, তাদের হয়ে তিনি জনপ্রতিনিধিত্ব করতে চেয়েছিলেন সংসদে। কিন্তু অভাগা জাতি আমরা, মানুষ ঐ গরিব কবিকে ভোট দেয়নি। বিদ্রোহী কবিতায় কবি বলেছিলেন, “মহা-বিদ্রোহী রণক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত।” সেই দিন বিপ্লবী এই কবির জীবনে যে এতো তাড়াতাড়ি আসবে কেউ ভাবেনি। ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে দুরারোগ্য ‘ইনভল্যুশনাল সাইকোসিস’ রোগে আক্রান্ত হন এই বিপ্লবী কবি, আমৃত্যু মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে তার অগ্নিঝরা কলম থেমে যায়। বেণিয়া লুটেরা জাত ব্রিটিশ চিকিৎসকরা নজরুলের চিকিৎসার জন্য বড় অঙ্কের ফি চেয়েছিল, যেখানে ইউরোপের অন্য অংশের কোন চিকিৎসকই কোনো ফি নেন নি গুণীর কদর করে।

কাজী নজরুল ইসলাম যৌবনে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে তার ছিলো শ্রদ্ধা আর স্নেহের সম্পর্ক। রবীন্দ্রনাথ তাকে লিখেছিলেন, “কাজী নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়েষু, আয় চলে আয়, রে ধুমকেত…”। নজরুলও রবি ঠাকুরকে নিয়ে “হে চির-কিশোর রবীন্দ্র, কোন রসলোক হতে, আনন্দ-বেণু হাতে হাতে লয়ে এলে খেলিতে ধুলির পথে?…” এমন কয়েকটি কবিতা লিখেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার পান ১৯১৩ সালে। আর কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালে। অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ যখন তার গীতাঞ্জলী কবিতা প্রকাশ করছেন তখন নজরুল ১২ বছরের বালক আর যখন নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন তখন নজরুলের বয়স মোটে ১৪! কাজী নজরুলের প্রথম বই প্রকাশ পায় তারও ৯ বছর পর ১৯২২ সালে! অথচ মৌলবাদীরা প্রচার করে, নোবেল পাওয়ার লোভে নজরুলের ১৯৪২ সালের ১০ই অক্টোবর অসুস্থতার জন্য নাকি রবীন্দ্রনাথের ষড়যন্ত্র দায়ী! যেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরলোক গমন করেন ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট! এ জেনো নোংরা সাম্প্রদায়িকতার পুরনো খেলা, যেই বিষবৃক্ষের বিরুদ্ধে আমৃত্যু সমান তালে লড়েছিলেন বাংলার এই দুই রত্ন। এ যুগে জন্মালে মৌলবাদীদের হিংস্র চাপাতি তাঁদের ছেড়ে দিতো কিনা কে জানে!

১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্বের পাশাপাশি বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’তে ভূষিত করেন বাঙালি জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যদিও সরকারীভাবে এই গেজেটটি আজো প্রকাশিত হয়নি। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চেতনার উপর কবির প্রভাব লক্ষণীয়। “চল চল চল(পরবর্তীতে বাংলাদেশের রণসঙ্গীত), “এই শেকল পড়া ছল”, “কারার ঐ লৌহ কপাট”; স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত কবির গণসংগীতগুলো প্রবলভাবে উজ্জীবিত করেছিলো রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের। বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের শ্লোগান হিসেবে “জয় বাংলা”কে কবি নজরুলের রচনা থেকেই গ্রহণ করেছিলেন রাজনীতির কবি খ্যাঁত শেখ মুজিব। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার পিজি হাসপাতালে আমৃত্যু বিদ্রোহী এই কবি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার রচিত, “মসজিদের ঐ পাশে আমার কবর দিও ভাই। যেন গোরে থেকেও মুয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।” এই ইচ্ছা সরূপ তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয়। “সত্যকে হায় হত্যা করে অত্যাচারীর খাঁড়ায়, নেই কি রে কেউ সত্যসাধক বুক খুলে আজ দাঁড়ায়?” কবির মতো এমন করে কেউ আর বলবে না কোনোদিন। আজ কবির প্রয়াণ দিবসে অবনত মস্তকে স্মরণ করছি তাঁকে। শান্তিতে থাকুন। আমাদের কলম আপনার মতো করে ঊর্ধ্ব গগনে মাদল বাজিয়ে গর্জে উঠতে শিখুক।

 

লেখকঃ হামজা রহমান অন্তর, কলামিস্ট ও ছাত্রনেতা।  





সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ





ebarta24.com © All rights reserved. 2021